ঢাকা, সোমবার 21 September 2020, ৬ আশ্বিন ১৪২৭, ৩ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবকে স্বাগত জানালো কুর্দরা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি কুর্দিদের সঙ্গে আলোচনার যে প্রস্তাব দিয়েছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছে কুর্দিশ আঞ্চলিক সরকার। ইতোমধ্যে প্রায় বিনা বাধায় একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে কুর্দি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থেকে ইরাকের কিরকুক শহর পুনর্দখল করেছে ইরাকি বাহিনী, যেসব এলাকা ২০১৪ সালে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই করে দখল করেছিল কুর্দিরা। খবর বিবিসি বাংলার।

এ সপ্তাহের শুরুতে ইরাকি সশস্ত্র বাহিনী কুর্দিদের এলাকায় অভিযান শুরু করলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। অভিযানে তেলখনি, সামরিক স্থাপনাসহ কুর্দিদের সমস্ত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়ায় কুর্দি নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় ইরাকের সরকারের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়। এই উত্তেজনা নিরসনের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি দুপক্ষের মধ্যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের কুর্দিরা বাগদাদের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট করে। কিরকুক শহর কুর্দিস্তানের মধ্যে অবস্থিত না হলেও কুর্দিরা এ শহরটিকে তাদের প্রাণকেন্দ্র বলেই মনে করে এবং গণভোটে এ শহরের কুর্দিরাও অংশ নিয়েছিল।

কুর্দিস্তানের স্বাধীনতার পক্ষে বিপুল ভোট পড়ার পর থেকেই বাগদাদের সরকারের সঙ্গে তাদের সংঘাত দানা বাঁধতে শুরু করে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এ গণভোটকে অসাংবিধানিক বলে আখ্যা দিয়েছেন। কিন্তু আঞ্চলিক সরকার এই ভোটকে বৈধ বলে উল্লেখ করছে।

কুর্দিস্তানে গণভোট অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে ইরাকের সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে কিরকুক উদ্ধার করে। পরে ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে রাকান আল-জাবুরিকে কিরকুকের অস্থায়ী গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য চায় আঞ্চলিক সরকার।

এদিকে কারকুক ও এরবিলের মধ্যবর্তী রাস্তায় রাষ্ট্রীয় বাহিনী যে অবস্থান নিয়েছে তার খুব কাছেই সশস্ত্র কুর্দি যোদ্ধারা অবস্থান নেয়ায় উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। কুর্দিদের অনেককে তাদের বাড়ি থেকে জোর করে বের করে দিচ্ছে ইরাকি বাহিনী। তাদের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে বলে জানা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ