বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

মহেশখালীতে পাহাড়ী গাছ কেটে তৈরী করছে অবৈধ ফিশিং বোট

সরওয়ার কামাল, মহেশখালী (ককসবাজার) থেকে: উপকূলীয় বন বিভাগে সঠিক নজরদারীর অভাবে এক শ্রেণীর দুষ্কৃতিকারী প্রতি নিয়ত মাদার ট্রি সহ নানা প্রজাতের গাছ কেটে ফিশিং বোট সহ নানান কিছু তৈরী করতঃ পরিবেশ বিপর্যস্ত ও স-মুলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে মহেশখালীর উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী।
এতে বাড়ছে জলোচ্ছ্বাস প্রাণ হানির আশঙ্কা। জানা গেছে ৩৮৮.৫৫ বর্গ কি:মি: আয়তন উত্তরে চকরিয়া উপজেলা দক্ষিণ পূর্বে কক্সবাজার সদর, দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে কুতুবদিয়া উপজেলা জনসংখ্যা ২,৫৬৫৪৬ জন (প্রায়) পাহাড়ী জমির পরিমান ১২নং মৌজা ১৮,৩৩৯.৩০ একর সোনাদিয়ার মৌজার জমির পরিমান ২৯৬৫.৩৭ একর বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে অবস্থিত মহেশখালী উপজেলার জন জীবন ও সম্পদ কে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে ১৯৯১ সালে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়।এতে সবুজ বেষ্টনীর গাছ গুলো পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধির হতে থাকে। কিন্তু নিরাপত্তার অব্যাহত গতিতে গাছ কাটার কারণে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী কোথাও ধূসর এবং কোথাও হয়ে গেছে বিলীন। বন খেকোদের দৌরাত্বে ইতি পূর্বে বিলিন হয়ে গেছে উপকুলের অধিকাংশ বনাঞ্চল। অবশিষ্ট বনাঞ্চলের কেওড়া, বাইন এবং কড়াই গাছ গুলো চোরদের দৌরাতেœ সেগুন, গামারী এর মত ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী, শাপলা পুর, কালারমার ছাড়া, হোয়ানক, বড় মহেশখালী ইউনিয়নে প্রতিনিয়ত গাছ কাটার ঘটন্ াঘটেছে। উপজেলায় ২৭ টি স-মিল এর মধ্যে ২২ টি কোনো লাইসেন্স পত্র নাই। বন খেকোরা গাছ কেটে ট্রাকে, জীপে, ঠেলা গাড়ী ও সাগর পথে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বন বিভাগের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে আঁতাত করে রাতারাতি উপকূলীয় বনাঞ্চল উজাড় করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বনাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের নজর এড়াতে ভেতর থেকে কেটে নেওয়া হচ্ছে বড় বড় গাছ গুলো এছাড়াও উপকূলীয় বেড়ীবাঁধ সংলগ্নে বসবাসকারী লোকজন জ্বালানী কাঠ সংগ্রহের জন্য প্রতি নিয়ত কাটছে সবুজ বেষ্টনীর গাছ। বর্তমানে নির্বিচারে গাছ কেটে বনাঞ্চল উজাড় করার কারনে হুমকিতে পড়েছে উপকূলীয় বেড়ীবাধ।এই উপকূলীয় সবুজ বনাঞ্চল ধ্বংস থেকে রক্ষা করতে হলে অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীকে বদলী ও অবৈধ স’-মিল গুলিকে উচ্ছেদ করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ