বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

জুলাই মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [চার]
২৬ জুলাই নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির আমিশাপাড়া থেকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ যুবলীগ কর্মী মাহাবুবুর রহমান মজনুকে আটক করে র‌্যাব-১১। ২৭ জুলাই বরিশালের উজিরপুরে বড়াকোঠা এলাকা থেকে যুবলীগ সদস্য আফজাল হোসেন ও ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেনকে ৬৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। ৩১ জুলাই ঠাকুরগাঁও সদরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুুল মান্নান হত্যা মামলার আসামী যুবলীগ নেতা মারুফ আলী শান্তকে আটক করে পুলিশ।
শ্রমিক লীগ : ২৯ জুলাই বগুড়া শ্রমিক লীগ শহর আহবায়ক তুফান সরকার, আলী আজম ডিপু, রূপম ও আতিকুর রহমানকে ছাত্রী ধর্ষণ ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগে আটক করে। উল্লেখ্য ১৭ জুলাই তুফান মেয়েটিকে ধর্ষণের পর সে মার্জিয়া আক্তার রুমকির বাড়িতে যেয়ে নালিশ করলে তখন তুফানসহ অন্যান্যরা মারধর করে তার মাথার চুল কেটে দেয়।
স্বেচ্ছাসেবক লীগ : ২ জুলাই বরিশালের গৌরনদীতে তাঁরাকুপি গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক মাইনুল ঘরামীকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে  পুলিশ। ২৮ জুলাই সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সীমান্তে ৫ বোতল মদ ও ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির ছেলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ইউনিয়ন সভাপতি কামাল হোসেন, শেখ সেলিম উদ্দিন, সাকিল আহমেদ ও বাবলুর রহমানকে আটক করে পুলিশ।
মহিলা লীগ : ৯ জুলাই যশোর জেনারেল হাসপাতালে নবজাতক ছেলে শিশু চুরি হয়। শিশুটি চুরির পর জনতা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মমতাজ পারভীনকে পাকড়াও করে।
বিএনপি : ৩ জুলাই নোয়াখালীর চাটখিলে রামনারায়নপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোরশেদ আলম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী ভুট্টুকে আটক করে পুলিশ। ২৪ জুলাই টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত সাতজন। পুলিশ এ বিষয় ২৬ নেতা-কর্মীর নামে মামলা দায়ের করে। ২৬ জুলাই কুমিল্লার মুরাদনগরে পাঁচ বিএনপি নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। কারাগারে পাঠানো নেতা-কর্মীরা হলো- কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক মহিউদ্দিন মোল্লা, সমাজ সেবা সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন, যুবদল নেতা শাহ আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ফরিদ মিয়া। নোয়াখালীর সেনবাগে দক্ষিণ ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান তোতা ও কেশারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা প্রিয়লালকে আটক করে পুলিশ।
ছাত্র দল : ১৪ জুলাই চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় মহানগর ছাত্রদল সহ-সভাপতি ফজলুল হক সুমনকে পাহাড়তলীর ঝর্ণাপাড়া থেকে আটক করে পুলিশ। ১৯ জুলাই লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে পুলিশ ছাত্রদল চরলরেন্স ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোর্শেদ আলমকে কড়ইতলা থেকে আটক করে। ২১ জুলাই সিলেটের জৈন্তাপুরে রাজকুমারী ইরাদেবী মিউজিয়ামবাড়িতে নিজপাট ইউনিয়নে কমিটি গঠন নিয়ে ছাত্রদলে জামান গ্রুপ ও সেলিম গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয় দশজন। ২২ জুলাই রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়ায় সিটি কনভেনশন সেন্টারে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানকালে ছাত্রদল দু’গ্রুপের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়।
যুব দল : ৬ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পুলিশ উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদল সদস্য রেজাউল করীমকে তার বাড়ি থেকে আটক করে। ১৭ জুলাই নাটোর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ও নাটোর পৌর সভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাজ্জাদ হোসেন সোহাগকে আটক করে পুলিশ। ২৭ জুলাই ফেনীর পরশুরামে পৌর যুবদলের প্রচার সম্পাদক আলাউদ্দিনকে পুলিশ আটক করে।
স্বেচ্ছাসেবক দল : ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম-আহবায়ক আবু সিদ্দিক মোল্লাকে তার আমগাঁও গ্রামের বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।
 জামায়াত : ৩ জুলাই সাতক্ষীরা জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ বার জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীসহ চল্লিশজনকে আটক করে। ৫ জুলাই নীলফামারীর জলঢাকা ও ডিমলা থেকে পুলিশ তের জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে। ডিমলায় আটককৃতরা হলো- খালিশা চাপানি ইউনিয়ন আমীর হাবিবুল্লাহ্ কাজী, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন আমীর জাহেদ আলী, কর্মী রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মতিন ও আবুল কালাম এবং জলঢাকায় আটক হয় উপজেলা শিবির সভাপতি সাব্বির আহমেদ, রায়তুলমাল সম্পাদক রেজাউল করীম, কর্মী গোলাম রব্বানী, তরিকুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, মাহমুদ আল-হাসান ও জাভেদ আলী। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা জামায়াত আমীর গোলাম মোস্তফাকে আল-হেলাল মসজিদ থেকে জোহরের নামায পড়ে বের হওয়ার সময় আটক করে পুলিশ। ৭ জুলাই রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কাঁকনহাট ব্রাহ্মণ গ্রামের একটি মসজিদ থেকে সাত জামায়াত কর্মীকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- ধামিলা গ্রামের নাজমুল আলম, ঝিনা গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, পালপুর গ্রামের কামরুজ্জামান, ব্রাহ্মণ গ্রামের নাজিম উদ্দিন, কাঁকন স্টেশন পাড়ার আতিকুর রহমান, লাহিলপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম ও  কাদিরপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম। নীলফামারী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ সাত জামায়াত নেতা-কর্মীসহ আটক করে চল্লিশজনকে। জামায়াতের আটককৃতরা হলো- জলঢাকা থানার গোলমুন্ডা ইউনিয়ন জামায়াত আমীর ও ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হোসেন, একই এলাকার কর্মী আব্দুর রাজ্জাক, আহমেদ হোসেন, কিছামত খুাঁটামারা বটতলী এলাকার সৈয়দ আলী, দক্ষিণ দেশাবাই এলাকার মাহমুদুল আলম, নুরুজ্জামান ও মীরগঞ্জ এলাকার নঈমুনসহ বিভিন্ন মামলার আরো চল্লিশজন। বগুড়ার বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াতসহ দশজনকে আটক করে পুলিশ। তার মধ্যে ধুনট উপজেলার গোপালনগর জামায়াত নেতা আমান উল্লাহসহ বিরোধী দলের দশ নেতা-কর্মী। রাজশাহী মহানগর পুলিশ এক জামায়াত কর্মীসহ বিভিন্ন মামলায় ৪৪ জনকে আটক করে। গাইবান্ধার সাঘাটায় তেলিয়ান সাহারভিটা গ্রামের একটি মসজিদ থেকে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল ওয়ারেস, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক এনামুল হক, আব্দুল গফুর, অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম, আব্দুল ওয়াহেদ, আব্দুল হামিদ প্রধান, নূরে আলম সিদ্দিকী, আবু ইমরান মোঃ ফজলে বারী, জহুরুল ইসলাম, কাজী আজাদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, জিল্লুর রহমান, সামসুল ইসলাম দুদু, আমজাদ হোসেন, নূরুল ইসলাম ও সিদ্দিক হোসেনকে আটক করে।
৮ জুলাই রাজশাহীর বাঘায় আহমদপুর গ্রামে একটি মসজিদ থেকে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও চারঘাট উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নাজমুল হক, বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা জিন্নাত আলী, বাঘা পৌর আমীর অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, বাজু বাঘা ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি ওয়াজেদ আলী, বাউসা ইউনিয়ন সভাপতি মজিবুর রহমান, আড়নী ইউনিয়ন সভাপতি সামসুল ইসলাম, অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, রফিকুল ইসলাম, সেকেন্দার আলী ও অধ্যাপক আহমেদ আলীকে আটক করে পুলিশ। ১০ জুলাই ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হোসেনকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। ১১ জুলাই নীলফামারীর সৈয়দপুরে খাতা মধুপুর ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি আব্দুল আলিম, বাঙ্গালীপুর ইউনিয়ন সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাবেক সৈয়দপুর শহর আমীর মাওলানা আব্দুস সামাদ আজাদ ও পৌর ১৪নং ওয়ার্ড সভাপতি আক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন মামলার ত্রিশ জনকে আটক করে পুলিশ। ১৪ জুলাই নীলফামারীর ডোমারে ১২ জামায়াত নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ২৫ জন আটক হয়। আটককৃত জামায়াত নেতা-কর্মীরা হলো- ডোমার পৌর জামায়াত সেক্রেটারি আবু বক্কর সিদ্দিক, কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন জামায়াত আমীর আব্দুল বারী, কর্মী বেলাল হোসেন, নজরুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম, জাকারিয়া রহমান, রিপন ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আবুল হোসেন স্বপন, এইচ.এম রতন, আব্দুস সাত্তার ও আফজাল হোসেন। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে জামায়াত নেতা ইকবাল হোসাইন চৌধুরীকে আটক করে পুলিশ। ১৬ জুলাই সাতক্ষীরার কলারোয়া পুলিশ জামায়াত নেতা ইমন আলী শেখকে আটক করে। ২৪ জুলাই সাতক্ষীরা সদরে জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলনা রফিকুল ইসলামের নামাযে জানাযা আগরদাড়ী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকে ফেরার পথে ৬৯ জামায়াত নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। ২৫ জুলাই লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াত আমীর মাস্টার রুহুল আমীন ভূঁইয়াকে পুলিশ তার কর্মস্থল রসুলগঞ্জ হাই স্কুল থেকে আটক করে। ২৯ জুলাই গাজীপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ হোসেন আলীসহ এক কর্মীকে পুলিশ আটক করে।
শিবির : ৭ জুলাই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের শাহপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ শিবির কর্মী তৌফিকুর রহমান সাগর ও তাসকিনুল ইসলাম স্বপনকে আটক করে। ২৬ জুলাই পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা শিবির সভাপতি নাসির হোসেন ও হাড়িভাসা ইউনিয়ন শিবির সভাপতি মিজানুর রহমানকে ছাত্রলীগের ইন্ধনে মকবুলার রহমান সরকারি কলেজ থেকে আটক করে পুলিশ। ২৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি মিনি চাইনজ রেস্টুরেন্ট থেকে ৪৩ শিবির নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
বিশ দল : ৫ জুলাই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ২০ দলীয় জোটের দুই নেতাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- পশ্চিম বেলকা সৈনিকপাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা মাইদুল ইসলাম বাবু ও মধ্য মনমথ গ্রামের শিবির নেতা তাবিবুর রহমানকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।
জাপা : ২৮ জুলাই গাজীপুরের শ্রীপুরে এলজিইডি-র ঠিকাদারীর কাজে ১০ লাখ টাকার চাঁদার দাবিতে হামলা ও ভাংচুর করায় জাতীয় পার্টি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান রাজ্জাক বেপারীকে আটক করে পুলিশ।
ইউপিডিএফ : ৩ জুলাই রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মধ্যম বঙ্গলতলী গ্রাম থেকে সামরিক পোশাক, ২টি এলজি, ১টি দেশী বন্দুক, ১০ রাউন্ড কার্তুজ, ১টি খুর, ৪টি মোবাইল সেট ও ১টি রেডিওসহ ইউপিডিএফ সদস্য অটল চাকমা ও তার সহযোগী শুদ্ধজয় চাকমাকে আটক করে যৌথ বাহিনী।
জেএমবি : ৫ জুলাই চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে চামামুশরীভূজা গ্রাম থেকে জেএমবির সদস্য রয়েলকে আটক করে পুলিশ। ২৩ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার বধ্যভূমির শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধের মূল গেটের উত্তর পাশ থেকে র‌্যাব-২ সোয়েব শেখ ও রফিকুল ইসলাম নামে দুই জেএমবি সদস্যকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ৪ রাউন্ড গুলী ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ২৭ জুলাই ঝিনাইদাহ জেলার সদর থানায় গান্না ও পোড়াহাটি গ্রাম থেকে র‌্যাব-৬ জেএমবির সদস্য আশরাফুল ইসলাম, রানা ও মনোয়ার হোসেনকে আটক করে। ৩১ জুলাই রাজশাহীর বাঘায় মীরগঞ্জ থেকে জেএমবির সদস্য মাহমুদ হাসান ওরফে মাহমুদ হোসেন সরকারসহ সাত জনকে আটক করে।
নব্য জেএমবি : ২৯ জুলাই নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকা থেকে ২টি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলী, ২টি চাকু ও বেশ কিছু সংখ্যক বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারসহ জেএমবির সদস্য ওয়ালিউল্লাহ চিশতী ওরফে জনি, আল-আমিন শেখ ওরফে রাজিব ও কামরুল হাসান হৃদয়কে আটক করে র‌্যাব।
খেলাফত মজলিস : ২০ জুলাই ঢাকা জেলা খেলাফত মজলিস সাধারণ সম্পাদক মুফতি আশরাফ আলীকে তার বাসা থেকে আটক করে পুলিশ।
বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি : ২৫ জুলাই রাজবাড়ির পাংশায় ভাতশালা ব্রিজের কাছ থেকে চরমপন্থী দল বিপ্লবী কমিউনিস্ট পাটির সদস্য কিছমত খানকে ১টি ওয়ানশুটার গান ও ২ রাউন্ড কার্টুজসহ আটক করে পুলিশ। [সমাপ্ত]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ