বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

নারীর প্রতি সহিংসতা : মুক্তি কোন পথে ?

সুমাইয়্যা সিদ্দীকা : ॥ পূর্বপ্রকাশিতের পর ॥
নারী-পুরুষের অবাধ মেলা-মেশা বর্জন : এবং যখন তাদের কাছে (নবীর স্ত্রীদের কাছে) যদি তোমাদের কিছু চাইতে হয় তাহলে পর্দার আড়াল থেকে চাও। এটা তোমাদের ও তাদের মনের পবিত্রতার জন্য বেশী উপযোগী।৩৫
এছাড়াও আল্লাহ পাক বলেন- নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য হোক।৩৬
নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশাকে ইসলাম সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে। সুতরাং নারীর শিক্ষা গ্রহণ বা অন্যকে শিক্ষাদান, অফিস-আদালত,হাসপাতালে কাজ করার ক্ষেত্রে নারী -পুরুষের আলাদা কর্মক্ষেত্র থাকা বাঞ্ছনীয়। আমাদের সমাজে নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশার কারণে পরকীয়ার মত ভয়াবহ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ভেঙে যাচ্ছে লাখো পরিবার। সংঘটিত হচ্ছে হত্যা ও আত্মহত্যার হৃদয়স্পর্শী কাহিনী।
একাকী নারী-পুরুষের অবস্থান নিষিদ্ধ : বর্তমানে ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার,হোয়াটসআপ সহ নানা মাধ্যমে নারী-পুরুষ নিভৃতে ঘন্টার পর ঘন্টা আলাপচারিতায় মত্ত থাকছে। রিলেশনে জড়িয়ে পড়ছে, উভয়ের সম্মতিতে রুমডেট করছে,শর্ট ড্রাইভে বা লং ড্রাইভে যাচ্ছে যার ফলে ধর্ষণ, আত্মহত্যা,হত্যা বেড়েই চলেছে।
অথচ নারী পুরুষের একাকী অবস্থানকে ইসলাম সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে। সুতরাং প্রত্যেককেই এ বিষয় থেকে দূরে থাকা কর্তব্য।
“ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী কে বলতে শুনেছেন, কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সাথে নির্জনে যেন না বসে।৩৭
জাবির রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল বলেছেন: সাবধান ! কোন পুরুষ লোক যেন কোন বিবাহিতা স্ত্রীলোকের সাথে রাত্রি যাপন না করে। কিন্তু সে যদি তার স্বামী বা মুহরিম হয়ে থাকে, তাহলে কোন দোষ নেই।৩৮
উকবা ইবনে আমের রা বর্ণনা করেন, রা বলেন: তোমরা স্ত্রীলোকদের কাছে যাওয়া থেকে দূরে থাক। এক আনসারী আরয করল: হে আল্লাহর রাসূল! দেবর সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন: দেবর তো মাতৃতুল্য।৩৯
ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন উমর (রা.) খুতবাতে বললেন...., সাবধান! নির্জনে কোন পুরুষ যেন কোন স্ত্রীলোকের সাথে সাক্ষাত না করে,অন্যথায় শয়তান সেখানে তৃতীয়জন হিসাবে অবশ্যই অবস্থান করে (পাপাচারে উস্কানী দেয়)।৪০
অভিভাবকের করণীয় : সমাজে যারা নারী নির্যাতন করছে তারা কোন না কোন পরিবারের সদস্য,কারো সন্তান। সুতরাং পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের তৎপরতা।
- পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা করা।
- সন্তানদের ইসলামী মূল্যবোধ শেখানো।
- সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা।
- সন্তানদের সঠিকভাবে মনিটরিং করা। অবাধ ইন্টারনেট,মোবাইল, ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা।
- সন্তান যদি কোন নারীর প্রতি কোন অন্যায় আচরণ করে ফেলে তা যত ছোটই হোক; গুরুত্ব দিয়ে তাকে কাউন্সিলিং করানো, প্রয়োজনে শাস্তির ব্যবস্থা করা। যাতে ভবিষ্যৎ এ সে নারী নির্যাতকে পরিণত না হয়।
- বাবারা নিজে যেমন পরিবারের ও বাইরের নারী সদস্যদেরকে মূল্যায়ন ও সম্মান করবেন তেমনি সাথে সাথে সন্তানদেরও নারীকে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে শেখান।
মেয়ে শিশুর ব্যাপারে বিশেষ করণীয় :
- অনেক সময়ই দেখা যায় বাবা -মার সামান্য অসচেতনতার কারণে মেয়ে শিশুরা নির্যাতিত হয়ে থাকে। তাই মেয়ে শিশুর বাবা -মা অবশ্যই নিজ কন্যার নিরাপত্তার ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে। যে বিষয়গুলো খেয়াল করা অতীব জরুরী:
যেসব কারণে আপনার প্রিয় মেয়ে শিশুটি নির্যাতনের সম্মুখীন হতে পারে :
- বাসায় কাজের লোকের কাছে একাকী ছেড়ে দেয়া।
- বড়/সমবয়সী রিলেটিভের সাথে রাতে ঘুমাতে দেয়া।
- অন্যকে স্কুল থেকে আনা-নেয়ার দায়িত্ব দেয়া।
- একাকী কারো সাথে ঘুরতে বা বেড়াতে যেতে দেয়া।
- জনবহুল নয় এমন স্থানে ছেলেদের সাথে খেলতে দেয়া।
- একাকী প্রতিবেশীর বাসায় পাঠানো বা খেলতে দেয়া।
-  কোন কিছু কিনতে পাশের দোকানে পাঠানো।
- একাকী শিক্ষক বা শিক্ষিকার কাছে পড়তে দেয়া।
যে বিষয়গুলো খেয়াল করা জরুরী :
- শিশুর সাথে বন্ধুভাবাপন্ন হন, যাতে সে তার সবকথা নির্দ্বিধায় খুলে বলতে পারে।
- বাচ্চাকে কখনো কারো কাছে একাকী রাখবেন না বা কারো সাথে একাকী কোথাও পাঠাবেন না।
- যার তার কোলে শিশুকে দিবেন না।
- অন্যের সামনে এমন কি আপনি নিজেই শিশুর ড্রেস চেঞ্জের সময় কোমর থেকে নিচ পর্যন্ত শিশুকে টাওয়াল দিয়ে ঢেকে নিন।
- টয়লেটের কাজে একাকী পরিচ্ছন্ন হতে সাহায্য করুন।
- শিশুর শরীরের কতটুকু কেউ স্পর্শ করতে পারবে সে ব্যাপারে শিশুকে ধারণা দিন।
- কাজের লোক বা পরিবারের কাছের লোক যেই হোক কারো কাছে একাকী রাখতে হলে দূর থেকে অবজার্ভ করুন। শিশুকে জিজ্ঞাসা করুন তখন তারা কি করেছে।
- রাস্তায় বা পার্কে কোথাও গিয়ে শিশুকে একাকী ছেড়ে দিয়ে নিজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না। সামান্য সময়ের অসতর্কতা হয়তো বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
- কারো ব্যাপারে শিশু অভিযোগ করলে বা কারো কাছে যেতে না চাইলে বিষয়টিতে অবশ্যই গুরুত্ব দিবেন।
- শিশু নির্যাতন ও প্রতিকার সম্পর্কে নিউজ, আর্টিকেল পড়ুন, এতে আপনার বাচ্চাকে নিরাপদে রাখার ব্যাপারে অনেক আইডিয়া জানা সম্ভব হবে।
নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সমাজ ও সরকারের প্রতি আমাদের দাবী :
সমাজ থেকে নারী নির্যাতন বন্ধে যে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরী :
১. পর্ণসাইট, পর্ণ ম্যাগাজিন,পর্ণ বই প্রকাশ ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে। এগুলোর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. নগ্ন নারীর বিলবোর্ড, অশ্লীল সিনেমা, নাটক, মুভি, থিয়েটার তৈরী ও প্রদর্শনী বন্ধ করতে হবে।
৩. ব্লু–ফিল্মের ক্যাসেট বিক্রি বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪. বিউটি পার্লার, ম্যাসেজ সেন্টার, হোটেল-রেস্তোরার আড়ালে পতিতা ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
৫. সব ধরণের মাদক দ্রব্য কেনা-বেচায় কঠোর আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬. মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ মহিলা দ্বারা পরিচালিত আলাদা স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি, ব্যাংক, অফিস-আদালত, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৭. মেয়েদের জন্য আলাদা ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
৮. রাস্তায়, পার্কে, বিনোদন কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ পতিতাদের অবাধ বিচরণ বন্ধ করতে হবে।
৯. পতিতালয় বন্ধ করে তাদের যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।
১০. ধর্ষণ,অপহরণ ও নারী নির্যাতনের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে জনসমক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
১১. অভিভাবক ছাড়া ৩/৪ জন বা ৪/৫ জন তরুণ বা কিশোরের একত্রে আবাসিক হোটেলে যাতায়াত, রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করতে হবে।
১২. অশ্লীল সিনেমা স্পন্সর দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
১৩. অশ্লীল ম্যাগাজিন,উপন্যাস,ঈদ সংখ্যা প্রকাশ, প্রচার ও বিক্রি বন্ধ করতে হবে।
১৪. সুন্দরী প্রতিযোগিতা, ভ্যালেন্টাইন্স ডে, থার্টি ফাস্ট নাইট, হোলি উৎসব ইত্যাদি বিজাতীয় সংস্কৃতির চর্চার নামে নারী-পুরুষের অবাধ মেলা- মেশা বন্ধ করতে হবে।
১৫. পত্র-পত্রিকার, নিউজ পোর্টালের বিনোদন পেইজে ও বিজ্ঞাপনে নারীর অশ্লীল উপস্থাপন বন্ধ করতে হবে।
১৬. সহশিক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
১৭. উত্তরাধিকার হিসাবে প্রাপ্য সম্পত্তি পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৮. যৌতুক,এসিড সন্ত্রাস, ঈভটিজিং বন্ধে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
১৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে হিযাব পরার অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
২০. যৌতুক প্রথা বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ ও মোহরানা প্রদান নিি শ্চত করতে হবে।
২১. ইসলামী বিধানের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (সমাপ্ত)
তথ্যসূত্র :
১.http://www.jugantor.com/online/national/2017/05/07/46542
২. http://bangla.bdnews24.com/ samagrabangladesh/article1377490.bdnews
৩.http://www.bdjuddha24.com/ archives/11458
৪.http://www.prothom-alo.com/ bangladesh/ article/440554
৫. http://www.bbc.com/bengali/ news-39770839
৬. http://www.kalerkantho.com/ print-edition/first-page/2017/07/ 31/525955
৭. বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
৮. বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সেন্টার। (এইচআরএসসি)
৯. আইন ও সালিশ কেন্দ্র, আসক
১০. বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ
১১. http://www.newsofbd.net/ newsdetail/ detail/200/328935
১২. বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা (বিএমবিএস)
১৩. বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম
১৪.আইন ও সালিশ কেন্দ্র, (আসক)
১৫. আল-কুরআন, সূরা আলে-ইমরান-৩:১৯৫
১৬. সহীহুল বুখারী, মুহাম্মদ ইবনু ইসমাইল (২৫৬ হি), (আধুনিক প্রকাশনী,১১তম প্রকাশ, ২০১৪) কিতাবুল আদাব, খন্ড-৫ম, পৃষ্টা নং : ৩৮৮, বাব : ২-উত্তম ব্যবহার পাওয়ার অগ্রাধিকারী কে?, হাদীস নং-৫৫৩৮
১৭. তিরমিযী, মুহাম্মদ ইবনু ঈসা (২৭৯ হি), আবওয়াবুর বিরর ওয়াস সিলাহ, বাব : ১৩, কন্যা সন্তান ও বোনের জন্য ব্যয় করা, হাদীস নং-১৮৬৩,খন্ড-৩য়, পৃষ্ঠা নং:৩৭১, (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ১ম প্রকাশ ২০০০),
সহীহুল মুসলিম, মুসলিম ইবনু হাজ্জাজ (২৬১ হি, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ২য় প্রকাশ ২০১১), কিতাবুর বিররি ওয়াস সিলাহ ওয়াল আদব, বাব:৪৫ হাদীস নং: ৬৫০৭, খন্ড-৮ম, পৃষ্টা নং:১৬২
১৮. সূরা আর-রূম-৩০:২১
১৯. তিরমিযী, প্রাগুক্ত, আবওয়াবুর রিদা’, বাব: ১১স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার, হাদীস নং-১১০০, খন্ড-২য়, পৃষ্ঠা নং:৩২৭, ৩য় প্রকাশ
২০. তিরমিযী, প্রাগুক্ত, আবওয়াবুর বিরর ওয়াস সিলাহ, বাব:১৩, কন্যা সন্তান ও বোনের জন্য ব্যয় করা, হাদীস নং-১৮৬৫,খন্ড-৩য়, পৃষ্টা নং:৩৭১,৩য় প্রকাশ
২১. সূরা আন-নিসা-০৪:০৭
২২. সূরা আন-নিসা-০৪
২৩. মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুন নিকাহ, বাব : ০৯ হাদীস নং: ৩৩৩৭, খন্ড-৫ম, পৃষ্টা নং : ৩৪, ১ম প্রকাশ। সহীহুল বুখারী, মুহাম্মদ ইবনু ইসমাইল (২৫৬ হি), (আধুনিক প্রকাশনী, ১১তম প্রকাশ, ২০১৪) কিতাবুন নিকাহ, খন্ড-৫ম, পৃষ্টা নং:৫৯, বাব : ৪২, হাদীস নং: ৪৭৫৭
২৪. সূরা আল-মায়িদা-৫
২৫. সুরা আহযাব-:৩৩
২৬. সহীহুল বুখারী, প্রাগুক্ত,১১তম প্রকাশ, ২০১৪) কিতাবুন নিকাহ, খন্ড-৫ম, পৃষ্টা নং:৯০, বাব বাব : ৯১, হাদীস নং: ৪৭৫৭
২৭. সূরা আন নুর-২৪:৩১
২৮. সূরা আন নূর- ২৪: ৫৯
২৯. সূরা ৩৩ আল আহযাব -৩২
৩০. মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুস সালাম বাব: ৭ খ: ৭ হাদীস-৫৫০৫ পৃষ্ঠা-২৪২, প্রথম প্রকাশ : ২০০৩
৩১. সূরা আল আহযাব -৩৩:৩২
৩২. সূরা আল আহযাব -৩৩:৩৩
৩৩. সূরা আন নূর-২৪:৩১
৩৪. সূরা ২৪ আন নূর-৩০
৩৫. সূরা আল-আহযাব-৩৩:৫৩
৩৬. সূরা আল-আনআম-১৫১
৩৭. সহীহুল বুখারী, প্রাগুক্ত, ১১তম প্রকাশ, ২০১৪) কিতাবুল জিহাদ, বাব:১৩৯ খন্ড:৩ হাদীস নং: ২৭৮৫ পৃষ্ঠা,১৭৩, /বুখারী প্রাগুক্ত,কিতাবুন নিকাহ, বাব:১১২ খন্ড:৫ হাদীস: ৪৮৫০ পৃষ্ঠা:১০১, মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুল হজ্জ, বাব:৭০ খন্ড:৪র্থ, হাদীস: ৩১৩৬,পৃষ্ঠা ৩৮১
৩৮. মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুস সালাম বাব: ৮ খন্ড:৭ হাদীস নং: ৫৫১০ পৃষ্ঠা নং:২৪৪,প্রথম প্রকাশ : ২০০৩
৩৯. মুসলিম, প্রাগুক্ত, কিতাবুস সালাম বাব: ৮ খন্ড:৭ হাদীস নং: ৫৫১১ পৃষ্ঠা:, ২৪৪, প্রকাশ: ২০০৩, বুখারী, প্রাগুক্ত, কিতাবুন নিকাহ, বাব : ১১২ খন্ড: ৫ হাদীস: ৪৮৪৯ পৃষ্ঠা.১০১
৪০. তিরমিযী, প্রাগুক্ত, আবওয়াবুল ফিতান, বাব : ০৭ খন্ড : হাদীস : ২১১১ পৃষ্ঠা : ৮৩, ৪র্থ প্রকাশ : ২০০৪

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ