মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০
Online Edition

রাজশাহীতে শাক-সবজির দাম বেড়েছে দুই থেকে তিনগুণ

রাজশাহী অফিস : রাজশাহীতে অব্যাহত বৃষ্টির কারণে সবজির দাম দুই থেকে তিনগুণ বেড়েছে।  রাজশাহীর বাজারগুলোতে গত শুক্রবার থেকে এসব জিনিসের দাম বাড়তে থাকে।  ব্যবসায়িরা জানান, সরবরাহে ঘাটতি তাই দাম বেড়েছে।
শাক-সবজির মধ্যে যে কোন শাকের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ টাকা, সবজির মধ্যে শীমের দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৪০ টাকা। মহানগরীর সাহেব বাজার, শালবাগান, কোর্ট বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে এ দাম ছিলো ২০ টাকা। মাত্র সপ্তাহ ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১শ ৪০ টাকা। অন্য সবজির দামও উর্ধ্বমুখি। দুই সপ্তাহ আগে ৮ টাকা কেজির পটল শুক্রবার প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, বিভিন্ন ধরনের শাক ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, ঢেঁরশ ৪০ টাকা, শীম ১৬০ টাকা, কাঁকরইল ৫০ টাকা, চালকুমড়া ৩০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, লাউ ৩৫ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের চাইতে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে গড়ে ১৫ থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছের বাজারে বড় রুই ২৫০ টাকা, বড় কাতল ৩০০ টাকা, মৃগেল ২৭০ টাকা, সিলভার কাপ ২০০ টাকা, লাইলনটিকা ২২০ টাকা কেজি বিক্রে হচ্ছে। মাছের বাজারে ক্রেতা হারুন মিয়া বলেন, বিক্রেতাদের দোকানের সামনে রেট চার্ট থাকার কথা থাকলেও তাও দেখা যাচ্ছে না। কর্পোরেশনের তদারকির কথা থাকলেও বাজারে তাদের কাউকেই দেখা যায় না। বাজার তদারকির অভাবে ব্যবসায়িরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারছে। এদিকে সপ্তাহ শেষে গোশতের বাজার স্বাভাবিকই দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৪০ টাকায়, সোনালী বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে ৪৭০ থেকে ৪৮০ টাকায়। এছাড়াও বিভিন্ন বাজারে মহিষের গোশত বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকা কেজিতে। ক্রেতারা অভিযোগ করেন, বর্ষার অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম বাড়িয়েছে তারা। প্রতিদিনই দাম বেড়েই চলেছে। অথচ সরকারিভাবে বাজার তদারকির কথা থাকলেও বাজারে কাউকে দেখতে পাওয়া যায় না। তদারকির অভাবের সুযোগেই ব্যবসায়িরা এই কারসাজি করছে।

সম্মেলনের মঞ্চেই দলিল লেখক
সমিতির নেতার মৃত্যু
রাজশাহীতে বাংলাদেশ লেখক সমিতির সম্মেলন চলাকালে মঞ্চেই ঢলে পড়লেন সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম মাস্টার।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে বক্তব্য দেয়া অবস্থায় তিনি মারা যান। এদিন পবা উপজেলা হলরুমে রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন চলছিল। তিনি যথারীতি মঞ্চে বিশেষ অতিথির আসনে বসেছিলেন। নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনছিলেন। এবারে তার বক্তব্যের পালা। বক্তব্য দিলেন। সংগঠনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরলেন। সংগঠনের কল্যাণে নিজেকে প্রস্তুত রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেন। এরপর নিজের আসনে গিয়ে বসেই বুকে ব্যাথা অনুভবের কথা বললেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আমিনুল ইসলাম মাস্টার একাধারে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রের সহ-সভাপতি, রাজশাহী বিভাগীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পদ্মা নদীতে ডুবে স্কুলছাত্র নিহত
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মার পানিতে ডুবে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্কুলছাত্র হিরো (৮) উজানপাড়া এলাকায় পিয়ারুল ইসলাম শাহিনের ছেলে এবং গ্রিন ভিউ প্রি ক্যাডেট স্কুলের ছাত্র।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার গোদাগাড়ীর উজানপাড়া এলাকায় দাদির বাড়িতে বেড়াতে যায় হিরো। রোববার সকালে হিরো নদীর পাড়ে বেড়াতে গিয়ে পা পিছলে পানিতে পড়ে যায়। অনেক খোঁজা-খুঁজি করে প্রায় ২০ মিনিট পর তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ