বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

তিনটি বই হারিয়ে যাওয়া নিয়ে তোলপাড় কেসিসির ৩০০ ট্রেড লাইসেন্সের হদিস নেই

খুলনা অফিস : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ট্রেড লাইসেন্স শাখার পুরাতন লাইসেন্স বই হারিয়ে যাওয়া নিয়ে নগরভবনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দিনভর চলে এ নিয়ে নানা তৎপরতা। প্রাথমিক পর্যায়ে ১০টি বইয়ের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত ৩টি বইয়ের হদিস মিলছে না।
কেসিসির অডিট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রেড লাইসেন্স শাখার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইন্সপেক্টরদের কাছ থেকে পুরাতন বইয়ের নথি চাওয়া হয়। সে মতে প্রত্যেক ইন্সপেক্টর বই দেয়। বই ফেরত দেওয়ার সময় বই হিসেবে গরমিল দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে যার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০টি। পরে কিছু বই পাওয়া যায়। সর্বশেষ বুধবার বিকেল পর্যন্ত ১০টি বইয়ের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শাখার ইন্সপেক্টর মঞ্জু জানান, তাদের ভুল হয়েছে-অডিট শাখা যখন বই চায় কতটি বই দেয়া হলো তখন তার রিসিভ কপি রাখা উচিত ছিল। তার কয়েকটি বই প্রথমে না পাওয়া গেলেও পরে সবক’টি পাওয়া যায় বলে তিনি জানান। যা আইটি শাখার দায়িত্বহীনতার কারণে তাদের লাইসেন্স বইয়ের গরমিল হচ্ছে বলে তিনি জানান।
তবে সফি জানান, বুধবার পর্যন্ত ৩/৪টি বইয়ের হদিস পাওয়া যায়নি। বাকী বইগুলো পাওয়া গেছে। এমনই তথ্য তার কাছে রয়েছে। প্রতিটি বই-এ ১০০ পৃষ্ঠা রয়েছে। যার বিপরীতে ১০০টি ট্রেড লাইসেন্সের হিসেব রয়েছে ওই বইতে।
জিহাদ নামের আরেক লাইসেন্স ইন্সপেক্টর বলেন, তার কোন বই খোয়া যায়নি। কারণ তিনি বই দেয়ার আগে তার হিসাব রিসিভ করে রাখেন। বুধবার বিকেলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা লাইসেন্স শাখার সহকারী সুপারিনটেন্ডেন্ট কবিরসহ অনেককে দপ্তরে তলব করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পলাশ কান্তি বালা মুঠোফোন রিসিভ করেননি।
কবির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অডিট কর্মকর্তা তুহিন তড়িঘড়ি করে কয়েকটি পুরাতন লাইসেন্স বই চায়। তা দেয়া হচ্ছে। তবে দিতে একটু দেরী হচ্ছে বলে চীফ স্যার তাকে ডেকে তাড়াতাড়ি লাইসেন্স বই অডিট অফিসারকে দিতে বলেছেন। তবে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ট্রেড লাইসেন্স শাখার তিনটি পুরাতন বইয়ের কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ