বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

হকির নির্বাচনে সমঝোতার প্যানেল চান নাজমুল হাসান পাপন

স্পোর্টস রিপোর্টার: হকির সংকট নিরসনে এর আগেও ভূমিকা রেখেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি এবং সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন। তার মধ্যস্থতায় বিদ্রোহী ক্লাবগুলো আবারো হকিতে ফিরে এসেছে। সংগঠকদের দাবির প্রেক্ষিতে সংকট নিরসনে খাজা রহমতউল্লাহকে (সেক্রেটারি থেকে সরিয়ে) সহ- সভাপতি বানিয়ে সাবেক তারকা হকি খেলোয়াড় আবদুস সাদেককে সাধারণ সম্পাদক করে বর্তমান এডহক কমিটি গঠনে ভূমিকা রেখেছিলেন। হকি ফেডারেশনের নির্বাচনের তফসিল ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। শুরু হয়েছে নির্বাচনী উত্তাপ। নির্বাচনকে ঘিরে আবারো যেন সংকট তৈরী না হয় সেজন্য বিসিবি সভাপতি সম্ভাব্য সেক্রেটারি প্রার্থীদের সাথে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করেছেন। জানা গেছে,হকি ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে একটি সমঝোতার প্যানেল চান বিসিবি সভাপতি এবং নাজমুল হাসান পাপন। গত দুই দিনে তিনি নির্বাচন নিয়ে ভিন্ন ভিন্নভাবে আলোচনায় বসেছিলেন সম্ভাব্য দুই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবদুর রশিদ শিকদার ও খাজা রহমতউল্লাহর সঙ্গে। বুধবার ঢাকা ক্লাবে পাপন আলোচনা করেছেন রহমতউল্লাহ ও তার অনুসারীদের নিয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ বেক্সিমকো অফিসে আব্দুর রশিদ শিকদার ও তার সমর্থিত ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন পাপন। আবদুর রশিদ শিকদার বলেছেন,‘বিসিবি সভাপতি ক্লাব প্রতিনিধিদের বলেছেন, তার একটা চিন্তাভাবনা আছে। তিনি চান, আমরা যাতে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করি। তবে আমরা তাকে বলেছি, খাজা রহমতউল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক রেখে কোনো সমঝোতা আমরা মেনে নেবো না। প্রয়োজনে আপনি আমাদের বাইরে রাখতে পারেন। ’সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র মতে, বিসিবি সভাপতি আবদুর রশিদ ও তার সঙ্গে যাওয়া ক্লাব কর্মকর্তাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন, রহমতউল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক রেখেই একটা সমঝোতার প্যানেল করতে আগ্রহী তিনি। শেষ পর্যন্ত যদি সমঝোতা না হয় তাহলে কি হবে? এ প্রশ্নের উত্তর আবদুর রশিদ শিকদার ও তার সমর্থকদের জানিয়ে রেখেছেন নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেছেন,‘আপনারা সমঝোতা করতে না পারলে বা না মানলে স্বাভাবিকভাবেই ভোটের লড়াই হবে। আর তখন আমাকে একটি পক্ষ নিতেই হবে।’তবে পাপনের সঙ্গে আলোচনা শেষে আবদুর রশিদ বলেছেন,‘আমি নির্বাচন করবো। ক্লাবগুলো আমার সঙ্গে আছে। আমরা বিসিবি সভাপতিকে জানিয়ে এসেছি, এর আগে সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় খাজা রহমতউল্লাহ সবার সঙ্গে মানিয়ে কাজ করতে পারেননি। তার রানিংমেটরাও এখন তার সঙ্গে নেই।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ