মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

গৃহকর্মী নির্যাতনের কারণ ও প্রতিকার

মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান : [দুই]
গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা অনুমোদনের আগে Bangladesh National Woman Lawyers Association (BNWLA) এর একটি রিটের প্রেক্ষিতে গৃহকর্মীদের রক্ষায় ও আইনী শূন্যতা পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের হাইকোর্ট সরকারের উদ্দেশ্যে একটি রুল জারী করে। ২০১১ সালে বিচারপতি এম ঈমান আলী ও বিচার পতি শেখ হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সরকারকে গৃহশ্রমসংক্রান্ত আইনানুগ কাঠামো তৈরিতে ১০টি নির্দেশনা দেন। এ রায়ের আশাব্যঞ্জক দিক হলো, এটি বাস্তবায়িত হলে আইএলও সনদ ১৮৯ ও পরামর্শ ২০১ এর মূল লক্ষ্য অর্জিত হবে। নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১২ বছরের নিচের শিশুদের সব ধরনের শ্রমে (এমনকি গৃহশ্রমেও) নিয়োগ নিষিদ্ধ করা, ১৩-১৮ বছর বয়সের গৃহকর্মে নিযুক্ত শিশুদের নিয়মিত শিক্ষা অথবা কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা, গৃহকর্মীদের শ্রম আইনের অধীনে শ্রমিক সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা এবং গৃহশ্রমিক প্রতিরক্ষা ও কল্যান নীতি, ২০১০-এর ধারাগুলো বাস্তবায়ন করা, গৃহশ্রমিকের ওপর সহিংসতামূলক আচরণের মামলাগুলোর নিয়মিত তদারকি করা, নারী ও শিশুদের শহরে পাঠানোর আগে নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদে অভিভাবক কর্তৃক নাম ঠিকানা নিবন্ধন করা, গৃহকাজে নিয়োজিত গৃহকর্মীদের নিবন্ধন ও এ তথ্যগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ সরকারের তরফ থেকে নিশ্চিত করা, প্রতি দুই মাস অন্তর একবার গৃহকর্মীদের শারীরিক সুস্থতার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে যত দ্রুত সম্ভব আইন প্রণয়ন করা, গৃহকর্মীদের কাজের সময়সীমা, বিশ্রাম, বিনোদন, বেতন ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সুদৃঢ় আইনি কাঠামো তৈরি করা। গৃহকর্মীরা গৃহকাজে নিযুক্ত অবস্থায় কোনো প্রকার অসুস্থতা, আঘাত অথবা দূর্ঘটনার শিকার হলে তাদের যথাযথ চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের নিশ্চয়তা অবশ্যই আইনে রাখা।
পশ্চিমা বিশ্ব মাত্র বিগত শতক থেকে গৃহশ্রমিকের অধিকার থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। এটি এজন্য যে, তাদের সমাজে গৃহকর্মী ও গৃহের মালিকের মধ্যে বস্তুগত কর্তৃত্বের সম্পর্ক বিদ্যমান। কিন্ত ইসলামী শরীয়ায় এ সম্পর্ক নিছক বস্তুগত নয়; বরং আত্মিক ও ঈমানী চেতনায় সমৃদ্ধ। সেখানে আছে গৃহকর্তার সাথে গৃহকর্মীর দয়া ও ভালোবাসার সম্পর্ক, দায়িত্বের আমানত যথাযথভাবে সংরক্ষণের ভয়, গৃহশ্রমিকের পক্ষ থেকে কাজে প্রতি নিষ্ঠাত ও আল্লাহকে ভয় করে চলার শিক্ষা। অনুরুপ গৃহকর্মীর অধিকারসমূহ যথাযথসূহ যথাযথভাবে আদায় করা গৃহকর্তার পক্ষ থেকে শুধু করুণার বিষয় নয়; বরং এটি শরীয়তের নির্দেশ ও গৃহকর্মীদের বিশেষ সম্মান দিয়েছে এবং ইতিহাসে সর্বপ্রথম তাদের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্ম ও ভ্রাতৃত্বের মর্যাদায় ভূষিত করেছে। ইসলাম ও ভৃত্যের মাঝে মানবিক মর্যাদায় কোন পার্থক্য করে না; বরং তারা একে অপরের সহায়ক ও পরিপূরক। ইসলাম সব শ্রমিকের সঙ্গে সদাচরণের শিক্ষা দেয়। এ পর্যায়ে গৃহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় ইসলামী আইনের মূলনীতিসমূহ তুলে ধরা হলো: গৃহকর্মীর উপর সাধ্যাতীত কাজের বোঝা চাপিয়ে দিতে ইসলাম নিষেধ করেছে। মানবতার মুক্তিদূত ও বিশ্ববাসীর জন্য রহমত নবী মুহাম্মদ স. এ ব্যাপারে বারবার সর্তক করে দিয়েছেন। তাছাড়া মানবাধিকার বিষয়ে শরীয়তে প্রায় শতাধিক বিধান রয়েছে, যা সুস্পষ্ট ভাবে দূর্বল মানুষের ব্যাপারে ইসলামের বিশেষ যত্নশীলতা প্রমাণ করে। যখন গৃহে কাজের চাপ বেশি থাকবে, তখন সে কাজে গৃহকর্মীকে সহায়তা করা গৃহকর্তার দায়িত্ব। কারণ, সাল্লাম বিন আমর রা.  একজন সাহাবীর মাধ্যমে নবী স. থেকে বর্ণনা করেন বলেন: তারা তোমাদের ভাই, সুতরাং তাদের প্রতি সদাচার করো এবং তোমাদের জন্য যে কাজ কঠিন সেক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা চাও এবং তাদের উপর অর্পিত কাজে তাদের সহায়তা করো।
আবূ হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ স. বলেন: অধীনস্তদের খাবার ও পোশাক যথাযথভাবে প্রদান করা মালিকের দায়িত্ব এবং তাদের উপর সাধ্যাতীত কাজ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। মালিক রহ. আরো বলেন আমাদের নিকট সংবাদ এসেছে যে, উমর রা. প্রতি শনিবার বাজারে যেতেন এবং যখনি কোন শ্রমিকের উপর সাধ্যাতীত কাজের বোঝা দেখতে পেতেন তিনি তা সরিয়ে নিতেন। গৃহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় ইসলাম শুধু নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং তাদের প্রতি সদাচারের জন্য উৎসাহও দেওয়া হয়েছে। আম্র ইবনু হুরাইস রা. থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন, তোমার ভৃত্যের কাজ থেকে যে পরিমাণ কাজ তুমি হালকা করে দিবে, কিয়ামতের দিন তোমার মিযানে তার প্রতিদান দেওয়া হবে।
ইসলাম সমাজের সকল স্তরে সম্ভাব্য সকল উপায়ে স্বাধীনতা ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। সেজন্য খাদ্য ও পোশাকের মতো বিষয়ে ও গৃহকর্মীদের কি অধিকার রয়েছে সে প্রসংগে ইসলাম সোচ্চার রয়েছে। রাসূলুল্লাহ স. বিভিন্ন হাদিসে এ ব্যাপারে উম্মাহকে নির্দেশনা দিয়েছেন। স্ত্রী, সন্তান, গৃহকর্মী ও নিজের খাবারের জন্য ব্যয় করাকে রাসূলুল্লাহ স. সাদাকাহ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যেমন মিকদাম বিন মা দীকারিব রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ স. বলেন, তুমি যা খাও তা তোমার জন্য সাদাকাহ, তোমার সন্তানকে যা খাওয়াও তা তোমার জন্য সাদাকাহ, যা তোমার স্ত্রীকে খাওয়াও তা ও তোমার জন্য সাদাকাহ এবং তোমার গৃহকর্মীকে যা খাওয়াও তাও তোমার জন্য সাদাকাহ।
লক্ষণীয় হলো, উল্লেখিত চার  দলের মধ্যে রাসূলুল্লাহ স. কোন প্রকার মর্যাদাগত বিভাজন করেননি, যা ইসলামী সাম্যের একটি উজ্বল দৃষ্টান্ত। সাম্যের এই চেতনা গৃহকর্মীদের সাথে একত্রে বসে আহার করার নির্দেশ ও লক্ষ্য করা যায়। আবূ হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন: তোমাদের কারো জন্য যখন তার খাদেম বা গৃহকর্র্মী খাবার নিয়ে আসবে, তখন যদি তার সাথে একত্রে বসে খাওয়ার সুযোগ না থাকে তাহলে অন্তত তাকে এক লোকমা বা দুই লোকমা খাইয়ে দিবে অথবা একবার বা দু’বার খাবে। কেননা সে (কষ্ট করে) এ খাবার প্রস্তুত করেছে।
এই হাদিসে মূল মেসেজ হলো, গৃহকর্মীর সাথে একত্রে বসে খাওয়াই উত্তম, তবে কখনো তা বাস্তব কারণে সম্ভব না হলে কমপক্ষে তাকে নিজেদের খাবার থেকে কিছুটা খাইয়ে দিবে। কিন্তু অতীব দু:খের বিষয়, আমাদের সমাজে গৃহের মালিক ও গৃহকর্মীর খাবারের মানে পার্থক্য করার হীন প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। অধিকাংশ সময় উচ্ছিষ্ট ও তুলনামূলক নিম্নমানের খাবার তাদের দেওয়া হয়। আবার অনেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে যান কিংবা রেস্টুরেন্টে খেতে যান, তখন তারা যে দামী দামী খাবার খান, খরচ কমাতে পাশে থাকা গৃহকর্মীকে তা খাওয়ান না। গৃহকর্মী পাশে বসে থাকে অথবা তাকে কমদামী খাবার খেতে দেওয়া হয়। এ জাতীয় বিভাজন ইসলামী চেতনার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং রাসূলুল্লাহ স. নির্দেশের লঙ্ঘন। ইসলাম এসব জাহিলি প্রবণতা ও মানবসমাজের কৃত্রিম ভেদাভেদকে নির্মূলে বদ্ধপরিকর। তাই গৃহের মালিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যা খাবে গৃহকর্মীকেও তা খাওয়াতে হবে, তারা যা পরিধান করবে তাদেরকেও তা পরতে দিবে। যেমন আবু যর রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন, তোমাদের যদি কোন সেবক থাকে তাহলে তোমরা যা খাবে তাকে তা খাওয়াবে এবং তোমরা যে মানের পোশাক পরিধান করবে তাকে ও তা পরাবে। তাদের মধ্যে যার সাথে তোমাদের বনিবনা হবে না তাকে স্বাধীন করে দাও। তবুও আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে কষ্ট দিও না। আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন: গৃহকর্তার উপর গৃহকর্মীর তিনটি অধিকার রয়েছে। তাকে তার সালাতে তাড়াহুড়ো করতে বলবে না, খাওয়া অবস্থায় উঠিয়ে দিবে না এবং তাকে পূর্ণ তৃপ্তির সাথে খেতে দিবে।
গৃহকমীর ত্রুটি-বিচ্যূতি হলে ন্যায়বিচার ও ক্ষমা পাওয়ার অধিকার: মানব জীবনের সৌন্দর্য, চারিত্রিক উৎকর্ষ, পারস্পরিক হক আদায় ও অন্যায় অনাচার থেকে বাঁচার অন্যতম হাতিয়ার হলো ক্ষমা প্রদর্শন। ক্ষমার গুনে গুণান্বিত হলে মানুষ আল্লাহ ও বান্দা সবার কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে। ক্ষমাশীলদের জীবন কল্যাণ, বরকত ও পুণ্যতায় ভরে ওঠে। ক্ষমা করা মুত্তাকীয় পরিচয়। ক্ষমা দুনিয়া আখিরাতে মুক্তির চাবিকাঠি। আল্লাহ তাআলা মুত্তাকিদের পরিচয় বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে। বস্তুত, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. কুরাআনের আয়াত মন্দকে ভালো দ্বারা দমন কর সম্পর্কে বলেন, এর প্রকৃত মর্ম হলো: আল্লাহ মুমিনদের  নির্দেশ দিয়েছেন, ক্রোধের সময় ধৈর্যধারণ এবং অন্যের খারাপ আচরণের সময় ক্ষমা ও বিনয় অবলম্বন করার। যখন মানুষ এই নীতি অবলম্বন করবে, তখন আল্লাহ তাআলা তাদের বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করবেন এবং শত্রুদের এমন ভাবে অনুগত করে দেবেন, যেন তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অন্য এক হাদিসে বর্ণিত, এক সাহাবি রাসূলুল্লাহ স. কে জিজ্ঞেস করলেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ স. আমরা গৃহকর্মীকে কতবার ক্ষমা করব? রাসূলুল্লাহ স. চুপ থাকলেন। প্রশ্নকারী আবার জিজ্ঞেস করলেন, এবারও আল্লাহর রাসূল স. চুপ থাকলেন। তৃতীয়বার প্রশ্নের উত্তরে বললেন, প্রতিদিন সত্তরবার ক্ষমা করবে।
গৃহকর্মীকে কষ্ট দেওয়া নিষিদ্ধ। রাসূলুল্লাহ স. শ্রমিকদের অপমান করা, আঘাত করা কিংবা তাদের প্রতি বদ্ দোয়া করার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন। আবু মাসউদ আনসারী রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন; একদা আমি আমার এক গোলামকে প্রহার করছিলাম, এমতাবস্থায় পেছন থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পেলাম, জেনে রাখো! হে আবু মাসউদ। রাগের কারণে আমি সে আওয়াজ ভালোভাবে শুনিনি। আমার কাছে আসার পর দেখলাম স্বয়ং আল্লাহর রাসূল স. বলেছেন জেনে রাখো! হে আবু মাসউদ! জেনে রাখো! হে আবু মাসউদ! বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি হাত থেকে লাঠিটা ফেলে দিলাম। অতএব রাসূলুল্লাহ স. বলেন, জেনে রাখো! হে আবু মাসউদ, তুমি তার উপর যতটুকু ক্ষমতাবান, তার চেয়েও বেশি আল্লাহ তা‘আলা তোমার উপর ক্ষমতাবান। তিনি বলেন, এরপর আমি বললাম, আমি আর কখনো কোন গোলামকে প্রহার করব না।
রাসুলুল্লাহ স. তাদেরকে বদদোয়া করতে নিষেধ করেছেন। জাবির ইবনু আবাদিল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী স. বলেছেন: তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করো না, সন্তানদের বদদোয়া করো না, গৃহকর্মীদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করো না এবং তোমাদের সম্পদের বিরুদ্ধে দোয়া করো না। উত্তম ও মানবিক আচরণ পাওয়ার অধিকার: রাসূলুল্লাহ(স.) গৃহ শ্রমিকদের সাথে মানবিক আচরণ করার মাধ্যমে জানিয়েছেন, তাদের প্রতি দয়াদ্র হতে বলেছেন। প্রিয় রাসূল স. আমাদের অধীনস্ত ও সেবকদেরকে ভাইয়ের মর্যাদা দিতে বলেছেন।
আবূ হুরায়রা রা. এর বর্ণিত নবীজী র্ইশাদ করেন: তোমাদের গৃহকর্র্মী বা খাদেমরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনস্ত করে দিয়েছেন। সুতরাং কারো অধীনে কারো ভাই থাকলে সে যা খায় তাকে যেন তা খাওয়ায়, সে যা পরিধান করে তাকে যেন তা পরতে দেয় এবং তাদের উপর তোমরা সাধ্যাতীত কাজ চাপিয়ে দিবে না। যদি তোমরা তাদেরকে কোন কাজ দাও তবে তাদেরকে সাহায্য করো। দয়ার্দ্র আচরণের প্রতি উৎসাহ দিয়ে রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন: দয়াকারীকে অতিশয় দয়ালু (আল্লাহ) দয়া করেন, পৃথিবীতে যারা আছে তোমরা তাদের প্রতি করুণা করো, তাহলে আকাশে যে সত্তা আছেন তিনি তোমাদের প্রতি করুণা করবেন। দ্রুত পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকার: রাসূলুল্লাহ স. কোন জুলুম ও কালক্ষেপন না করেই শ্রমিক বা খাদেমকে তাদের পারিশ্রমিক প্রদান করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ঘাম শুকানোর আগেই তোমরা শ্রমিকের পারিশ্রমিক দিয়ে দাও।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ