রবিবার ১২ জুলাই ২০২০
Online Edition

আইন সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেন অবৈধ নয়

স্টাফ রিপোর্টার : আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তার যোগদানপত্র গ্রহণের আদেশ কেন অবৈধ হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, আইন সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ ৯ জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার এ রুলের উপর শুনানির দিন নির্ধারণ করে এর আগেই রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত। 

গতকাল মঙ্গলবার আইন সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

শুনানিতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। অপরদিকে সরকার পক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু ও অমিত তালুকদার।

আদেশের পর এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদালত রুল জারি করেছেন। কোনো স্থগিতাদেশ নেই। ফলে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই। 

এর আগে আইন সচিবের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আশরাফ-উজ জামান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করেন।

গত ৭ আগস্ট (সোমবার) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক। তার নিয়োগের বিষয়ে আইন মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো.জহিরুল হককে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তার অবসর উত্তর ছুটি বাতিলের শর্তে ৭ আগস্ট ২০১৭ থেকে ৭ আগস্ট ২০১৯ সাল পর্যন্ত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। 

২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জহিরুল হক আইন ও বিচার বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান। অবসরে যাওয়ার পূর্বে তিনি ওই বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তিনি স্বপদে যোগদান করেন।

জহিরুল হক ১৯৫৮ সালের ৮ আগস্ট সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের শেরখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৃত ফজলুল হক এবং মা শামসুন নাহার। ১৯৭৫ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি এবং একই বোর্ড থেকে ১৯৭৭ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে তিনি এলএলবি (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ