বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

চৌগাছায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট

চৌগাছা (যশোর) : জমে উঠেছে কুরবানীর পশুর হাট -সংগ্রাম

এমএ রহিম চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। কোরবানীর হাটগুলো ভারতীয় গরুর দখলে দেশী  গরুর খামারীরা দিশেহারা। প্রতি বছর কোরবানীকে সামনে রেখে  ভারতীয় গরুর আগ্রাসনে দেশী গরুর উপযুক্ত দাম থেকে বঞ্চিত হয় খামার মালিকরা। এ বছরও ভারতের গরু আসার ফলে দেশী গরুর, মহিষ ও ছাগলের উপযুক্ত দাম পাচ্ছেনা  উপজেলার কৃষক ও দেশী গরুর খামারিরা। রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বড়বড় জেলা থেকে আসা ব্যাপারীরা চৌগাছা ও পুড়াপাড়ায় (রবিবার ও বুধবার) কোরবানীর পশুর হাট থেকে প্রতি হাটে ১০/১২ ট্রাক গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলায়। ফলে এ বছর দেশী গরুর খামারি ও কৃষকরা গরু উপযুক্ত দামে বিক্রি করতে পারছেন না। এদিকে এলাকার গরু ক্রেতা-বিক্রেতা ও খামারিদের সুবিধার জন্য কোরবানীর বাকি দিন গুলোতে প্রতি দিনই চৌগাছাতে পশুর হাট বসানো হয়েছে।
 সূত্রে প্রকাশ উপজেলার সীমান্ত পথগুলো ব্যবহার করে আসা এসব ভারতীয় গরু করিডোরের মাধ্যমে বৈধ করার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের বিশেষ পন্থায় ম্যানেজ করে করিডোর ছাড়াই বিভিন্ন হাটে উঠছে শতশত ভারতীয় গরু।
উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের আমজেদ আলী বলেন বুধবার পুড়াপাড়া পশুর হাটে একটি বড় গরু বিক্রি করতে চেয়েছিলাম দেশী এ ষাঁড়গরুটির দাম হওয়ার কথা কমপক্ষে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা কিন্তু ক্রেতারা ৮০/৯০ হাজার টাকার উপরে দাম বলেনি। চৌগাছা উপজেলাটির অবস্থান ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে। প্রায় ৫শ ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে  ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্ত এলাকায় কয়েকটি পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া কেটে প্রতিরাতেই ভারতীয় গরু ঢুকছে এদেশের ভিতরে। সীমান্ত সূত্রে জানাযায় উপজেলার কাবিলপুর ,শাহাজাদপুর, মাশিলা, আন্দুলিয়া, পাঁচপীরতলা ও বর্ণি সীমান্তে বেশ ক’টি পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় গরু চৌগাছায় ঢুকছে।
উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে আসা এ সব গরু সরকারী দলের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নির্দিষ্ট কিছু স্থান থেকে ট্রাক বোঝাই করা হয়। গরু বোঝাই ট্রাকগুলো চলে যায় দেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায়।
এ ব্যাপারে হিজলী বিজিবি ক্যাম্প ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান কোরবানী ঈদের আর মাত্র ৬ দিন বাকি আমি এখানে নতুন এসেছি বর্তমানে ভারত থেকে গরু তেমন একটা আসছে না। তবে আমি আসার আগে এ এলাকাদিয়ে গরু এসেছে কিনা আমার জানা নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ