মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ইসরাইল-ফিলিস্তিনের শান্তি প্রক্রিয়ায় চীন মধ্যস্থতা করতে পারে -ফিলিস্তিন

১৯ আগস্ট, সিনহুয়া : ইসরাইল-ফিলিস্তিনের শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চীন সততার সঙ্গে মধ্যস্থতা করতে পারে। সম্প্রতি ফিলিস্তিনের সেক্রেটারি জেনারেল তায়েব আবদু রহিম এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করে বলেন, দেশ দুইটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীন ২০১৪ সাল থেকে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন একটি বড় শক্তিশালী রাষ্ট্র।
এছাড়া দেশটি জাতি সংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। তাই ইসরাইল-ফিলিস্তিনের দ্বন্ধ মেটাতে চীন সহায়তা করতে পারে।
এর মধ্যে জুলাইয়ে বেইজিংয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিংয়ের বৈঠক হয়। দেশটির ইস্যুতে চারটি প্রস্তাবের উপর আবদুর রহিম মন্তব্য করেন।
প্রস্তাবে দেশ দুইটি মধ্যে সমস্যা সমাধানে বারবার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কথা বলা হয়। স্বাধীন সার্বভৌমের কথা বলা হয়। ফিলিস্তিনের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশটিকে চীনের বেল্ট এবং রোডে ফ্রেমওয়ার্কে যুক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এবং দেশ দুইটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সমন্বয় বাড়ানোর উপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রয়োজনীয় শর্তাদি তৈরি করার জন্য এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরির জন্য চীন এই বছরের শেষের দিকে দেশ দুইটির আয়োজন করে। এবং দেশ দুইটির সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় সংলাপ পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব দেয়।
রহিম জানান, যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং চীন, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মত প্রভাবশালী দলগুলো ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তিপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের প্রচেষ্টায় ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে তাদের পক্ষে আলোচনায় সর্বাদিক প্রভাব থাকবে।
তিনি উল্লেখ করেন, চীনের সঙ্গে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল উভয় পক্ষের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। চীনের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ফিলিস্তিন ও ইসরাইল ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়।
চীন সব সময় বিশ্বাস করে ফিলিস্তিনের সমস্যা মধ্যপ্রাচ্যে বিরোধের মূল কারণ। এবং এ সমস্যা সমাধান করা গেলে এই অঞ্চলের সব সমস্যা নিরসন করা সম্ভব। চীন নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ