সোমবার ৩০ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

দূষিত পানি পুনঃব্যবহারের জন্য বায়োরিয়েক্টর উদ্ভাবন

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. এস.এম. শামসুল হুদা রেস্টুরেন্ট/এপার্টমেন্ট/গৃহস্থালী হতে নিসৃত তরল বর্জ্য পুনঃব্যবহার উপযোগী করার জন্য স্বল্প জায়গায়, সহজলভ্য ও পরিবেশবান্ধব বায়োরিয়েক্টর উদ্ভাবন করেছেন। এ বায়োরিয়েক্টরের মাধ্যমে সহজে অনুজীব/ব্যবটেরিয়া ব্যবহার করে তরল বর্জ্যরে জৈব পদার্থসমূহকে অপসারণের মাধ্যমে পরিশোধন করা যায়।
পরবর্তীতে পরিশোধিত পানিকে জড়ড়ভ এধৎফবহ সহ অন্যান্য বাগান করার কাজে, কার ওয়াশিং, রোড ওয়াশিং ও অন্যান্য বাহ্যিক কাজে পুনঃব্যবহার করা সম্ভব। এছাড়াও পরিশোধিত পানিকে মেমব্রেন ফিল্টার ও ক্লোরিনেশন করে খাওয়ার উপযোগীও করা যেতে পারে। এ পরিবেশ বিজ্ঞানী  ৭ নভেম্বর  বেলা ১১ টায় তাঁর উদ্ভাবনকৃত বায়োরিয়েক্টর নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এ সময় চ.বি. বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, ইন. অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাশ, উক্ত ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. রাশেদ উন নবী, প্রাণি বিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহ আলম, উক্ত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর বেনজীর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য পরিবেশ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এস এম শামসুল হুদাকে তাঁর গবেষণা কর্ম এবং তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য বায়োরিয়েক্টর উদ্ভাবনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন শহরগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে রেস্টুরেন্ট ও এপার্টমেন্ট গড়ে ওঠেছে। এ সমস্ত জায়গা থেকে দূষিত পানি নদী-নালা সর্বোপরি পরিবেশকে দূষিত করছে, যা স্বাভাবিক জীবন ধারণের জন্য হুমকীস্বরূপ।
এ নতুন উদ্ভাবনটির মাধ্যমে দূষিত পানিকে সহজ উপায়ে শোধন করে পুনঃব্যবহার করলে পরিবেশ কিছুটা হলেও দূষণমুক্ত হবে।  
উপাচার্য সংশ্লিষ্ট গবেষককে তাঁর গবেষণা কর্ম অব্যাহত রাখার আহবান জানান এবং তাঁর এ গবেষণা কাজে সহায়তা প্রদানের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, চ.বি. গবেষণা ও প্রকাশনা দপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং চট্টগ্রাম এশিয়ান পেপার মিলস বাংলাদেশ লিমিটেডকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ