শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

নীলফামারীতে চলছে বিধিবহির্ভূতভাবে গ্রামভিত্তিক ভিডিপি প্রশিক্ষণ

নীলফামারী সংবাদদাতা : নীলফামারীতে বিধিবহির্ভূতভাবে চলছে গ্রামভিত্তিক ভিডিপি প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার যোগসাজশে চলছে এ প্রশিক্ষণ। যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই। জানা যায়, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে উপজেলার সকল গ্রামে পর্যায়ক্রমে চলবে গ্রামভিত্তিক অস্ত্রবিহিন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ। কখনো একটি গ্রামে একবার ট্রেনিং দিয়ে অন্য গ্রামে রাউন্ড শেষ না হবার পূর্বে আবারও পূর্বের গ্রামে এ প্রশিক্ষণ দেয়া যাবে না। কিন্তু সরকারি এ বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জেলার ডোমার উপজেলার নিজ ভোগডাবুড়ি গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডে চলছে পর পর দু বার এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। ওই এলাকার বোতলগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে গত ১৯ নবেম্বর হতে ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণটি। ওই ইউনিয়নের আনসার ও ভিডিপি দলপতি হাসান আলী ৩২ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ এ ৬৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ বাবদ ৫০০ টাকা করে উৎকোচ আদায় করেন। এ উৎকোচের টাকা উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মওসুমী আক্তারসহ দুজনে ভাগবাটোয়ারা করে সম্পূর্ণ বিধি লংঘন করে ওই গ্রামে পর পর দুই বার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। যেখানে উপজেলার একাধিক এমন গ্রাম রয়েছে যারা দীর্ঘদিনেও প্রশিক্ষণ পাচ্ছে না। অপরদিকে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের বিনা অনুমতিতে কেবলমাত্র ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ইচ্ছায় ওই বিদ্যালয়ের ক্লাশ বন্ধ রেখে চলা এ প্রশিক্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, ক্লাশ বন্ধ রেখে চলছে নামমাত্র এ ভিডিপি প্রশিক্ষণ। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কোন অনুমতি নেয়নি বলে বিষয়টি স্বীকার করেন। এ প্রশিক্ষণ ব্যাপারে আনসার ও ভিডিপি’র ভোগডাবুড়ি ইউনিয়ন দলপতি হাসান আলী তার বিরুদ্ধে আনীত উৎকোচের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পর পর দুইবার প্রশিক্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মওসুমী আক্তার জানান, পর পর দুইবার কেন প্রয়োজনে আবার হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ