মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রাজাপুরে ঘরে ঘরে সর্দি জ¦র-ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব

রাজাপুর (ঝালকাঠি) সংবাদাতা: চলমান শরৎ ঋতুর আশ্বিন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই দিনে অসহ্য ভ্যাপসা গরম আর শেষ রাতে শীতের আগমনী সঙ্কেত অনুভূত হচ্ছে। ঋতুর এ পরিবর্তনে ছন্দপতন ঘটেছে প্রকৃতিতেও।
এজন্য দিনে আবহাওয়া অনেকটা প্রচন্ড থাকে গরম আবার রাতের শেষভাগে শীত। আবহাওয়ার হঠাৎ এ পরিবর্তনে খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না মানুষ।
বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা। ফলে ডায়রিয়া, সর্দি, জ্বর, গলাব্যথা, পেটের পীড়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও চর্মরোগসহ মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
বর্তমানে ঝালকাঠির রাজাপুরের প্রত্যেক ঘরে ঘরেই এমন রোগী রয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু, কিশোর বৃদ্ধ সব শ্রেণির মানুষই রয়েছে।
তবে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ৩টি প্রাইভেট ক্লিনিকেই সর্দি, জ্বর গলাব্যথা, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একাধিক রোগীরা  জানান, দিনের বেলায় গরম আর শেষ রাতে শীত পড়ে। প্রত্যেক ঘরেই শিশু, বৃদ্ধসহ কেহ না কেহ সর্দি জ্বরে ভুগছেন।
রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের টিএইচও ডা. মাহাবুবুর রহমান জানান, অন্যান্য সময়ের চেয়ে বর্তমান সময়টা ব্যতিক্রমী।
সাধারণত এ মৌসুমের মধ্য দিয়ে শীতের শুরু ও গরমের শেষ হয়ে থাকে।
এ সময় দিনের বেলা গরম আবার রাতে ঠান্ডা অনুভূত হয়। শ্বাসকষ্ট, সর্দি, জ্বর, গলাব্যথা, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া, নিউমোনিয়া ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
গত এক সপ্তাহে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে কমপক্ষে দুই শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ রোগী ডায়রিয়া ও পেটের পীড়ার চিকিৎসা নিয়েছে।
বর্তমান সময়ে আবহাওয়াটা অনেকটা ধাঁধাঁর মতো। কখনো গরম আবার কখনো ঠান্ডা। এ কারণে রাতে পাখাও ছেড়ে রাখেন অনেকে। ভোরে আরো ঠান্ডা লাগে। ফলে সর্দি, কাশিসহ আরও কিছু শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।
তা ছাড়া শুষ্ক আবহাওয়া ও রাস্তায় প্রচুর ধুলাবালি থাকায় বাতাসে অ্যালার্জেনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়।
কাশি বা শ্বাসকষ্ট রোগের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, ১ সপ্তাহের বেশি কাশি হলে এবং শ্বাস প্রশ্বাস বেশি অথবা শ্বাসকষ্ট এর যে কোনোটি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চর্ম রোগের ক্ষেত্রে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
স্বাস্থ্য কেন্দ্র এছাড়াও ৩টি ক্লিনিকে শত শত মানুষ প্রত্যেক দিন চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভর্তিও হচ্ছেন অনেকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ