বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

স্কুল মাঠ ভরাটের টাকা আত্মসাত ও খালের মুখ বেঁধে মাছ চাষ

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা: স্কুল মাঠ ভরাটে বরাদ্দ ২ লাখ টাকার সিংহভাগ আত্মসাত এবং খালের মুখ বেধে মাছ চাষ করায় কলারোয়া গাজনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিতে ডুবে ৩ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। আর চলতি মৌসুমে চাষীদের প্রায় হাজার বিঘা জমির ফসল হানি ঘটেছে। জানা গেছে, ২০০০ সাল পরবর্তী বছরগুলোতে স্কুল মাঠ পানিতে ডুবে বিদ্যালয়ের ও লেখাপড়ার পরিবেশ মারাত্মক ব্যহত হয়। বিষয়টি জানতে পেরে কলারোয়া-তালার এমপি এ্যাড মুস্তফা লুৎফুল্যা ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ের কাবিটা প্রকল্পে গাজনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটে ২ লাখ টাকা বরাদ্ধ করে। বিদ্যালয়ের মোট .৩৭ শতক জমির মধ্যে আনুঃ .৪ শতক জমিতে বিদ্যালয় ভবন অবস্থিত। বিদ্যালয় ভবন বাদে বাকী একবিঘা জমিতে আনুঃ ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাত্র একফুট উচু করে মাটি দেওয়ার কাজ করা হয় বলে কতিপয় শিক্ষক জানায়। কিন্তু স্কুল মাঠে দেওয়ায় মাটি বর্ষার পানিতে চুপসে একফুট উচ্চতার মাটি অর্ধ ফুটে নেমে আসে। স্কুল মাঠে সঠিক ভাবে মাটি না দেওয়ায় স্কুল মাঠ বরাবরের মত ডুবে যাওয়ার বিষয়টি প্রায় অবধারিত হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে কপোতাক্ষ নদ খননের পরে স্কুল সংলগ্ন বিল বা খাল ডুবে থাকার কথা নয়। কারণ গাজনা, ক্ষেত্রপাড়া ও বসন্তপুর বিলের চেয়ে কপোতাক্ষ নদের পানির স্তর ৭/৮ ফুট নীচে বলে চাষীরা জানায়। ফলে এবছর বিলে প্রায় হাজার বিঘা জমিতে আমন চাষ হয়। কিন্তু গাজনা প্রাইমারী স্কুলের সভাপতি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি কপোতাক্ষের সংগে এই বিলের সংযোগ খালের মুখে বাঁধ দিয়ে বরাবরের মত এবারও মাছ চাষ করেছে। ফলে পানি নিস্কাশনে অভাবে অনেক আগেই গাজনা, ক্ষেত্রপাড়া ও বসন্তপুরের মধ্যোবতী বিল ডুবে চাষীদের প্রায় হাজার বিঘা জমির ধান পচে নষ্ট নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ