বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

‘পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে প্রক্সি সন্ত্রাস চালাচ্ছে ভারত’

৮ ডিসেম্বর, জিও নিউজ : পারমাণবিক সক্ষমতার কারণে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে প্রচলিত যুদ্ধ অসম্ভব। আর, এই উপলব্ধি থেকেই ভারত ভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে পাকিস্তানের সীমান্তে ‘প্রক্সি সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে। পাকিস্তানের জাতীয় কমান্ড কর্তৃপক্ষের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) খালিদ কিদওয়াই এই অভিযোগ করেন।

‘সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ (সিআইএসএস) এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ (আইআইএসএস), লন্ডন-এর যৌথ আয়োজিত ‘ডিফেন্স, ডিটারেন্স অ্যান্ড স্টেবিলিটি ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তব্যকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।

কূটনীতিক, একাডেমিক এবং কৌশলগত বিষয়ে বিশ্লেষকদের অংশগ্রহণে বুধবার এই কর্মশালায় বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়ে আলোচনা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক, ভারত ও প্যাসিফিক মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক মতবাদে বদলের প্রবণতা ও প্রতিবন্ধকতা এই আলোচনায় স্থান পায়।

তিনি বলেন, ‘সবাই জানে যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ সর্বাত্মক যুদ্ধ বা প্রচলিত যুদ্ধে পারস্পরিক ধ্বংস নিশ্চিত, তাই এখন সংঘাতকে একটি অপ্রথাগত রূপ দেয়া হয়েছে। এই অপ্রচলিত কৌশল এখন দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে।’

পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস চালানোর কথা ভারতীয় নেতারা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত ঘোষণা দিয়েই এই কৌশলের নীতি গ্রহণ করেছে। এখন আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের জন্য একটি ‘স্নায়ুযুদ্ধের যুগে প্রবেশ করছে এই অঞ্চল, যা চলবে প্রক্সির মাধ্যমে’।

পাকিস্তানের ‘শক্তসমর্থ পারমাণবিক শক্তি’ এবং ‘ফুল স্পেকট্রাম ডিটারেন্স’ নীতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এ কারণে এখন প্রচলিত যুদ্ধের সম্ভাবনা শুন্য হয়ে গেছে। প্রচলিত সর্বাত্মক যুদ্ধের যুগ আমরা পিছনে ফেলে এসেছি। ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখায় যতই উত্তেজনা সৃষ্টি কিংবা তথাকথিত সারজিকাল স্ট্রাইক করুক না কেন, এতে কোনো লাভ হবে না। পাকিস্তান কর্তৃক কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো হতে পারে এবং এ বিষয়ে সেখানেই শেষ হবে।’

 ‘ফুল স্পেকট্রাম ডিটারেন্স’ নীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোও ব্যাখ্যা করে উপদেষ্টা বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষমতা এমনভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে আক্রান্ত হলে এগুলো পুরো ভারতের যেকোনো অংশে আঘাত হানতে পারে এবং এর কারণে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ সরাসরি সংঘর্ষে নিরুৎসাহিত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ