বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে কোন নির্বাচন হবে না -বরকত উল্লা বুলু

বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে আর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু বলেছেন, আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া মুক্তি নাই। এই আন্দোলন সংগ্রামের পথপ্রদর্শক হলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। তিনি বলেন, মওলানা ভাসানীকে সমগ্র জাতির আদর্শের আলো হিসাবে আখ্যায়িত করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু বলেন, জাতীয় রাজনীতির অহংকার মওলানা ভাসানী নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে কঠোর সংগ্রামের মধ্যদিয়েই অতিক্রম করেছেন সারাটা জীবন।
গতকাল শনিবার তোপখানাস্থ বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জনেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া'র সভাপতিত্বে ও নগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু'র সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি‘র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। বক্তব্য রাখেন জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, ডিএল সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, এনপিপি মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, নাজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, সম্পাদক মোঃ কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা আহ্বায়ক এডভোকেট এস.এস. আবদুস সাত্তার, ঢাকা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, সোলায়মান সোহেল, আবদুল্লাহ আল-কাউছারী প্রমুখ।
বরকত উল্লা বুলু বলেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের মাধ্যমে যে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তা লালন করেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, মওলানা সাম্প্রদায়িকতা ও সা¤্রাজ্যবাদের মানবতাবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে রাজনীতির মাধ্যদিয়ে বিদ্রোহের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন মওলানা ভাসানী। তিনি স্পষ্টত বলতেন উৎপীড়িতের কান্না না থামা পর্যন্ত, সা¤্রাজ্যবাদী ও লুটেরা শক্তি অত্যাচারী স্তব্ধ না হওয়া অবধি তার সংগ্রাম চলবে।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আপোষহীন রাজনীতি ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো অত্যাচারী শাসকশ্রেণির, স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সাহসী করে তুলেছিলো সাধারণ মানুষকে। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকল মানুষকেই অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ করার সংগ্রাম করেছেন আজীবন তিনি। তিনি বলেন, রাজনীতি আর সংগ্রামের মাধ্যমে একটি জাতিকে জাগিয়ে তোলেন যিনি, তিনিই ভাসানী। ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে এক প্রবলপ্রাণ বিদ্রোহীর নাম মওলানা ভাসানী। মানবতার তূর্যবাদক এক সেনানির নাম ভাসানী। তিনি বলেন, আজকের রাজনীতির মানচিত্র পরিবর্তন হয়ে গেছে। সামাজিক মূল্যবোধ ধ্বংসের পথে। আর এর জন্য দায়ি আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর অপশাসন। আওয়ামী লীগ আজ নীতিহীন রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক।
সভাপতির বক্তব্যে এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ১৯৪৭ পূর্বে বৃটিশ বিরোধী আযাজি আন্দোলন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা, ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার অধিকার আদায়, ১৯৭১ মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন, ভারতীয় পানি আগ্রাসনের বিরোধী লংমার্চে নেতৃত্ব দিয়েছেন মওলানা ভাসানী। আমৃত্যু তিনি সা¤্রজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াই আর সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অবতীর্ণ ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ