ঢাকা, মঙ্গলবার 29 September 2020, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১১ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

কিরকুক বাগদাদের নিয়ন্ত্রণে

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ইরাকের সেনাবাহিনী দেশটির আধা-স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল কুর্দিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর কিরকুকের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। মাত্র ২০ ঘণ্টার অভিযানে কিরকুকের প্রধান নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরাকের সেনাবাহিনী। নগরীর সর্বত্র উড়ানো হয়েছে ইরাকের জাতীয় পতাকা। খবর পার্স টুডের।

স্বাধীনতার দাবীতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর কুর্দিস্তানে গণভোট অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে ইরাকের সেনাবাহিনী সোমবার সকালে কিরকুক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ইতোমধ্যে সেখানে

ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে রাকান আল-জাবুরিকে কিরকুকের অস্থায়ী গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সেখানকার সিটি কাউন্সিল পরবর্তী বৈঠকে একজন স্থায়ী গভর্নর নিয়োগ দেবে।

গণভোটের পরপরই কুর্দিস্তানের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করে বাগদাদ সরকার। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবাদি কিরকুক প্রদেশ ও সেখানকার তেলের খনিগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন।

 কুর্দিস্তানের পিশমার্গা বাহিনী কোনো ধরনের প্রতিরোধের চেষ্টা না করেই শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এরপর সোমবার বিকেলেই কিরকুকের গভর্নরের ভবন ও সিটি কাউন্সিল থেকে কুর্দিস্তানের পতাকা নামিয়ে ইরাকের জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয়। এরপর ধীরে ধীরে সব সরকারি ও আধা সরকারি অফিস-আদালতে ইরাকি পতাকা ওড়ানো হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলিও কিরকুকে ইরাকি পতাকা সম্বলিত ছবিতে ভরে গেছে।

এর আগে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি এক নির্দেশে বলেছিলেন, কিরকুক প্রদেশের সর্বত্র ইরাকের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।

ইরাক ও কুর্দিস্তান অঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় কিরকুক শহর অবস্থিত। এটি ইরাকে থাকবে নাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলের মধ্যে পড়বে তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বহু বছর ধরে টানাপড়েন চলে এসেছে।

কিছুদিন আগ পর্যন্ত কিরকুকের সব সরকারি অফিস-আদালতে কুর্দিস্তানের পতাকার পাশাপাশি ইরাকের জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হতো। কিন্তু কিরকুকের গভর্নর নাজমুদ্দিন কারিম কয়েক মাস আগে হঠাৎ করে সরকারি ভবনগুলো থেকে ইরাকের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

ডি.স/মু.আ.হু

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ