মঙ্গলবার ২৪ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

ভাসানী স্টেডিয়াম এখন পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক হকি ভেন্যু

স্পোর্টস রিপোর্টার : মওলনা ভাসানী স্টেডিয়ামকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক ভেন্যুর স্বীকৃতি দিয়েছে এশিয়ান হকি ফেডারেশন (এএইচএফ)। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তৈয়ব ইকরাম শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে ভেন্যু হিসেবে মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামের ভূয়সী প্রশংসা করে এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনেক এত সুন্দর আয়োজনের জন্য।
 টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকেই আয়োজন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছিলেন। শুরুর আগে ভেন্যু সম্পূর্ণভাবে তৈরি হবে কিনা এমন শঙ্কাও ছিল অনেকের। সব শঙ্কা দূর করে টুর্নামেন্ট এখন সফল সমাপ্তির দিকে। একদিন পরই টুর্নামেন্টের ফাইনাল। আমরা ভালো একটি সমাপ্তির সামনে দাঁড়িয়ে’।
৩২ বছর পর দ্বিতীয়বার এশিয়া কাপের আয়োজক হওয়ার জন্য বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন যখন আবেদন করে তখন বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছিল এশিয়ান হকি ফেডারেশন। ফ্লাডলাইট ও ডিজিটাল স্কোরবোর্ডসহ যে বিষয়গুলো ছিল এএইচএফ এর শর্তে তা পুরোপুরিই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। ভেন্যু আর আয়োজন মিলিয়ে ভাসানী স্টেডিয়াম মন গলাতে পেরেছে এশিয়ার হকির অভিভাবক সংস্থাটির। ভেন্যু প্রসঙ্গে তৈয়ব ইকরাম বলেন, ‘অত্যন্ত ভালো ভেন্যু।
আমি বলবো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পেশাদার ভেন্যুর তালিকায় অন্যতম এটি। আগামীতে যে কোনো মানের আন্তর্জাতিক ম্যাচ, টুর্নামেন্ট আয়োজনে সক্ষম এ ভেন্যু।’ ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে তৈয়ব ইকরাম বলেন, ‘ড্রেনেজ নিয়ে কোনো সমস্যা দেখছি না। মুষলধারে বৃষ্টি হলে সব টার্ফেই কিছুটা পানি জমে। বাংলাদেশে এই সময়ে এমন বৃষ্টি ছিল অপ্রত্যাশিত। এ জন্য পর পর দুই দিন খেলা শুরু করতে বিলম্ব হয়েছে।’
বাংলাদেশের হকিতে এএইচএফ এর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাথে সব সময় আছে এশিয়ান হকি ফেডারেশন। এই যে সুন্দর হকি টার্ফ বসেছে মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে। এটি এএইচএফের সাহায্যেই। কয়েক হাজার মার্কিন ডলার দেয়া হয়েছে এ টার্ফের জন্য। সামনে বাংলাদেশকে আরো টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেয়ার পরিকল্পনাও আছে। আমি বাংলাদেশের সাথে এই বিষয়টি সমন্বয় করব।’ পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি তো পাওয়া গেলো। কবে নাগাদ এখানে আরেকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট দেখা যেতে পারে? নির্দিষ্ট করে তেমন কিছু বলেননি তৈয়ব ইকরাম ‘ভেন্যু হিসেবে সব ঠিক আছে। কবে নাগাদ কোনো টুর্নামেন্ট হতে পারে তার আগে কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করার আছে। যেমন ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা, পাঁচ তারা হোটেলে আবাসন সহ আরো কিছু।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ