বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কলাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগের নামে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জের ঘরে ঘরে ইতিমধ্যে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত লক্ষে লাইন স্থাপনের জরিপ, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও সংযোগ লাইন স্থাপনের কাজ চলছে।
আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়নের গড়ে উঠেছে সক্রিয় দাদাল চক্র। এসব দালাল চক্রের সাথে জড়িত রয়েছে জনপ্রতিনিধিরা। গ্রামের সহজসরল সাধারন মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেয়ার নামে ওইসব চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা এমন আভিযোগ পাওয়া গেছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সব ইউনিয়ন বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনার কাজ চলছে। আরইবির খরচে এসব এলাকায় লাইন জরিপ, বৈদ্যুতিক লাইনের খুটি ও সংযোগ লাইন স্থাপনের কাজ করবে। আরইবির নীতিমালা অনুযায়ী এজন্য প্রত্যেক সংযোগ বা মিটার প্রত্যাশীকে ১০০ টাকা ফি প্রদানের মাধ্যমে আনলাইনে আবেদন করতে হবে। জিডি বাবদ ৬০০ টাকা ও সদস্য ফি বাবদ ৫০টাকা জমা দিতে হয়। খাস জমির ডিসিআর প্রাপ্ত জমির মিটার প্রত্যাশীকে দিতে হবে জিডি বাবদ ১৬০০ টাকা ও সদস্য ফি বাবদ ৫০টাকা। আর এসব আরইবি নিজের উদ্যোগে কাজ করছে।
কিন্তু গ্রামে সহজসরল সাধারন মানুষের অজ্ঞতাকে পুজি করে বিভিন্ন এলাকার দালাল চক্র হাতিয়ে লাইনের স্থাপন জরিপ এবং মাপজোক দলকে ম্যানেজ বাবদ গ্রাহক প্রতি ১৫০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। এছাড়াও খুঁটি স্থাপনের সময় ঠিকাদারের পরিবহন খরচের কথা বলে গ্রাহক প্রতি এক হাজার টাকা এবং সংযোগ স্থাপন বাবদ সাড়ে তিন হাজার থেকে সাত হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার কাগজপত্রের ত্রুটি কিংবা বৈদ্যুতিক খুটি থেকে বাড়ী দুরে হলে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ২ থেকে তিন হাজার টাকা। এমন অভিযোগ উপজেলার নীলগঞ্জ, ধুলাসর, মহিপুর, বালিয়াতলী এবং ধানখালীর ইউনিয়নের সংযোগ প্রত্যাশী কয়েক’শ মানুষের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছা সত্যে ওইসব মানুষের অভিযোগ, ছয় মাস থেকে এক বছর পূর্বে ধাপে ধাপে দালাল চক্রের চাহিদানুযায়ী টাকা জমা দিয়ে ওয়ারিং সম্পন্ন করা হলেও এখনো তাদের সংযোগ মিলেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ