শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বৈষম্য সত্ত্বেও ইউরোপে মুসলিমরা স্থানীয়দের সঙ্গে একীভূত হচ্ছেন

২৮ আগস্ট, পলিটিকো ডট ইইউ : অভিবাসীদের উপস্থিতিতে স্থানীয় জনসংখ্যার প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ইউরোপের মুসলিম অভিবাসীরা তাদের গৃহীত দেশের ভাষা শেখা এবং চাকরি খোঁজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সফল হচ্ছেন।
‘বার্টেলসম্যান ফাউন্ডেশনের’ প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
বার্টেলসম্যান ফাউন্ডেশন ইউরোপের পাঁচটি দেশের মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ে এই গবেষণাটি করে। দেশ পাঁচটি হলো- যুক্তরাজ্য, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ফ্রান্স।
এতে দেখা গেছে- দ্বিতীয় প্রজন্মের মুসলমানদের ৭৬ শতাংশ স্থানীয় ইউরোপীয় ভাষাকে তাদের মাতৃভাষা হিসেবে শিখছে।
তাদের শিক্ষাগত পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। ফ্রান্সের মুসলমানদের ৯০ শতাংশ ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত স্কুল জীবন চালিয়ে যায়। তবে জার্মানি ও অস্ট্রিয়াতে এই হার যথাক্রমে ৩৬ ও ৩৯ শতাংশ।
জার্মানিতে মুসলিম শ্রম শক্তির অনুপাত স্থানীয় জনসংখ্যার প্রায় সমান। গবেষণায় ফ্রান্সের ‘কঠোর শ্রমবাজার’ এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, সেখানে মুসলমানদের বেকারত্বের হার ১৪ শতাংশ, যা অমুসলিমদের চেয়ে গড়ে ৮ শতাংশ বেশি।
গবেষণায় দেখা যায় যে, ধার্মিক মুসলমানরা কিছুটা কম শিক্ষিত এবং অন্যান্য মুসলমানদের তুলনায় তাদের উপার্জনও কম। অমুসলিমদের মধ্যে ২০ শতাংশ তাদের প্রতিবেশি মুসলমানের পাশে বসবাস করতে চায় না। এর কারণ হতে পারে ধর্মীয় কর্তব্যসমূহ যেমন উপবাস বা দিনে পাঁচবার নামাজ আদায়ের কারণে ধার্মিক মুসলিমদের অন্য মুসলিমরা এড়িয়ে চলে।
বার্টেলসম্যান ফাউন্ডেশনের ইসলাম বিশেষজ্ঞ ইয়াসেমিন এল মেনুয়ার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পশ্চিমা ইউরোপের কোন দেশে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের জন্য সমান সুযোগ ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল হতে দেখা যায়নি।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ