বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০
Online Edition

পুরান ঢাকায় খুন রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক 

স্টাফ রিপোর্টার : পুরান ঢাকার নবাবপুর সড়কে একটি রেস্তোরাঁ থেকে এক কর্মীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আল আরাফাত নামের রেস্তোরাঁটির ওই কর্মীকে ভারি কিছু দিয়ে মাথায় আঘাতের পর গলা কাটা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত আনোয়ার হোসেন (৩০) ওই রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক ছিলেন।

একই ভবনের দোতলায় নিজের কক্ষ থেকে গতকাল শনিবার সকালে আনোয়ারের লাশ পাওয়া যায় বলে বংশাল থানার ওসি সাহিদুর রহমান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সকালে হোটেলের কর্মচারীরা আনোয়ারের কক্ষে গিয়ে তাকে বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়তে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

ওসি বলেন, “মনে হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় মাথায় মসলা বাটার পাথর দিয়ে আঘাত করার পর তাকে গলা কাটা হয়।” কে বা কারা কী কারণে এই হত্যাকা- ঘটিয়েছে, তা নিশ্চিত না হলেও রেস্তোরাঁটির এক কর্মীকে সন্দেহ করছে পুলিশ।

ওসি বলেন, “ঘটনার পর থেকে হোটেলের এক  কর্মচারীকে পাওয়া যাচ্ছে না। ধারণা করছি, ওই কর্মচারী তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।” সন্দেহভাজন ওই কর্মীকে গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে সাহিদুর জানান।

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মিরপুরের কাফরুলে আফরোজা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকালে নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কাফরুল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইব্রাহিমপুরের ১৩৫ আদর্শ পল্লীর চতুর্থ তলার বাসার বারান্দার গ্রিলের রডের সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আফরোজা আক্তারের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ভাই তরিকুল ইসলাম জানান, ১০ ভাইবোনের মধ্যে আফরোজা সবার ছোট। তার স্বামীর নাম আজিজুল হক। তাদের ৯ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। আফরোজা দীর্ঘদিন নানা রোগে ভুগছিলেন। এ কারণেই সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।

অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

বংশালের আলুবাজারে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোসা. মনীরা (২১) নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

মনীরার মামা আমির হোসেন জানান, গত ২২ আগস্ট স্বামীর বাড়ি বংশাল থানাধীন আলুবাজার, কাজী উসমান গনি রোডের ৭৮/এ, নম্বর বাসায় রান্না ঘরের চুলা থেকে শরীরে আগুন লেগে দগ্ধ হয় মনিরা। এ সময় স্বামী আগুন নিভাতে গেলে তার বাম হাতও সামান্য দগ্ধ হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাষ্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায়  তিনি মারা যান।

এদিকে মনীরার মামা ইউসুফ হোসাইন দাবি করেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে। দেড়বছর আগে ভাগনির বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক দিনের মাথায় শরিফ মনিরাকে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাশদগাঁও গ্রামের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। এর পর থেকে তাদের সঙ্গে কোন যোগাযোগ ছিল না।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য তার মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ