শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ফলের চাষ বেড়ে যাওয়ায় কমছে ফসলি জমি

চারঘাট (রাজশাহী) : ফসলী জমিতে আম গাছ

চারঘাট (রাজশাহী): বিভিন্ন জাতের ফলের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় কমছে ফসলি জমির পরিমাণ। প্রতি বছর আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ১ভাগেরও অধিক ফসলি জমি। উদ্ভাবনী জাতের বীজের কারণে ধানের ফলন বাড়লেও কমে যাচ্ছে ফসলি জমির পরিমাণ। এতে হুমকির মধ্যে পড়ছে  কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা। আর ধানের প্রকৃতমূল্য না পাওয়ায় ধান উৎপাদনে উৎসাহ হারাচ্ছে কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের সূত্র মতে, বেড়েই চলেছে আম, লিচু, বিদেশি জাতের পেয়ারা, কুলসহ নানা জাতের ফলের উৎপাদন। একই সাথে মূল্য বেশি পাওয়ায় তারা মনোযোগী হয়ে পড়ছে কলাই, মসুর, মটরসহ অন্যান্য চৈতালী ফসলের দিকে।
আম উৎপাদন লাভজনক হওয়ায় ধানের পরিবর্তে আমচাষের দিকে ঝুঁকছেন রাজশাহীর চারঘাটের কৃষকরা। বেশ কয়েক বছর ধরে একের পর এক ধানী জমিতে গড়ে উঠছে আমের বাগান। কোন সুষ্ঠ কৃষি নীতি না থাকায় রাজশাহীর চারঘাটে অবাধে গড়ে উঠছে আমবাগান। এর ফলে কমে গেছে আবাদি জমির পরিমাণ।
 আম উৎপাদনে কৃষি মজুর লাগে কম। এক ফসলেই অধিক অর্থ আয় হয়। ১০ বছর পরপর একই আমবাগান থেকে অর্থ আয় হয় দ্বিগুণ। এর ফলেই জমির মালিকরা আমচাষকেই বেছে নিয়েছেন। এর ফলে অনেক ভূমিহীন কৃষক তাদের পেশা হারাচ্ছেন।
এবিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক সম্প্রতি  গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন যে, খরা মওসুমে পানির অভাবে ধান উৎপাদনে বেশি খরচ হওয়ায় ধান উৎপাদন ছেড়ে দিয়ে সেই জমিতে আম উৎপাদন করছেন। সেখানে ৩৫ থেকে ৪০ ভাগ আবাদী জমিতে আমবাগান তৈরি করেছেন কৃষকরা।
রাজশাহীর চারঘাটসহ, বাঘা ও গোদাগাড়ী উপজেলাতেও অপ্রতিরোধ্য গতিতে বেড়েই চলেছে আমবাগান তৈরি, পেয়ারা ও কুলসহ নানা জাতের ফলের বাগান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ