বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০
Online Edition

ম্যাপল লিফ স্কুলের অধ্যক্ষকে হাইকোর্টে তলব

স্টাফ রিপোর্টার : আদালতের আদেশের পরেও ধানমন্ডির আবাসিক এলাকা থেকে ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল না সরানোর কারণে স্কুলের অধ্যক্ষ আলী কারাম রেজাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১২ ডিসেম্বর হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে তাকে।
একটি আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দিয়েছেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
আবাসিক এলাকার বৈশিষ্ট্য রক্ষার নির্দেশনা চেয়ে ধানমন্ডির দুই বাসিন্দা এম এ মাসুদ এবং এম এ মতিন হাইকোর্টে ২০১১ সালের রিট আবেদন করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। একই সঙ্গে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় নতুন স্কুল, কলেজ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও অনুমোদনের ওপর অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১২ সালের ১১ জুন রায় দেয়া হয়। রায়ে তিন বছরের মধ্যে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা থেকে অননুমোদিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন আদালত। তবে ইতিপূর্বে বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করায় ধানমন্ডি-২, ২৭ নম্বর সড়ক, সাতমসজিদ ও মিরপুর সড়কের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু-আপিল করে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল। পরে ২০১৬ সালের ১ আগস্ট আবেদন খারিজ হয়ে যায়।
কিন্তু আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় আদালত অবমাননার আবেদন করেন আইনজীবী আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৩১ মে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ম্যাপল লিফের অধ্যক্ষকে গত ৪ জুলাই আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তলব করেন। পাশাপাশি আদালত অবমাননার দায়ে কেন তাকে অভিযুক্ত করা হবে না তা জানতে চেয়ে রূর জারি করা হয়।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, জুলাইতে তৎকালীন অধ্যক্ষ জেবা আলী আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেছিলেন তিনি এখন আর দায়িত্বে নেই। এখন দায়িত্বে তার ছেলে আলী কারাম রেজা। এর প্রেক্ষিতে আদালত আলী কারামকে ১২ ডিসেম্বর হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ