শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী

গতকাল রোববার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতায় পাঠভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির পুরস্কারের বই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ)’ এর উদ্যোগে প্রায় ১১ লাখ বই পুরস্কার হিসেবে স্কুল ও মাদরাসার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এসব বই প্রত্রিয়াকরণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রেরণের জন্য গতকাল রোববার ঢাকায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে সেকায়েপ প্রকল্পের পক্ষ থেকে এই বই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। জগতকে জানতে হলে পাঠ্য বইয়ের বাইরে আরো বই পড়তে হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এর বিকল্প নেই। তিনি বলেন, পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০১৭ সালে ২২ লাখ শিক্ষার্থী বই পড়ায় অংশ নিয়েছে।  এদের মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে ১১ লাখ বই পুরস্কার দেয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ২০১০ সাল থেকে প্রায় ৮৩ লাখ শিক্ষার্থী বই পড়ায় অংশ নিয়েছে।
সেকায়েপ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহামুদ-উল-হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির কো-টিম লিডার শরীফ মাসুদ বক্তৃতা করেন।
উল্লেখ্য, চলতি ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের ২৫০টি উপজেলার ১২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বই পড়ায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর উত্তীর্ণ ৭ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। পুরস্কার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে সেকায়েপ প্রকল্প থেকে দেয়া এই ১১ লাখ বই আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বিতরণ সম্পন্ন হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ