সোমবার ২৫ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

মেহেরপুরে ডাল ও সরিষার চাষে আগ্রহ হারিয়েছে চাষিরা

মেহেরপুর থেকে সাংবদদাতা : মেহেরপুর জেলার চাষিরা মশুরি ও সরিষার চাষে আগ্রহ হারিয়েছে চাষীরা মসুরি চাষের।এই বিষয়ে উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,গত বছরে সদর উপজেলায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে মসুরী চাষ হয়েছিল। কিন্তু এই বছরে ৭৫০০ হেক্টর জমি চাষ করেছে বলে জানান। তিনি আরও বলেন নিম্ন চাষের কারণে জমি নরম থাকাই মসুরী ও সরিষার চাষের সময় হারিয়ে ফেলেছে। এতে করে বোরো ধানের ও ভুট্টো চাষ বেড়েছে বলে জানান তিনি।
আমঝুপির ডাল ও তেল বীজের জন্য বিএডিসির সিনিয়র সহকারি পরিচালক জিয়াউর রহমান বলেন মেহেরপুর আঞ্চলিক মসুরি ও সরিষার আবাদ কমলে বিএডিসি ক: এগ্রো জনের চুক্তিবদ্ধ চাষীরা পূর্বের ন্যায় ডাল ও তৈল বীজ আবাদ করেছে। আবাদে চুক্তিবদ্ধ চাষীরা ২৪১ জন জমির পরিমাণ হচ্ছে ৯১৪ একর মসুরী ও ২৫০ একর সরিষার  বীজ প্রদান করা হয়েছে  চুক্তিবদ্ধ চাষীদের বাজার দর কম অন্যদিকে ধান  সবজির দাম বেশী হওয়া তার অসময়ে বৃষ্টির কারণে আবাদ কম হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রথমে মসুরীর বীজ সরকারি ভাবে ১২৫ টাকা হারে নির্ধারণ করাই আশানুরূপ চাষী বীজ উত্তোলন না করাই পরবর্তীতে মসুরীর বীজ ৯৫ টাকা হারে নির্ধারণ করলে চাষীরা বীজ উত্তোলন করেছে। মসুরীর বীজ রোপনের সময় হচ্ছে অক্টোবরের শেষ এবং নভেম্বর পর্যন্ত মসুরীর বীজ রোপন করা যায়।
তিনি আরো বলেন,আমঝুপি  ডাল ও তেল বীজ খামারে কন্টোগ্রোস এর মোট চাষীদের সামনে থেকে ক্রয় করেন ১০০ টাকা কেজি হারে। বর্তমানে বিক্রয় করেন ৯০টাকা কেজি হারে যেখানে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে ১০ টাকা কেজি হারে।  চুক্তিবদ্ধ মেহেরপুর অঞ্চলে  এলাকা ও চুক্তিবদ্ধ চাষীদের সুত্রে জানা যায়,যে অতি বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে জমির চাষ ও মসুরি ও সরিষা চাষের উপযোগি করতে না পারায় এবং মসুরি চাষের সময় হারিয়ে ফেলায় মসুরি চাষ কম হয়েছে বলে জানান চাষীরা।
চাষী আনিছুর রহমান, বলেন মসুরী এবং সরিষা চাষের আগ্রহ হারানো একটি কারণ অসময়ে বৃষ্টি হয়েছে এবং বৃষ্টি হওয়ার কারণে চাষীরা চাষ কম করেছে। বারাদী ফার্মের ডিডি বলেন অসময়ে বৃষ্টি হয়েছে এবং বৃষ্টি হওয়ার কারণে চাষীরা চাষ কম করেছে। রবি শস্য আবাদ এই বছরে মেহেরপুর জেলায় কম হয়েছে। বেড়েছে বোরো ধান ও শাক সবজী করে বেশি লাভবান হওয়ার কারণে মসুরি ও সরিষার চাষ করিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ