বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

চাল আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের প্রভাব পড়েনি খুলনার বাজারে

খুলনা অফিস: ভারত থেকে কম শুল্কে চাল আমদানি হলেও পাইকারী বাজারে এর তেমন একটা প্রভাব পড়ছে না। আমদানি শুল্ক প্রতি কেজি চাল ৬ টাকা কমলেও খুলনার খুচরা বাজারে চালের দাম কমেছে তিন টাকা।
নগরীর একাধিক বাজারে দেখা গেছে মোটা চাল ৩৬ টাকা, ২৮ বালাম কেজিতে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৫৫-৫৬ টাকা, পোলাও কালোজিরা ৯০ ও চিনি আতপ বিক্রি হয়েছে ৭০-৭২ টাকা কেজি দরে।
দেশের খোলা বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত ২০ জুন চালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার।
সেই সঙ্গে তিন শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটিও পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়।
এতে প্রতি কেজি চালের দাম ৬ থেকে ৭ টাকা কমার কথা থাকলেও বাস্তবে দাম কমেছে মাত্র তিন টাকা। যা ভোক্তা পর্যায়ে তেমন কোন প্রভাব পড়ছে না বলে মনে করেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
সূত্রমতে, বাংলাদেশে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়ার খবরে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চালের রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। যে চাল কিছুদিন পূর্বে প্রতি মেট্রিক টন ৩৯০ থেকে ৪০০ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হয়েছে, সেই চাল এখর ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৩০ মার্কিন ডলারে। অর্থাৎ প্রতি টনে চালের দাম বেড়েছে ৩০ ডলার।
আমদানীকারকরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কারসাজির কারণেই দেশের বাজারে চালের দাম আশানুরূপ কমছে না। হিলি স্থলবন্দরের আড়ৎগুলোতে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি মোটা জাতের স্বর্ণা চাল আগে ৪২ টাকা থেকে ৪৩ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৩৯ টাকায়। আর টিকন রতœা চাল আগে ৪৪ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৪১ টাকা।
খুলনা ধান-চাল বণিক সমিতির সভাপতি মুনীর আহমেদ বলেন, পাইকারীতে প্রতি কেজি চাল চারটাকা এবং খুচরা বাজারে প্রতি কেজি তিনটাকার মতো কমেছে। ভারত চালের দাম বাড়িয়েছে, তাই আমদানী মূল্য বেড়ে গেছে। ভারত যদি চালের দাম না বাড়াতো তাহলে দেশের বাজারে চালের দাম ব্যাপক কমতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ