শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে পৌঁছেছেন

বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশের ফেরার পথে গতকাল মঙ্গলবার সকালে (বাংলাদেশ সময় বিকেল) লন্ডন পৌঁছেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি বিমান সকাল সোয়া ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৩টা) হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ব্রিটিশ রাজধানী থেকে টেলিফোনে বাসসকে একথা জানান।

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বিমান বন্দরে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার রাত ১০টায় (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টা) ওয়াশিংটনের ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জিয়া উদ্দিন এবং জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

লন্ডনে ৩ দিন অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রী ৭ অক্টোবর দেশে ফিরবেন।

শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশন শেষে ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন গমন করেন।

ওয়াশিংটনে এক সপ্তাহ অবস্থানের পর ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁর গলব্লাডার সার্জারির কারণে তাঁর প্রত্যাবর্তন বিলম্বিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ৬১টি জরুরি ফাইল ছাড়

বাসস’র আরেক খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ডিজিটাল মাধ্যমে জরুরি ৬১টি ফাইল ছেড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটন থেকে ফোনে বাসসকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে গুরুত্বপূর্ণ ৬১টি ইলেকট্রনিক ফাইল (ই-মেইল) ছেড়েছেন।’

তিনি বলেন, এসব ফাইলের মধ্যে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানে শেষ দিন গত সোমবার ১৬টি জরুরি ই-ফাইল ছেড়েছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের ডিজিটালাইজেশনের সুবাদে নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জরুরি ফাইলগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেন।’

প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ঢাকায় তাঁর অফিসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ