সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি জনস্বার্থবিরোধী 

মো. তোফাজ্জল বিন আমীন : বিদ্যুৎ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিদ্যুৎ মানব জীবনের একটি অপরিহার্য বস্তু। বিশ্ব সভ্যতা বিকাশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বিকল্প কোন বস্তু নেই। দারিদ্র্য বিমোচন, নারী উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য বস্তু হচ্ছে বিদ্যুৎ। দেশের শিল্প-কারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার ও জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়লেও সরকার চাহিদা অনুযায়ী জনগণকে বিদ্যুৎ দিতে পারছে না। ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের এই দেশে এখনো অনেক গ্রাম বিদ্যুৎহীন। বিদ্যুতের অভাব শহরের মানুষ টের না পেলেও গ্রামের মানুষ হারে হারে টের পায়। গ্রামের কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ কখন আসে তা কেবল  মানুষ বলতে পারে। অর্থাৎ দিন-রাতে বেশিরভাগ সময় তাদেরকে বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়। মাঝেমধ্যে আকাশের বিদ্যুৎ চমকানোর মতো দু’একবার এসে আবার চলে যায়। মহাজোট সরকারের ক্ষমতার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুতের আলো এখনো সব গ্রামে পৌঁছেনি। বিদ্যুতের দাম বার বার বাড়ানো ব্যতীত সেবার মান সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি। অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে শহর ও গ্রামের গরিব পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

১. একটি দেশের সরকার যখন শুধুমাত্র নিজের আমিত্বকে প্রাধান্য দেয় তখন আর সেখানে আইনের সুশাসনের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। রাজনীতিতে পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক! রাজনৈতিক মতানৈক্যের কারণে ক্ষমতার জোরে বিরোধীজোটের নেতা বা কর্মীকে জেলখানায় আবদ্ধ করে রাখাটা সুস্থ রাজনীতির অন্তরায়। এটা ক্ষমতাসীনদের অনুধাবন করা প্রয়োজন। কারণ পৃথিবীর কোন শাসকই আজীবন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। দেশের ক্ষমতাসীন শাসক যখন বলছে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ গত ৩ মার্চ ২০১৬ সালের বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বাংলাদেশের বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখানো হয়েছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হচ্ছে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড। আর এর পেছনে সরকারের মদদ রয়েছে বলে রিপোটর্টিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও শাসক দল প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। একটি সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে, সরকার জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবে। কিন্তু সরকার যখন তার উল্টো কাজ করে তখন আর জনগণের দুঃখের সীমা থাকে না। যে দেশের রাজনীতিতে সরকারী দল আর বিরোধীদল একই কোরাস গায় সে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় চেক এন্ড ব্যালেন্সও থাকে না। আর সে সুযোগে গণতান্ত্রিক সরকারও স্বৈরতান্ত্রিক পথে হাঁটতে শুরু করে। একটি শক্তিশালী বিরোধীদল দেশের উন্নয়নের পেছনে ছায়া সরকার হিসেবে ভূমিকা পালন করার কথা থাকলেও গৃহপালিত বিরোধী দল সেই দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। সরকার গণবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নিলে বিরোধী দল জনগণের হয়ে প্রতিবাদ করবে,এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে এ সরকারের আমলে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না। সরকার তার ইচ্ছেমতো বার বার বিদ্যুৎতের দাম বাড়ালেও কেউ টুঁশব্দ উচ্চারণ করার সৎ সাহসটুকু করছে না। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুতের দাম এবারই প্রথম বাড়ানো হয়েছে তা কিন্তু নয়! অতীতে আরো সাতবার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে মহাজোট সরকার। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সরকার ২০১০ সালের মার্চে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ২.৬০ টাকা ১০ থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত ৩.৩০ টাকা এবং ৪০০ ইউনিটের উপরে ৫.৬৫ টাকা দাম বাড়িয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় ১০০ ইউনিট পর্যন্ত দাম বাড়েনি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১০০ থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত দাম বেড়েছিল ৩.৪৬ টাকা এবং ৪০০ ইউনিটের উপর ৫.৯০ টাকা। অপরদিকে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি দাম ছিল সাড়ে তিন টাকা। ২০১২ সালের ০১ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যুতের দাম অঘোষিতভাবে ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধির সরকারি প্রস্তাবের বিপরীতে ৩৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। এর আগে ২০১১ সালের ১লা ডিসেম্বরে একবার ও ২০১২ সালের ১লা ফেব্রুয়ারিতে একবার ও ১৯ মার্চ একবার বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল। দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে পিডিবির আয় বাড়ানোর কথা হলেও বাস্তবে  তার উল্টোটা প্রতিফলিত হচ্ছে। ২০০৯-২০১০ সাল থেকে বিদ্যুৎ খাতকে উন্নয়নের জন্য যে পরিকল্পনা করেছিল তা যদি সত্যিকার অর্থে কার্যকরী হতো তাহলে ২০১৩-২০১৪ সাল থেকে বিদ্যুতের উৎপাদন মূল্য ও ভোক্তা পর্যায়ে দাম কমে আসার কথা ছিল। তা কিন্তু হয়নি। সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর গাল ভরা বুলি আওড়ালেও কি শহর কি গ্রাম সবর্ত্র লোডশেডিং এর যন্ত্রনায় নাকাল মানুষ। ২০১২ সালে যখন তীব্র লোডশেডিং হচ্ছিল তখন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে যা বলেছিল তা ছিল সত্যিই দুঃখজনক। ২০১২ সালের ৬ সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদে সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ যাতে লোডশেডিংকে ভুলে না যায় এ জন্য সকাল-বিকেল লোডশেডিং দিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে বলেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, লোডশেডিং হলে বিদ্যুৎ বিলও কম আসবে। বিদ্যুৎ ব্যবহার কম করলে বিলও কম আসবে। ৫ এপ্রিল ২০১২ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ পরিস্তিতি নিয়ে সমালোচকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যারা জাতীয় গ্রিডে তিন হাজার তিনশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়া পরও সমালোচনা করেন এখন যদি তাদের ৭দিন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে বুঝবে ঠেলাটা কেমন। বিদ্যুৎ কী জিনিস?

২. প্রতিনিয়ত হত্যা, খুন, ধর্ষণ শিশু নির্যাতনের বিভীষিকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষ। বন্যার রেশ কাটতে না কাটতে চালের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা থাকলেও এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় চাল ক্রয় করতে হচ্ছে নি¤œবিত্ত পরিবারের। দেশের মানুষ যখণ চাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো কতটা যে অযৌক্তিক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে  দুর্নীতি বন্ধ করা সবার আগে প্রয়োজন। এই মুহুতে যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় তাহলে দেশের সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় ও বাড়ি ভাড়া অনেক বেড়ে যাবে। বিদ্যুতের দাম যদি বাড়ে ৩০ টাকা বাড়িভাড়া বাড়বে ৩০০ টাকা। সরকার কি করে বাড়তি খরচের বোঝা নাগরিকদের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে উন্নয়নের ফানুস উড়াই তা বোধগম্য নয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ওপর গণশুনানির আয়োজন করে। সেখানে ভোক্তা প্রতিনিধিরা বলেন,বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য গণশুনানি নয় বরং কীভাবে বিদ্যুতের দাম কমানো যায় সে বিষয়ে গণশুনানি হওয়া দরকার। পিডিপি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা ৫৭ পয়সা করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে ওই কমিটি। তাদের মতামত গৃহীত হলে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্যহার চার টাকা ৮৭ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ টাকা ৪৪ পয়সা। অষ্টম বারের মতো বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পায়তারা চলছে। ৮ থেকে ১৫ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধি প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবি। পাইকারি পর্যায়ে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে তারা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম না বাড়িয়ে বরং কমানো প্রয়োজন বলে মনে করছে কনজুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। বিইআরসি আইন ২০০৩ অনুযায়ী গণশুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে বিইআরসি। এর আগে সর্বশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় ২০১৫ সালে ১ সেপ্টেম্বর। ২০১০ সালের ১লা মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় বছরে পাইকারি পর্যায়ে পাঁচবার ও খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে সাতবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশের মানুষ বন্যা, রোহিঙ্গা ইস্যু, হাওরে বিপর্যয় এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি সেখানে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা হবে জনস্বার্থপরিপন্থী এটা সংশ্লিষ্টদের অনুধাবন করা প্রয়োজন। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যমতে যে হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে তা যদি কার্যকর করা হয় তাহলে শিল্পকারখানা ধ্বংস হয়ে যাবে। মিলকারখানা বন্ধ হয়ে লাখ লাখ চাকরিজীবী বেকারত্বের অভিশাপে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। এই বিষয়টি সরকারের অনুধাবন করা প্রয়োজন।

৩. জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস পাওয়ার ফলে যেখানে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ হ্রাস পেয়েছে সেখানে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও গণবিরোধী। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সম্পর্কে আয়োজিত গণশুনানীতে জালানি বিশেষজ্ঞরাও এ মুহৃর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কোন যৌক্তিকতা নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। বিদ্যুতের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির। চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় তাহলে পল্লী বিদ্যুতের কোটি গ্রাহকের উপর বাড়তি বিলের খড়গ নেমে আসবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যমতে,অপচয়,অব্যবস্থাপনা ও সরকারের ভুল নীতির কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বাড়ছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশের নাগরিকরা কিন্তু বিন্দুমাত্র সুবিধা ভোগ করতে পারেনি। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনও এ ব্যাপারে কোনো ভূমিকা রাখেনি। এভাবে যদি দিনের পর দিন নাগরিকদের স্বার্থ বিবেচনা না করে বিশেষ শ্রেণীর প্ররোচনায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয় তাহলে নাগরিকদের মনে দ্রোহের সৃষ্টি হতে পারে এই বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের ভেবে দেখা প্রয়োজন। ক্ষমতাসীন দলের নেতা নেত্রীরা প্রায়ই বলে থাকেন দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন রেকর্ড ছুঁইয়ে। দেশের সব মানুষকে বিদ্যুতের সেবার আওতায় আনা হবে। অথচ এই সরকারের নির্বাচনী ঘাটি হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দশপাখী গ্রামের হাজারো মানুষ এখনও বিদ্যুৎহীন। সাধারণ গ্রাহকের মাথায় কাঁঠাল রেখে কোষ খাওয়ার এই প্রবণতা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। দাম বাড়ানো একেবারে অযৌক্তিক তা আমরা বলছি না। কেননা বিদ্যুতের পরিচালনা ব্যয় ও সিস্টেম লস আছে। এ খাতের দুর্নীতির বিষয়টি কারো অজানা নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য যে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে বিদ্যুৎ খাতের শুদ্ধি অভিযানের দাবি উঠলেও সরকার তা জাতির সামনে উন্মোচন করেনি। এ ব্যর্থতার দায় সরকার অস্বীকার করতে পারবে না। সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে দুই কোটি গ্রাহকের ওপর বাড়তি দাম বাড়ানোর যে পাঁয়তারা করছে তা কিন্তু জনগণ মেনে নেবে না। সরকারের উচিত দাম বাড়ানোর চেয়ে এ খাতের দুর্নীতি বন্ধ করার কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা। আমরা আশা করব সরকার দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে জনস্বার্থবিরোধী এই এজেন্ডা বাতিল করবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ