শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষে কি হতে পারে পৃথিবীর

এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য স্থানান্তরের জন্য প্রতিনিয়ত বহিরাগত যন্ত্রগুলো (এক্সটার্নাল ডিভাইস) বেশ কাজে লাগে। কিন্তু বাদ সাধে যখন এতে তথ্য স্থানান্তর (ট্রান্সফার) হতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সময় লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ বহিরাগত যন্ত্রে তথ্য স্থানান্তরে জন্য ডিফল্টভাবে ছঁরপশ ৎবসড়াধষ তথ্য স্থানান্তর পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে। এর ফলে রাইট ক্যাশিং পদ্ধতি বন্ধ হয়ে যায় এবং স্থানান্তর বেশ ধীরে হয়ে থাকে। তাই কাজ হবে ছঁরপশ ৎবসড়াধষ তথ্য স্থানান্তরকে বন্ধ রেখে ইউএসবিতে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলোর স্থানান্তরের গতি বাড়াতে ইবঃঃবৎ ঢ়বৎভড়ৎসধহপব পদ্ধতি সক্রিয় করা।
যা করবেন : ব্যবহৃত পেনড্রাইভ বা এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভকে ইউএসবিতে লাগিয়ে নিন। উইন্ডোজ সাতের পরের যেকোনো উইন্ডোজের জন্য ডরহ কবু + ঊ একসঙ্গে চেপে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার চালু করুন। এবার অখঞ + উ একসঙ্গে চাপলে অ্যাড্রেসবারের পাথ সিলেক্ট হবে। এটি কেটে দিয়ে সেখানে ফবাসমসঃ.সংপ লিখে এন্টার চাপুন। ডিভাইস ম্যানেজার চালু হলে এখানের তালিকার উরংশ ফৎরাবং-এ দুই ক্লিক করে বিস্তৃত (এক্সপেন্ড) করুন। এখানে আপনার কম্পিউটারে লাগানো পেনড্রাইভ বা বহিরাগত যন্ত্রের ড্রাইভ দেখা যাবে। কাঙ্ক্ষিত মডেল দেখে নিয়ে তার ড্রাইভে দুই ক্লিক করলে এর প্রপার্টি খুলবে। এবার প্রপার্টি উইন্ডোর পলিসিজ্ ট্যাবে ক্লিক করুন। জবসড়াধষ ঢ়ড়ষরপু এর অধীনে থাকা ইবঃঃবৎ ঢ়বৎভড়ৎসধহপব এর রেডিও বাটনে ক্লিক করে সেটিকে নির্বাচন করুন। এর ঠিক নিচের ডৎরঃব-পধপযরহম ঢ়ড়ষরপু এর অধীনের ঊহধনষব ৎিরঃব পধপযরহম ড়হ ঃযব ফবারপব এর পাশে ক্লিক করে টিক দিয়ে ওকে চাপলেই কাজটি সম্পন্ন হবে। অনেক যন্ত্রেই ক্যাশিং পদ্ধতিটি সমর্থন না-ও করতে পারে, তবে আধুনিক অধিকাংশ যন্ত্রেই এটি সমর্থন করে এবং এর ফলে তথ্য স্থানান্তর গতিও বাড়বে। তবে প্রতিবার তথ্য স্থানান্তর শেষে ইউএসবি থেকে যন্ত্রটি খোলার আগে ঝধভবষু জবসড়াব ঐধৎফধিৎব অপশনটি ব্যবহার করে খুলতে হবে। তাই তথ্য নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রতিবার স্থানান্তর শেষে টাস্ক বারে গিয়ে ঝধভবষু জবসড়াব ঐধৎফধিৎব ব্যবহার করুন অথবা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে গিয়ে পেনড্রাইভ বা এক্সটার্নাল যন্ত্রে ডান ক্লিক করে ঊলবপঃ-এ ক্লিক করুন এবং কাজ শেষে যন্ত্রটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে নিয়ে অন্য কম্পিউটারে ব্যবহার করুন।
- ইন্টারনেট
আমাদের এই পৃথিবীর উপর আছড়ে পড়তে পারে বিশাল গ্রহাণু, এমন কথা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন, সত্যিই যদি তেমন কিছু ঘটে তবে সেদিন কি পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে? সবাই মারা যাবে? নানা জনে নানা ভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
নতুন এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়েছে, বড় আকারের কোন গ্রহাণুও যদি এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তারপরেও পৃথিবীর সব প্রাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই। এমন কি, অন্য কোন গ্রহের সাথে যদি এই পৃথিবীর সংঘর্ষও হয়, তারপরেও সব ধরনের প্রাণ পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না।
অক্সফোর্ড এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একসাথে এই গবেষণাটি চালিয়েছেন। তারা বলেছেন, এরকম পরিস্থিতিতে আণুবীক্ষণিক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কিছু প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে। সাড়ে ছয় কোটি বছর আগের এ রকম এক ঘটনায় পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো অতিকায় এক প্রাণী ডায়নোসর।
বলা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এ ছিলো এক নাটকীয় ঘটনা। কারণ একটা সময় ছিলো এই প্রাণীটিই পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে প্রায় ১৫ কোটি বছর ধরে। কিন্তু এই প্রাণীটির অস্তিত্বও ওই গ্রহাণুর আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই গবেষণার সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা বলছেন, টারডিগ্রেইডস নামে পরিচিত একটি প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে যারা যে কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয় বিস্ফোরণের সাথেও খাপ খাইয়ে নিতে পারে। গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে সবাই নিশ্চিহ্ন হলেও অর্থাৎ প্রলয় ঘটলেও এই টারডিগ্রেইডসদের কিছু হবে না। এরা বেঁচে থাকতে পারে মহাকাশের বিশাল শূন্যতার ভেতরেও। শুধু উচ্চ তাপমাত্রা নয়, এমনকি মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো প্রচ- ঠা-ার মধ্যেও বহু বহু বছরেও তাদের মৃত্যু হয় না।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মৃত্যু বা বিনাশকে জয় করতে পারে এরকম প্রাণী আমাদের সৌরজগতের অন্য কোথাও হয়তো আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।
-ইন্টারনেট

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ