শনিবার ০৬ জুন ২০২০
Online Edition

সুন্দরবনের কাঁকড়ার ব্যাপক চাহিদা বিশ্ব বাজারে

খুলনা অফিস : খুলনা অঞ্চলে কাঁকড়া চাষ দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সুন্দরবন থেকে আহরণ করা ছোট কাঁকড়া চাষের দিকে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে দেশের  কাঁকড়ার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এগুলো তারা রফতানিও করছেন। এতে নিজেরা তো লাভবান হচ্ছেন, সঙ্গে দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়ছে। সম্ভাবনাময় এ খাতকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, সুন্দরবনের ৪শ’টি নদী ও খাল ২৯০ প্রজাতির মাছের আবাসস্থলে পরিণত হযেছে। ফেব্রুয়ারি মাস কাঁকড়ার প্রজনন মওসুম। এ কারণে মার্চ থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বনজীবীরা অনুমতি নিয়ে সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ করেন। কিন্ত আহরণকৃত ছোট আকৃতির এই কাঁকড়া রফতানি অনুপযোগী। ফলে চাষের মাধ্যমে আকৃতি বড় করে রফতানির উপযোগী করে তুলছেন চাষিরা।
কয়রার কাঁকড়া চাষি আজমল হোসেন বলেন, ‘সুন্দরবনের খাল বিলে প্রচুর কাঁকড়া পাওয়া যায়। কিন্তু তা সরাসরি রফতানিযোগ্য নয়। সুন্দরবন থেকে রফতানিযোগ্য কাঁকড়া পেতে গেলে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়। সে জন্য গভীর বনে যেতে হয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সুন্দরবন থেকে ছোট ছোট কাঁকড়া সংগ্রহ করে চাষের মাধ্যমে বড় করে সহজেই রফতানিযোগ্য করা যাচ্ছে। যা এলাকায় ক্রমেই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।’ এ সময় তিনি সুন্দরবন থেকে কাঁকড়া আহরণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার দাবি জানান। সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের সদ্য বিদায়ী বন কর্মকর্তা মো. সাইদ আলী বলেন, ‘রফতানিযোগ্য কাঁকড়া সুন্দরবন থেকে আহরণের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ছোট কাঁকড়া চাষের মাধ্যমে রফতানি উপযোগী করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগ থেকে বনজীবীরা অনুমতি নিয়ে ৮ হাজার ৭০৪ কুইন্টাল কাঁকড়া আহরণ করেন। কিন্ত সম্ভবনাময় কাঁকড়ার রফতানি বাড়াতে বিশ্বের নতুন নতুন কাঁকড়ার বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে। খুলনা মৎস্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক প্রফুল্ল কুমার সরকার বলেন, ‘জীবিত ও হিমায়িত খাদ্য হিসেবে বিদেশে কাঁকড়া রফতানি করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ