শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখা হবে -দুদক

স্টাফ রিপোর্টার : প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারির যেসব কাগজপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এসেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গতকাল রোববার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
এ সময় দুদকের চেয়ারম্যান বলেন, প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারির ব্যাপারে আমরা আজ কাগজপত্র পেয়েছি। এতে আমরা অনেকগুলো নাম পেয়েছি। প্যারাডাইস পেপারসের বিষয়ে আমরা বিচার বিশ্লেষণ করবো। অনুসন্ধানে নেওয়া হলে সবাই জানতে পারবেন।
এদিকে ৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি আব্দুল হামিদ, মুন গ্রুপের এমডি মিজানুর রহমানসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুদক।
আসামী ব্যাংক কর্মকর্তারা হলেন- অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবদুল হামিদ, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান খান, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আখতারুল আলম, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আমিরুল ইসলাম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল্লাহ ও সাবেক জ্যেষ্ঠ প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম।
রাজধানীর কল্যাণপুরে বিতর্কিত জমিতে নির্মাণাধীন একটি ভবনের অস্বাভাবিক ব্যয় ও আয় দেখিয়ে মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে অগ্রণী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩০ জুন রাজধানীর মতিঝিল থানায় এই মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ওই জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। রাজউকও সেখানে ভবন নির্মাণের নকশা বাতিল করে।
কিন্তু সেই জমিতে ভবন নির্মাণ শুরু করে অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ও আয় দেখিয়ে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ১০৮ কোটি টাকা মুন বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে ঋণ মঞ্জুর করে।
মিজানসহ আসামীরা টাকা তুলে ৩৪ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৯ টাকার কাজ করে ৬০ কোটি ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৬৩০ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৪ অগাস্ট পর্যন্ত মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে ওই অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। এই মামলার পর মিজানকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চাকরি হারান হামিদ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ