সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

দেশের সিরামিক পণ্য রফতানি হচ্ছে ---বাণিজ্যমন্ত্রী

 স্টাফ রিপোর্টার: সিরামিক শিল্প বাংলাদেশের একটি ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খাত। খাতটি  বৈদেশিক বিনিয়োগও আকৃষ্ট করেছে। সিরামিক এক্সপো প্রমাণ করে আমরা ধীরে ধীরে রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তরিত হচ্ছি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরার (আইসিসিবি) ৪ নম্বর হলে সিরামিক পণ্যের মেলা ‘সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ ২০১৭’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি, সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রমুখ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৬২ সালে দেশে প্রথম সিরামিক কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে তিন ক্যাটাগরিতে ৬২টি কারখানা রয়েছে। এতে বিনিয়োগ হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার। এই খাত থেকে বছরে ৩ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। রপ্তানি আয় ৫০ মিলিয়ন ডলার।

তিনি বলেন, সিরামিক খাতকে এগিয়ে নিতে সিরামিক পণ্য আমদানিতে উচ্চ হারে কর ধার্য করেছে সরকার। ফলে দেশে এ শিল্পের প্রসারও ঘটেছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৫ লাখের বেশি মানুষ এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। গত অর্থবছরেও দেশের ৮০ শতাংশ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সিরামিক সামগ্রী বাইরে রপ্তানি করা হয়। ইউরোপ, আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রধানত সিরামিক সামগ্রী রপ্তানি করা হয়।

এ খাতের অসুবিধার কথা বলতে গিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, গ্যাস ও বন্দর সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। ভোলাতে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস থাকায় অনেক কোম্পানি সেখানে সিরামিক কারখানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া, ২০১৮ সালে লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) আমদানি শুরু হলে এই সমস্যার সমাধান হবে। আর বন্দর সমস্যা সমাধানের জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

তিন দিনব্যাপী এ মেলায় থাকবে সিরামিক বিষয়ে বিভিন্ন সেমিনার। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। দেশীয় সব সিরামিক কোম্পানির বাইরে ১৩টি দেশের ৬০টি কোম্পানির বিশ্বখ্যাত ৫৪টি ব্রাঞ্চ তাদের সিরামিকের কাঁচামাল, মেশিনারিজ, প্রযুক্তি নিয়ে মেলায় অংশ নিচ্ছে।

 মেলায় অংশ নিচ্ছে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিকস ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘ওয়ালটন ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন ডিভিশন’ (ডব্লিউআইএসডি)। মেলায় প্রতিষ্ঠানটি ১৪ ধরনের পণ্য ডিসপ্লে করছে। এর মধ্যে রয়েছে কমপুনেট, প্লাস্টিক কমপুনেট, স্টিল বিকমপুনেট, এলডিপি প্রভৃতি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ