শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছর যাবৎ সিজার কার্যক্রম বন্ধ

পত্নীতলা (নওগাঁ) সংবাদদাতা: নিরদ মাতৃত্ব সেবায় তিনবার পুরুষকার প্রাপ্ত নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছর যাবত সিজারিয়ান বন্ধ। ফলে গরীব অসহায় রোগীর অভিভাবকরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। বিভিন্ন ক্লিনিকে অপারেশন করাতে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন অনেকেই। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি আগামী মার্চ মাসের মধ্যে চালু হতে পারে সিজারিয়ান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে সার্জন ডাঃ বাচ্চু চৌঃ পত্নীতলা থেকে অবসরে যাওয়ার পর থেকে সিজার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। আর এ কারণে গ্রামগঞ্জ থেকে আসা প্রসূতিদের আশ্রয় নিতে হয় স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে আর এতে করে গুণতে হয় বিপুল পরিমাণের আর্থের। অনেকেই আবার অর্থের অভাবে ঋণের জালে বন্দী হতে হয়।
পার্শ্ববর্তী ধামইরহাট উপজেলার ফতের এলাকার বাসিন্দা নাসির উদ্দীন জানান, কিছুৃৃদিন পৃর্বে আমার স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠলে নিয়ে যাওয়া হয় পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত সিজার করার পরামর্শ দেন। কিন্তু হাসপাতালে সিজারিয়ান বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে সিজার করতে হয়েছে।
এতে আমার প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
তিনি আরো বলেন এর আগে পত্নীতলা হাসপাতালে সিজারি করাতে খরচ হতো ১ হাজার ৫ শত টাকা থেকে ২ হাজার। সেখানে এতো টাকা খরচ করতে আমাকে অন্যের নিকট থেকে ধার নিতে হয়েছে। এমন কথা জানালেন অনেকেই।
এবিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শ্রী রঞ্জন চৌধুরী জানান, হাসপাতালে সিজার করতে মাত্র ১৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু বিভিন্ন ক্লিনিকে খরচ একটু বেশি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালে সিজারিয়ান চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ