শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা :  বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উলিপুর উপজেলা কমান্ডের প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব গ্রহন করলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় কমান্ড কার্যালয়ে দায়িত্ব প্রদান করেন, সদ্য সাবেক কমান্ডার এমডি ফয়জার রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার আমিনুল ইসলাম, উপজেলা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার গোলাম হোসেন মনটু,সাংগঠনিক কমান্ডার সোলায়মান আলী, সহকারী কমান্ডার রবিউস সামাদ, জয়নাল আবেদীন, মনোরঞ্জন রায়, আব্দুল কাউয়ুম, আব্দুর রহিম, উলিপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সরদার, দৈনিক যুগের আলো উপজেলা প্রতিনিধি খালেক পারভেজ লালু, কুড়িগ্রাম খবরের ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি হাফিজ সেলিম, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের উপজেলা প্রতিনিধি ফয়জার রহমান রানুসহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ উলিপুর কমান্ডের প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন, উলিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ সরকার, দৈনিক ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার তৈয়বুর রহমান, মাছরাঙা টিভি’র কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি পরিমল মজুমদার প্রমূখ। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে নিজস্ব তালা লাগিয়ে দেন এবং সীলগালা করে দেন। দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খোলা থাকবে।

কালামের লাশ ৫দিন পর উদ্ধার : কুড়িগ্রামের উলিপুর থানা পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তিস্তা নদীতে লাফিয়ে পরে নিখোঁজ হয় আবুল কালাম। ৫ দিন পর তার লাশ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের তিস্তা থেকে  উদ্ধার করা হয়েছে।  জানা গেছে, উলিপুর থানা পুলিশের ধাওয়া খেয়ে গত রোববার বিকেলে উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের নেফড়া গ্রামের মৃত বাচ্চা মিয়ার পূত্র ৪ সন্তানের জনক আবুল কালাম (৪৫) নাগড়াকুড়া গ্রামের টি-বাঁধের উত্তর দিকে নদীর উপকন্ঠে কয়েকজন মিলে তাস খেলছিল। ওই দিন বিকেলে সাদা পোষাকধারী পুলিশের একটি দল ওযারেন্টভূক্ত আসামী ধরতে স্থানীয় নাগড়াকুড়া বাজারে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তাসারুদের ধাওয়া করে। এ সময় অন্য খেলোয়াররা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আবুল কালাম, সাইদুল ইসলাম (৪০) ও শাহীন মিয়া (৩৫) পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে। সাইদুল ও শাহীন সাঁতরিয়ে তীরে ভীড়লেও আবুল কালাম নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ হওয়ার ৫ দিন পর পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের বেলকা ঘাট এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। মৃত কালামের ১১ বছরের কন্যা কলি আখতার, স্ত্রী আমেনা বেগম (৪০), বড় ভাই তছলিম উদ্দিন (৫৫) সহ পরিবারের দাবি পার্শ্ববর্তী নন্দুনেফড়া গ্রামের সাহেব আলীর পুত্র মুকুল মিয়া (৩৬) যদি আবুল কালামকে মোবাইল ফোন দিয়ে ডেকে নিয়ে না যেতো তাহলে এ অকাল মৃত্যুর ঘটনা ঘটতো না।

গুনাইগাছ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ খোকার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্ট করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস,কে আব্দুল্ল্যাহ আল সাইদ লাশ উদ্ধার হওয়ার কথা স্বীকার করেন।  গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান বলেন, আমি মিটিং এ আছি, বিষয়টি আমার নলেজে নাই। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ