মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

কলাপাড়ায় সরকারি রাস্তায় বেড়া ভোগান্তি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা : পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মহিমা ও তৃতীয় শ্রেণীর আল-আব্দুল্লাহ মামুনের স্কুলে যাওয়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তাদের বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার সরকারি রাস্তা আটকে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হয়েছে। ১৫ অক্টোবর থেকে এমন দুর্ভোগে পড়েছে খুদে শিক্ষার্থী দুই ভাই-বোন। এখন তাদের পাঁচ মিনিটের পথ পার হতে লাগছে প্রায় বিশ মিনিট। একই দুর্ভোগে পড়েছে আরেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া। ঘুরতে হচ্ছে আধাঘণ্টা। সরেজমিনে দেখা গেছে, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গামইরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিমা ও আল- আব্দুল্লাহসহ মামুন তারা বিগত দিনগুলোতে স্কুলের দক্ষিণ পাশের সরকারি রাস্তা ব্যবহার করে স্কুলে যাওয়া-আসাসহ চলাচল করে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ১৩ অক্টোবর গামইরতলা গ্রামের তাদের নিকটাত্মীয় আঃ রাজ্জাক কাজীর স্ত্রী ফরিদা বেগমসহ কয়েকজন সরকারি ওই রাস্তাটি তাদের বাড়ির জায়গার সঙ্গে এক করে কাঁটাতারের বেড়া ও জাল দিয়ে আটকে দেয়। লাগিয়ে দেয় কিছু গাছের চারা। ফলে এই পথটিতে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর থেকে ভোগান্তি শুরু হয় মহিমাসহ তার ভাইয়ের। তারা তিনদিন স্কুলে যেতে পারেনি। এ ঘটনায় মহিমা তার বাবা মালেক কাজীকে সঙ্গে নিয়ে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ফরিদা বেগম জানান, আমরা কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছি পুকুরের পাড় ভেঙ্গে যায় এ জন্য। এছাড়া মালেক কাজী ওই পথে ট্রাক্টর চলাচল করাচ্ছে। তা বন্ধের জন্য বেড়া দিয়েছেন। সরকারি রাস্তা আটকানোর কথা বললে ফরিদা বেগম বলেন, ‘দুই দিক দিয়া বেড়া নোয়াইয়া চ্যাড়া পিডাইয়া দিমু। যাতে লোকজন চলাচল করতে পারে।’ এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন জানান, ওই রাস্তাটি প্রায় ১৬ ফুট চওড়া। সরকারি রাস্তা বেড়া দিয়ে আটকানোয় ছাত্রছাত্রীসহ মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন মাহমুদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সমাধান করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ