বুধবার ১৫ জুলাই ২০২০
Online Edition

ইসরাইলের অভ্যন্তরে থাকা ফিলিস্তিনীদের হস্তান্তরে নেতানিয়াহুর প্রস্তাবের নিন্দা

১০ আগস্ট, নিউজ টু, দৈনিক হারেৎজ, আলজাজিরা : ইসরাইলের অভ্যন্তরে থাকা আরব জনবহুল কয়েকটি গ্রাম ফিলিস্তিনী কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে হস্তান্তর করতে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি প্রস্তাবের নিন্দা করেছেন ফিলিস্তিনী নেতারা ও মানবাধিকার গ্রুপ। ইসরাইলের নিউজ চ্যানেল ‘নিউজ টু’ এর খবরে পরিকল্পনাটি প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হয়। নতুন এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনী নেতৃত্বের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসাবে ইসরাইল কর্তৃক দখলকৃত পশ্চিমতীরের ইহুদি বসতিগুলোকে ইসরাইলের যুক্ত করার অনুমতি পাবে।

পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় ‘চ্যানেল টু’কে একজন ইসরাইলী কর্মকর্তা বলেন, ‘এই ইস্যুটি আলাদা কোনো প্রস্তাব নয়, বরং ফিলিস্তিনীদের সঙ্গে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তাবের অংশ।’

বাধ্যতামূলক জনসংখ্যা স্থানান্তর এবং বসতিগুলোর অন্তর্ভুক্তিকরণ সম্পর্কে ইসরাইলের নেসেটে (পার্লামেন্ট) সদস্য ইউসেফ জাবারেন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি অবৈধ ও ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইসরাইলে বসবাসরত আরব বংশোদ্ভূত নাগরিকরা কারো অনুগ্রহের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পায়নি, বরং তারা তাদের ঐতিহাসিক স্বদেশে বাস করছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে ভূমি দখল করা বাসিন্দাদের সম্পূর্ণ বিপরীত। এসব বাসিন্দারা ফিলিস্তিনের ভূমি জোর করে দখল বাস করছে।’

হাইফা-ভিত্তিক আরব সংখ্যালঘু অধিকার সংস্থা ‘আদালাহ লিগাল কেন্দ্র’ জানায়, প্রায় ১.৭ মিলিয়ন ফিলিস্তিনী ইসরাইলের শহর ও গ্রামগুলোতে বসবাস করছে এবং তারা ইসরাইলী নাগরিকত্ব বহন করছে। প্রায় এক ডজন আইনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘এই ধরনের পরিকল্পনা বা আলোচনার কথা- বিশেষত যেসব নাগরিকরা এতে সরাসরি প্রভাবিত হবে তাদের অনুমতি ছাড়াই এই পরিকল্পনা একটি জাতিবিদ্বেষী সিদ্ধান্ত। এটি তাদের নাগরিকত্বকে নিকৃষ্ট, অস্থায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক আলোচনার তিক্ততায় পরিণত করবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ