সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

বনকর্মীদের আটবছর পর ঝুঁকিভাতা দিতে  প্রজ্ঞাপন জারি হলেও রেশনিং চালু হয়নি

 

খুলনা অফিস: দীর্ঘ দিনের দাবির পর সুন্দরবনের বনরক্ষীদের জন্য এক শুভ বার্তা দিলো সরকার। বিশ্বের একক বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবনের বনরীদের প্রাণের দাবি ‘ঝুঁকি’ ভাতা দিতে প্রজ্ঞাপন জারী করেছে সরকার। তবে রেশনিং দাবি করলেও সেটি এখন বাস্তবায়ন হয়নি। সুন্দরবনের পুর্ব ও পশ্চিম বিভাগে কর্মরত আট শতাধিক কর্মচারী ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের মুল বেতনের শতকরা ৩০ ভাগ হারে ১১ থেকে ২০ নম্বর গ্রেড ভুক্ত কর্মচারীরা এই ঝুঁকিভাতা ভোগ করতে পারবেন । গত ২৩ অক্টোবর সুন্দরবনের কর্মচারীদের জন্য এই ঝুঁকিভাতা প্রদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ভাতা চালুর ফলে সুন্দবন সংরক্ষণে বনরক্ষীরা আরও আন্তরিক হবে। নির্মূল হবে চোরাকারবারী, দস্যুতাসহ নানা অপরাধ প্রবনতা এবং নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা মেলবে সুন্দরবনের। অপরদিকে, ঝুঁকি ভাতার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ চেয়ে শীঘ্রই আবেদন জানাবে বনবিভাগ।

জানা গেছে, সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। এরমধ্যে স্থল ভাগের পরিমাণ ৪ হাজার ১৪৩ ও জল ভাগের পরিমাণ এক হাজার ৮৭৩ বর্গ কিলোমিটার। বিশাল এই সুন্দরবন সুরক্ষা বনরক্ষীদের জন্য অনেক ঝুঁকির। এখানে বনজসম্পদ পাচারকারী, শিকারী চক্র ও দস্যুরা সক্রিয় রয়েছে। বাংলাদেশ বন প্রহরী কল্যাণ সমিতির খুলনা অঞ্চল শাখার সভাপতি অলিয়ার রহমান মিলন বলেন, ঝুঁকি ভাতার ঘোষণা দেয়ায় সুন্দরবনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বনমন্ত্রী, প্রধান বন সংরক্ষককে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তার দাবি অন্যান্য বাহিনীর ন্যায় তাদের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যাতে বঞ্চিত করা না হয় সে দিক খেয়াল রাখার। খুলনা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) এস এম শোইয়েব খান বলেন, ঝুঁকিভাতা প্রদান করায় সুন্দরবনের বনকর্মীরা ভালভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। এখনও বন কর্মীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন টহল ফাঁড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ, দ্রুতগামী জলযানের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ