বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ডাটাবেস তৈরীর নামে বিধবা ও বয়স্ক ভাতাভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায়

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নে বিধবাভাতা ও বয়স্কভাতা ভোগীদের কাছ থেকে ডাটাবেস তৈরীর নামে টাকা আদায় করা হয়েছে। বুধবার ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে প্রায় ৮০ জন ভাতাভোগীর কাছ থেকে ১শ’ টাকা করে নেন ইউনিয়নের গ্রাম্য আদালতের দায়িত্বে থাকা শাবনুর। টাকা না দিলে ডাটাবেসে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং ডাটাবেসে নাম না উঠলে ভবিষ্যতে কোন ভাতা পাওয়া যাবেনা বলে ভয় দেখিয়ে এ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারের পরামর্শে খাতামধুপুর ইউনিয়নের বিধবাভাতা ও বয়স্কভাতাভোগীদের ডাটাবেস তৈরীর উদ্যোগ নেয়া হয়। এজন্য ভাতাভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (আইডি কার্ড) ফটোকপি জমা দিতে বলা হয়। ভাতাভোগীরা আইডি কার্ডের ফটোকপি জমা দেয়ার সময় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য আদালতের শাবনুর আইডি কার্ডের সাথে ১শ’ টাকা করে নেন বলে অভিযোগ করেন ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড পাশারীপাড়ার বিধবা ভাতাভোগী মৃত. শফিকুলের স্ত্রী বিলকিস (৪০) ভাতা বই নং-৩১২, মৃত. মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ফেন্সি (৪৫) ভাতা বই নং-৩১৭ ও বয়স্ক ভাতাভোগী মৃত. চয়ন উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ (৭০) ভাতা বই নং-৯৭০।
একটি সূত্রের অভিযোগ এভাবে প্রায় ৮০ জন ভাতাভোগীর কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। এ ব্যাপারে শাবনুর বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশে টাকা নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার সাথে কোন কথা বলতে পারবোনা।
ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী মুঠোফোনে বলেন, কয়েকজনের কাছে টাকা নেয়া হয়েছে বলে শুনেছি। ৪০ জন বিধবা ও বয়স্ক এবং ৪০ জন প্রতিবন্ধিভাতাভোগীর ডাটাবেস তৈরীর করা হবে। এজন্য তাদের আইডি কার্ডের ফটোকপি নেয়া হচ্ছে।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সুকান্ত সরকার বলেন, ডাটাবেস তৈরী করা হচ্ছে। এজন্য কোন প্রকার টাকার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র আইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হবে। তারপরও কেউ যদি টাকা নিয়ে থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রমান সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ