শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কিশোরগঞ্জে গত তিন বছরেও শেষ হয়নি জোড়া খুন মামলার তদন্ত কাজ

নীলফামারী সংবাদদাতা: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের জোড়া খুনের তদন্ত কার্যক্রম ৩ বছরেও শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের তদন্তে মামলায় মুল আসামীরা বাদ পড়ায় পুলিশের চার্জশিটের বিরুদ্ধে অভিযোগ(নারাজী) করায় মামলাটি বর্তমানে নীলফামারী ডিবি পুলিশের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে।
মামলার এজাহার ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২০১৪ সালের ২৭ জুলাই বড়ভিটা ইউনিয়নের দক্ষিন বড়ভিটা গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে খায়রুল ইসলাম(৩০) ও খায়রুলের বন্ধু মেলাবর গ্রামের শোধন বৈশ্যের ছেলে মৃনাল বৈশ্যর (৩২) লাশ পৃথক স্থান থেকে একই দিনে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় খাইরুলের পিতা আইয়ুব আলী মেলাবার গ্রামের নিরাশা বর্মনের ছেলে মিন্টু কুমার রায় (৩৩) ও বাবুপাড়া গ্রামের বিজেন্দ্রনাথ  রায়ের ছেলে শ্রী জগত চন্দ্র রায় (৩৪) কে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিশোরগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ১০ ।
 জোড়া খুন মামলার বাদী আইয়ুব আলী বলেন, খাইরুল ইসলামের বন্ধু মিন্টু কুমারের মাধ্যমে জগত চন্দ্র রায় ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর ৩শত টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাদন নেয় আমার ছেলে খায়রুল ইসলামের কাছে।  সেই টাকা পরিশোধ করার কথা বলে জগত চন্দ্র ও মিন্টু কুমার গত ২৬ জুলাই ২০১৪ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদেরকে জলঢাকার বড়ঘাট বাজারে ডেকে নিয়ে যায়। এসময় খায়রুরের শাশুরী রাত ৯ টা ৪৫ মিনিটের দিকে তার  মোবাইলে ফোন দিলে খায়রুল শাশুড়িকে জানায় আমি এই মুহূর্তে বড়ঘাট বাজারে আছি। কিন্তু ঝামেলার মধ্যে আছি। ওই পর্যন্ত পরিবারের সাথে তাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়।
পরের দিন ২৭ জুলাই তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রদান সেচখাল এলাকার দক্ষিণ বড়ভিটা থেকে মৃনাল বৈশ্যের লাশ ও কিশোরগঞ্জ জলঢাকা সীমানার কাছে ৪শ’ গজ দুরে একই ক্যানেলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় খায়রুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ