মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

এবার খুলনায় কুরবানির ৩৩টি পশুর হাট বসছে

খুলনা অফিস ঃ পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ব্যাপারীরা নিজস্ব খাটালে গরু আমদানি শুরু করেছে। চাহিদার তুলনায় স্থানীয় খামারগুলোতে গরুর সংকট থাকায় পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও করিডোর দিয়ে গরু আসতে শুরু করেছে। খুলনা  জেলায় এবারে ৩৩টি পশুর হাট বসবে। আজ শুক্রবার বটিয়াঘাটা উপজেলার বারোআড়িয়ায় ছাগলের হাট বসবে। আগামী ১  সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাটগুলো চালু থাকবে। খুলনা  জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সূত্র জানায়,  ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে মহানগরীর  জোড়াগেট, ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া, শাহাপুর, আঠারো মাইল, চুকনগর, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, কাছিকাটা, পাইকগাছা জিরোপয়েন্ট, দাকোপ উপজেলার বাজুয়া, চালনা, কয়রা উপজেলার  দেউলিয়া,  গোবিন্দপুর, কালনা, ঘুগরাকাঠি, মান্দারবাড়িয়া,  হোগলা, ফুলতলা উপজেলা সদর, দিঘলিয়া উপজেলার এম এম মজিদ কলেজ মাঠ ও জালাল উদ্দিন কলেজ মাঠ, পথেরবাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়,  তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেঙ্গা, বটিয়াঘাটা উপজেলার বাইনতলা, খুটিরহাট, উপজেলা সদর, বারোআড়িয়া, রূপসা উপজেলার আমতলা, তালিমপুর ও পূর্ব রূপসা বাসস্ট্যান্ড।

পুুলিশ প্রশাসনের সূত্র জানায়, কুরবানির পশুবাহী ট্রাককে  কোনক্রমে পথের মাঝখানে আটকানো যাবে না। পশু ও ব্যাপারীদের নিরাপত্তার জন্য উল্লেখযোগ্য সড়কগুলোতে পুলিশের টহল থাকবে। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গোয়েন্দা) সি এ হালিম পশুর হাটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বলেছেন, প্রত্যেক হাটে একজন অফিসারের  নেতৃত্বে ৫/৬ জন পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে।  ক্ষেত্র বিশেষে বড় হাটগুলোর পাশের সড়কে  সোর্স পুলিশের টহল থাকবে।  কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মো. এনামুল হক বলেন, এ মাসের  শেষ দিকে আমাদি ও  দেউলিয়া হাট সংলগ্ন এলাকায়  মোটরসাইকেল  যোগে পুলিশের টহল শুরু হবে। র‌্যাবের কমান্ডিং অফিসার  খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়  রেখে পশুর হাটে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। এ মাসের  শেষ দিকে টহল কার্যক্রম বাড়ানো হবে। কাস্টমস’র সূত্র জানিয়েছেন, নাভারণ করিডোর দিয়ে গরু আসা শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ গরু আমদানির পরিমাণ বাড়বে। খুলনা  জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ  মো. আনোয়ার উল ইসলাম জানান, মহানগরীসহ ৯ উপজেলায় ১৬ হাজার ২৩৯টি গরু এবং ৯ হাজার ৭৮৩টি ছাগল  মোটা তাজাকরণ করা হচ্ছে। এসব গবাদীপশু নিরাপদ খাদ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার উপ-ব্যবস্থাপক (দাবি)  সোহেল নওরোজ জানান, নগরীর  জোড়াগেট পশুর হাটে জাল  নোট প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যাংক ৩০টি বুথ স্থাপন করবে। এসব ব্যাংকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য  সোনালী, প্রাইম ও ব্র্যাক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ