সোমবার ১৮ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

নবেম্বর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [চার]
১২ নবেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে আসার পথে জুয়েল আরমান, হুমায়ুন, আতিয়া রাব্বি ও শামীমসহ মহানগর বিএনপির ৩০ নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। ২০ নবেম্বর বরিশালের গৌরনদীতে পালরদী ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় তারেক জিয়ার জন্ম বার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় ২০ জন আহত হয়। আহতরা হলো- সিরাজুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আরিফ হোসেন, আবু জাফর, সিকদার মমিন উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম ও রিপনসহ ২০ জন। পুলিশ ঘটনার স্বীকার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক কাজী সরোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদলের উপজেলা আহবায়ক মাহফুজ মোল্লা, জি.এস সুনান, মাসুম বেপারী, সবুজ হাওলাদার, উপজেলা যুবদল যুগ্ম-আহবায়ক গোলাম মোর্শেদ মাসুদ, মাসুম হাওলাদার ও আল-আমিন হাওলাদারসহ ৬১ জনকে আটক করে।
২১ নবেম্বর পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৌমিত্র সিংহ রায়কে লাঞ্ছিত করে বিএনপি নেতা ও মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ.বি.এম ফারুক হাসান। ফারুক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আরএমও-কে তলব করে কিন্তু তার সামনে রোগী থাকায় তিনি তখনই যেতে পারেনি বলে তাকে এভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। ২৯ নবেম্বর চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে বিএনপির বারইয়ারহাট সাবেক পৌর সভাপতি মাঈন উদ্দিন লিটনকে গাছ মার্কেট থেকে আটক করে পুলিশ। যশোর জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ ৭২ জনকে আটক করে। বিএনপির আটককৃতরা হলো- চৌগাছা উপজেলা সাধারন সম্পাদক ইউনুস আলী, বেনাপোল পৌর সভাপতি আলমগীর হোসেন, বেনাপোল পৌর যুবদল সদস্য আহাদ আলী, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদল সভাপতি গোলাম কাদের, যশোর পৌর ১নং ওয়ার্ড সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ও জেলা ছাত্রদল সহ-সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সুমন। ৩০ নবেম্বর যশোরের বাঘারপাড়ায় সন্ত্রাসের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক টি.এস আইউবসহ ৭২ বিএনপি নেতা-কর্মীর নামে মামলা করে পুলিশ।
ছাত্র দল : ১ নবেম্বর ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে ছাত্রদল-যুবদলের নামে মামলা করে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর খালেদা জিয়া কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ফেনীর মহিপালে দু’টি গাড়ীতে অগ্নিসংযাগের অভিযোগে ৭০ জনের নামে এই মামলা দায়ের করা হয়। বিএনপি দাবী করে সরকারী দলের লোকজন এই অগ্নিসংযোগ করেছে। বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শহীদ সেরনিয়াবাত কলেজে জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছাত্রদল হামলা করে ছাত্রলীগের উপর। হামলায় উভয় পক্ষে আসাদুজ্জামান নূর, রফিক পাইক, রাজু সরদার, নাফিজ পাইক, নাঈম পাইক, আবু বক্কর, শাকিল, অহিদুল, টিপু ও রাব্বি আহত হয়। বগুড়া জেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক শাহবুল আলম পিপলুকে আটক করে পুলিশ। ১৭ নবেম্বর ঢাকার পল্টন থানা পুলিশ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টুকে আটক করে। ১৮ নবেম্বর নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ জেলা ছাত্রদল সভাপতি ফরিদ হোসেন বাবু, সৌরভ, বাবু ও হৃদম হোসেনসহ ৬ জনকে আটক করে। ২০ নবেম্বর ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে তারেক জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন অনুষ্ঠান থেকে পুলিশ ১৯ ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- নয়ন, রবিন, আল-আমিন, হিমেল, রুমান শাহ, সাজ্জাদ, শাকিল, জামান, জাহিদ, জেরিন, ফায়েদ, ফাহাদ, রমজান, মোবারক, ফরহাদ, সোলায়মান, জয়, আহাদ ও সবুজ। ২২ নবেম্বর গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি সাইফুল হক মোল্লা এবং জেলা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ বাবুলকে আটক করে পুলিশ।
যুব দল : ১২ নবেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে আসার পথে রাঙ্গামাটি যুবদলের সভাপতি ইউসুফ চৌধূরী, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল মোর্তুজা ও সাংগঠনিক সম্পাদক  নূর মোহাম্মদসহ ১৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
শ্রমিক দল : ১১ নবেম্বর ঢাকার কদমতলীতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খাজাকে রায়েরবাগে তার বাসা থেকে আটক করে পুলিশ।
কৃষক দল : ৩০ নবেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা কৃষক দল সাধারণ সম্পাদক ও ১ বছরে কারা দন্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জব্বার দুলালকে বেলকা বাজার থেকে আটক করে পুলিশ।
জামায়াত : ৪ নবেম্বর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আলকরা ইউনিয়ন পূর্ব শাখা জামায়াত সভাপতি নজরুল ইসলাম মামুনকে নিজ গ্রাম পূর্ব ডেকরা থেকে আটক করে পুলিশ। ৫ নবেম্বর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পুলিশ দহবন্দ ইউনিয়ন জামায়াত সেক্রেটারী বজলুর রহমানকে তার বাড়ী থেকে আটক করে। ৬ নবেম্বর ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে জামায়াতের মিছিলে পুলিশের হামলায় ১০ জন আহত এবং ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। ৭ নবেম্বর খুলনার ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া থেকে একটি সাংগঠনিক সভা চলা কালে ১৪ জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর আবুল হোসেন, সেক্রেটারী ইছাহাক আলী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মান্নান, বাহারুল ইসলাম, মাওলানা মোক্তার হোসেন, মাওলানা আজহার আলী, আব্দুল হক, মনির হোসেন, আব্দুল হান্নান, শেখ শাহাদাত হোসেন, আব্দুল গনি ও খর্ণিয়া ইউনিয়ন জামায়াত আমীর হাবিবুর রহমান। ৮ নবেম্বর চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে জামায়াত নেতা ও সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা শফিকুল মওলাকে তার বাড়ী থেকে আটক করে পুলিশ। ১১ নবেম্বর রাজশাহীর বাঘায় বাউসা ইউনিয়ন জামায়াত আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, তার ছেলে মেহেদী হাসান মারুফ, ভাগিনা জাহিদুল ইসলাম বাবু ও আত্মীয় জীবন চৌধূরীকে আটক করে পুলিশ। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত আমীর গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারী খায়রুল আজম, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারী মোকসেদ আলী ও জামায়াত নেতা গোলাম রসুলকে আটক করে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদরে জামায়াত নেতা মাওলানা আজগর আলীকে পুলিশ বৈকারী এলাকা থেকে আটক করে।
১২ নবেম্বর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধনুসাড়া গ্রামের জামায়াত নেতা ইব্রাহিম খলিলকে তার বাড়ী থেকে আটক করে পুলিশ। ১৭ নবেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াত আমীর মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমেদ, সেক্রেটারী আব্দুল কাইউম, সাইফুদ্দিন মনির, শাহাবুদ্দিন, বশিরুল হক, এস.এম নাছির উদ্দিন, সাঈদ তালুকদার, জাহাঙ্গীর দেওয়ান, জামাল উদ্দিন, কফিল উদ্দিন, জাকির হোসেন, শহীদ মিয়া, মোঃ জাকির হোসেন, ড্রাইভার বেলাল ও মুন্সী মোঃ ফয়সালকে পুলিশ আটক করে। ২২ নবেম্বর ঢাকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে গাইবান্ধার সাবেক এমপি ও জামায়াত আব্দুল আজিজকে মৃত্যুদন্ড দেয়। ২৬ নবেম্বর ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা তাজুল ইসলামকে নিজ বাসা থেকে আটক করে পুলিশ। ২৭ নবেম্বর নোয়াখালীর চাটখিলে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা ওমর ফারুকে পুলিশ নিজ গ্রাম ঘাটলাবাগ থেকে আটক করে। ২৯ নবেম্বর নড়াইল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী আলমগীর হোসেনকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদন্ড দেয় আদালত। ৩০ নবেম্বর যশোরের চৌগাছায় গুয়াতলী গ্রাম থেকে আব্দুস সবুর ও তার ছেলে আব্দুল গফুরকে আটক করে পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে তারা জামায়াত কর্মী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী রফিকুল ইসলামকে বেনিপুর গ্রামে তার বাড়ী থেকে পুলিশ আটক করে। পরে পুলিশ তাকে ৫০০ গ্রাম গান পাউডারসহ থানায় চালান দেয়।
শিবির : ৬ নবেম্বর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি নাসির উদ্দিনকে ছাত্রলীগ আটক করে পুলিশে দেয়। ৮ নবেম্বর রাজশাহী মহানগরী সাবেক শিবির সভাপতি তৌহিদুর রহমান সুইটকে তেরোখাদিয়া এলাকা থেকে পুলিশ আটক করে।
জাপা : ১৯ নবেম্বর রাতে ঢাকার বেইলী রোডে জাতীয় পাটির নেতা ও সিলেট-৫ আসনের এমপি সেলিম উদ্দিন উল্টা পথে গাড়ী চালাতে থাকলে পুলিশ বাধা দিলে তিনি তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
তাবলীগ জামাত : ১৪ নবেম্বর ঢাকার কাকরাইল মসজিদে তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। মাওলানা ওয়াসিকুল ইসলাম ও মাওলানা জুবায়ের আহমেদ গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। নেতৃত্বের কোন্দল ছাড়াও কাকরাইল মসজিদের নির্মাণ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে এই ঘটনা ঘটে। তাবলীগ জামাতের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে ২৯ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল তার বাসায় তাবলীগ নেতাদের সাথে বৈঠকও করেন। ১৯২৬ সালে অবিভক্ত ভারতে মাওলানা ইলিয়াস আখতার কান্ধলভী তাবলীগ জামাত প্রতিষ্ঠা করেন। তার মৃত্যু পর তার ছেলে মাওলানা ইউসুফ, তার পরে তার পরিবারের সদস্য মাওলানা এনামুল হাসান তাবলীগ জামাতের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। মাওলানা এনামুল হাসানের মৃত্যুর পর আর কোন একক নেতৃত্বে না রেখে তাবলীগ জামাত শুরার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছিল। এখন মাওলানা ইলিয়াসের বংশধর মাওলানা সা’দ কান্ধলাভীকে নিয়ে বিতর্ক হওয়াই এই সংঘাতের অন্যতম কারণ। মাওলানা সা’দ চাচ্ছেন তার পূর্বসূরিদের মত কান্ধলভী বংশের হাতেই তাবলীগ জামাতের নেতৃত্ব থাকুক। এ নিয়ে বিরোধে গত বছর বিশ্ব এস্তেমায় মাওলানা সা’দকে বাংলাদেশে আসতে বাধা সৃষ্টি করা হয়।  
বিএনএ : ৮ নবেম্বর ঢাকায় হাইকোর্ট বাংলাদেশ ন্যাশানালিষ্ট অ্যালায়েন্স সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদাকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার দুর্নীতির মামলায় ৭ বছর সাজা থেকে কমিয়ে ৪ বছরের কারাদন্ড দেয়। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও মোস্তফা জামান ইসলামের আদালত এই রায় দেয়।
জেএমবি : ২ নবেম্বর ময়মনসিংহের ত্রিশালে কেরানীবাড়ী মোড় থেকে জেএমবি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবনকে আটক করে র‌্যাব-১৪। ৬ নবেম্বর ঢাকার একটি আদালত ৪ জেএমবি সদস্য ইসাহাক শেখ, আনাস আলী, রফিকুল ইসলাম ও খলিল মিয়াকে ১২ বছর করে কারাদন্ড দেয়। ১৬ নবেম্বর নওগাঁর আত্রাইয়ে নওদুলী বাজার থেকে ২টি বিদেশী পিস্তল, ১৩ রাউন্ড গুলি, ২টি ম্যাগজিন ও গ্রেনেড বানানোর সারঞ্জামসহ জেএমবির সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন বুলেট, শেখ আব্দুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক, লুলু সরদার ও মাসুদ রানাকে আটক করে পুলিশ। ১৮ নবেম্বর ঝিনাইদহের শৈলকুপার সাধুখালি গ্রাম থেকে জেএমবির সদস্য বছির ওরফে রাসেলকে র‌্যাব-৬ আটক করে। ২৯ নবেম্বর নরসিংদীর বেলাব থেকে জেএমবির সদস্য হাফেজ সৈয়দ মুহাম্মদ ইসাহাককে আটক করে র‌্যাব-১১।
আনছারুল্লাহ বাংলা টিম : ৮ নবেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাইনবোর্ড ও ঢাকার রামপুরায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১১ আনছারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য সৈয়দ রায়হান কবীর ওরফে বাবু ওরফে নাঈম ওরফে সাইকো মার্শাল ও ফয়সাল রহমান ওরফে মোয়াজ ওরফে আবু দোজানাকে আটক করে। ২৮ নবেম্বর ঢাকার যাত্রাবাড়ী রেললাইন এলাকা থেকে আনছার উল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য মাসুম হওলাদার ও তারেক আহমেদ সোহেলকে আটক করে র‌্যাব-১০।
ইউপিডিএফ : ১ নবেম্বর খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে বর্মাছড়ির মরাচেঙ্গা মুখ পাড়া থেকে ১টি এলজি, ৪ রাউন্ড গুলি ও নগদ ১৯,৭১০/- টাকাসহ ইউপিডিএফ সদস্য অমর বিকাশ চাকমাকে আটক করে যৌথ বাহিনী। ১৬ নবেম্বর খাগড়াছড়ির গুইমারার বুদুংপাড়া ও মাটিরাঙ্গার মুসলিমপাড়া এলাকায় ইউপিডিএফ সদস্যদের ৫টি গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় ৮ জনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- মংহাপ্রু মারমা, রুইচাইঅং মারমা, অনু চাকমা, মিরশা চাকমা, চলন্ত বিকাশ ত্রিপুরা, বিপন ত্রিপুরা, দীপ্ত মোহন ত্রিপুরা ও উজ্জ্বল ত্রিপুরা।
লাল পতাকা : ১ নবেম্বর রাজবাড়ীর কালুখালীতে হরিণবাড়িয়ার চর গ্রাম থেকে ১টি ওয়ান শুটারগান ও ১টি কার্টুজসহ লাল পতাকার সদস্য বাবলু মোল্লাকে আটক করে পুলিশ। ৭ নবেম্বর রাজবাড়ীর কালুখালীতে পদ্মা চরের ভবানীপুর ধান ক্ষেত থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজেদ আলী মন্ডল হত্যা মামলার আসামী ও লাল পতাকার সদস্য আলিম সিকদারকে আটক করে পুলিশ।
পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি : ৪ নবেম্বর রাজবাড়ীর পাংশায় পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য কাজল শেখকে তার শশুর বাড়ী নটাভাঙ্গা গ্রাম থেকে ১টি ওয়ান শুটারগান ও ২ রাউন্ড গুলিসহ আটক করে পুলিশ।
জেএসএস : ৩ নবেম্বর রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ির জেএসএস সদস্য অক্ষয় চাকমাকে ৯ রাউন্ড গুলি ভর্তি ম্যাগজিন, ৪ রাউন্ড গুলি ভর্তি ১টি রিভলবার ও ৩২ রাউন্ড গুলি ভর্তি এ.কে-৪৭ রাইফেলের ম্যাগজিনসহ আটক করে যৌথ বাহিনী। [সমাপ্ত]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ