বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
Online Edition

শিল্প মন্ত্রণালয়ের টিমের দায়সারা তদন্তে ক্যাবের ক্ষোভ!

চট্টগ্রাম অফিস: খাদ্য ও ভোগ্য পণ্যের মান নিশ্চিতকরণে বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়ের অনিয়ম দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তদন্তে গঠিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিমের দায়সারা তদন্তে ক্যাব  ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গতকাল ক্যাবের এক বিবৃতিতে বলা হয়,খাদ্য ও ভোগ্য পণ্যের মান নিশ্চিতকরণে বিএসটিআই চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের সাবেক উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ইসহাক আলী সহ অনান্যদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তদন্তে গঠিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ মশিউর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম প্রথম দফায় বিগত ১৮ মে সরেজমিনে তদন্তে আসলে তদন্ত চলাকালে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে তদন্ত না করার ঘোষণা প্রদান করলে ক্যাব নেতৃবৃন্দের প্রবল প্রতিবাদের মুখে সর্বশেষে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসের অনিয়ম ও মাসিক মাসোহারার সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেন। যা ১৮ মে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ও পরবর্তীতে ১৯ মে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। যেখানে ভিডিও চিত্রে সরাসরি ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে আরো অধিকতর তদন্তের জন্য ৯-১০ জুলাই ২য় দফায় তদন্তের বিষয় শিল্প মন্ত্রণালয় ক্যাব, বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসকে জানালেও তদন্ত টিমের প্রধান শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মশিউর রহমান ১২ জুলাই চট্টগ্রাম আসেন এবং অনেকটা গোপনে তদন্ত পরিচালনার চেষ্ঠা করলে ১৩ জুলাই ক্যাব  নেতৃবৃন্দ বিষয়টি অবহিত হলে মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ক্যাব  যে সমস্ত অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তার সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্ঠা করছেন। একই সময়ে বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী উনার সাথে যোগাযোগ করলে তাদের কাছে কোন তথ্য প্রদানে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন। পরবর্তীতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ তদন্ত টিমকে অনুসরণ করতে দেখতে পান তিনি রিকসায় করে বিএসটিআই এর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তাকে নিয়ে চট্টগ্রামের কিছু এলাকা প্রদক্ষিণ করে, কিছু কেনা কাটা করে বিকালের ফ্লাইটে ঢাকা চলে যান। বিষয়টিতে ক্ষোভ জানিয়ে ক্যাব নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন যে কোন তদন্ত বিচার প্রক্রিয়ার অংশ। আর বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযোগকারী ও অভিয্ক্তু উভয়ের উপস্থিতি ও যুক্তি তর্ক উপস্থাপন ও খন্ডনের বিধান থাকা আবশ্যক। সেখানে একটি পক্ষের লোকজনকে নিয়ে তদন্ত পরিচালনার অর্থ তদন্ত টিম প্রকৃত সত্যকে আড়াল করার জন্য হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার মানষিকতা। অন্যদিকে গণমাধ্যমে তথ্য সরবরাহে অপারগতাও তদন্তকারী কর্মকর্তার উদ্দেশ্য সৎ নয়। কারণ যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যাবতীয় কর্মকান্ড, এমনকি বিচারাঙ্গনের বিচার কার্যক্রম পর্যন্তও গণমাধ্যমকে আড়াল করা হয় না। সেকারণে তদন্ত কর্মকর্তা বিএসট্আিই এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা যারা চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়কে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করে অনিয়মের সাথে জড়িত এবং বিএসটিআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সাবেক উপ-পরিচালক(সিএম) এবং বর্তমানে প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক(সিএম) ইসহাক আলীর নেতৃত্বে দীর্ঘ ১২ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মকে ধামা চাপা দেবার জন্য লোক দেখানো তদন্তের নামে দেশের জনগণ ও ভোক্তভোগীদের কাছে তামাশা করছেন যা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনসহ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যেমে স্ষ্ঠুু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা- ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন বিএসটিআই এর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সাবেক উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ইসহাক আলীর নেতৃত্বে বিগত ১২ বছরে চট্টগ্রাম কার্যালয়কে দুর্নীতি ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত করেছেন। বিশেষ করে লাইসেন্স প্রাপ্তিতে বিপুল অনিয়ম, টাকা ছাড়া কোন পণ্যের মান যাচাই সনদ পাওয়া যায় না, ১০-১৫ হাজার টাকা ছাড়া লাইসেন্স জন্য আবেদন করা যায় না, লাইসেন্স প্রদানে গড়িমসি, অবৈধ কোম্পানিগুলির সাথে মাসিক মাসোহারায় চুক্তিতে ব্যবসা করা, প্রতিদিন ফেনী, কক্সবাজার, রাঙ্গামিটি, খাগড়াছড়ি সহ বিভিন্ন জেলা থেকে বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসে উৎপাদনকারীরা দই, মিস্টি, পাউরুটি, সরিষার তৈল নিয়ে আসে, আর বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসে বসে তা সিলগালা করে লেভেল লাগিয়ে ল্যাবে পাঠানো এবং আর এ সমস্ত কোম্পানি গুলির সাথে মাসিক চুক্তি ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালিত হয়। আর ৮,০০০/- সরিষার তৈল, ২০,০০০/- বিস্কুট, পাউরুটি, কেক, দই ১৫,০০০/-যারা কন্ট্রাক্টএ লাইসেন্স প্রদান করা, কোন কারণে নমুনা পরীক্ষায় অকৃতার্য ফলাফল হলে তা সম্পর্কে সংস্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয় না, বিএসটিআই লাইসেন্স প্রদানের চেয়ে, না দিয়ে সংস্লিষ্ঠ(লাইসেন্সবিহীন) প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে মাসিক মাসোহারার চুক্তিতে বেশী আগ্রহী, সেকারণে লাইসেন্স প্রদানে অনেকগুলি প্যারামিটার ও শর্ত যোগ করে অবৈধ কোম্পানিগুলিকে নিরাপদে ব্যবসা করার জন্য সুযোগ করে দিচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম শহরে ১২০-১০০টি মিনারেল ওয়াটার কোম্পানির লাইসেন্স ছিল বর্তমানে তা ১৮-২০টিতে নেমে এসেছে। আর অধিকাংশ ফ্যাক্টরি এখন মাসিক মাসোহারা ভিত্তিতে চলছে। চট্টগ্রামের অধিকাংশ বেকারির বিএসটিআই লাইসেন্স নেই, প্রতিটি বেকারি পণ্যের গায়ে বিএসটিআই’র লগু লাগানো থাকলেও বেকারি পণ্যের বাজারজাত হলে লাইসেন্স প্রদান করা হয় না এবং উক্ত কারখানার নমুনা পরীক্ষা করা হয় না। প্রতিবছর ঈদ ও রমজানের পুর্বে ৫০ হাজার থেকে দুই লক্ষ টাকায় লাচ্ছা সেমাই, নুডুলস, চুটকি ইত্যাদি মৌসুমী পণ্যের বিএসটিআই এর লাইসেন্স প্রদান করা, ভোজ্য তেল সয়াবিন ও পাম্প অয়েল এর আমদানিকারক চট্টগ্রামে ২৫টিরও বেশী উৎপাদনকারী এবং ৫০টির বেশী ব্রান্ডের বাজারজাত হলেও বিএসটিআই অফিস থেকে লাইসেন্স না দিয়ে মাসিক মাসোহারা হারে কারখানা পরিচালনা করছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানীকৃত খাদ্য, পানীয় প্রতিদিন  সন্ধ্যায় ৫ টার পরে বিনা পরীক্ষায় ডকুমেন্ট হিসাবে অর্থের বিনিময়ে সিএনএফ এজেন্ট এর কর্মীদের মাধ্যমে ছাড়পত্র প্রদান করছে। চট্টগ্রামে গুড়ো দুধ বা পাউডার দুধ আমদানিকারক ২৯টি কোম্পানি স্থানীয় ভাবে বাজারজাত করছে। সবগুলি পাউডার দুধ আমদানীকারকরা বিএসটিআই অফিসের সাথে মাসিক চুক্তিতে ব্যবসা করছে। বিএসটিআই ওয়েবসাইট ও তাদের অফিসের ১৬৬টি পণ্যের লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তালিকা নেই। যার কারণে জনগণ ও ভোক্তারা জানতে পারছে না কোন কোন প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স প্রাপ্ত আর কোনগুলো লাইসেন্সবিহীন। দেশের ভোগ্য পণ্যের বাজারে অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন পণ্যে বাজায় সয়লাব, ফলে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অপর দিকে উদ্যোক্তাদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য ওয়ান স্টেপ সার্ভিস নামে একটি সেবা বিএসটিআই অফিসে চালু করা হলেও দরখাস্ত জমা দিতে গেলেও কোন কর্মকর্তার রেফারেন্স ছাড়া আবেদনপত্র ও এমনকি চিঠিও গ্রহণ করা হয় না। বিএসটিআই অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিএসটিআই থেকে লাইসেন্স গ্রহনের পর ৬ মাস অন্তর অন্তর মার্কেট সার্ভিলেন্স করে ঐ পণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা করে দেখার কথা। কোন ত্রুটি পেলে সংস্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলি ও ভোক্তাদেরকে অবহিত করার কথা থাকলেও অদ্যবদি এ কাজটি একেবারেই করা হচ্ছে না। জেলা প্রশাসন ও র‌্যাব বাজারে অভিযান পরিচালনা করলে তারা টেকনিক্যাল হ্যান্ড হিসাবে সেখানে বিএসটিআই প্রতিনিধিরা যুক্ত থাকেন। তারা জেলা প্রশাসন ও র‌্যাবের অভিযানকে তাদের অভিযান বলেও অনেক সময় চালিয়ে দিয়ে সরকারকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে থাকেন। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অফিসের আওতায় খাদ্য, পানীয়, বৈদ্যুতিক, বেকারি পণ্যের লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কোন তালিকা নেই। এমনকি চট্টগ্রামে কতজন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সয়াবিন, পানি, দুধ পাউডার, বেকারি, বৈদ্যুতিক পণ্য এনে বিক্রি করেন তার কোন তালিকা নেই। ফলে যে যেভাবে পারে ভেজাল পণ্যের ব্যবসা করে যাচ্ছে। এছাড়াও লাইসেন্স বিহীন প্রতিষ্ঠানের কোন তথ্য নেই। যার কারণে শিশু খাদ্য, সয়াবিন, জুস, পানি, পাউডার দুধের রমরমা ব্যবসা চলছে চট্টগ্রামসহ পুরো দেশে। কিন্তু এগুলো দেখার কেউ নেই। চট্টগ্রামে ফ্রান্স থেকে খাবার পানি(ঊারধহ ধিঃবৎ), গঁংধভর জুস, জবফ ইঁষষ এনর্জি ড্রিংকস, উৎঁহশ জ্যাম জেলি, গঁহপযু নরংপঁরঃ প্রতি মাসে ২০-২৫ কন্টেইনার আমদানি হয়। বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিসে পানি বা জুস পরীক্ষার কোন ল্যাব না থাকলেও তারা চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এ সমস্ত খাদ্য ও পানীয়গুলি খালাস করার অনুমতি/ছাড়পত্র প্রদান করছে, এমনকি পাউডার দুধের কতজন আমদানিকারক আছেন তার কোন সুনিদিষ্ঠ তালিকাও তাদের কাছে নেই। লাইসেন্স বিহীন অসংখ্য খাদ্য পণ্যের বাজার সয়লাব হলেও তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত জুস, এনার্জি ড্রিংকস, কোমল পানীয় আমদানির পর বিএসটিআই চট্টগ্রাম অফিস হতে দ্রুত ছাড়পত্র গ্রহণ করে বন্দর থেকে ডেলিভারি হলেও বিএসটিআই চট্টগ্রাম ল্যাবে তা পরীক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই। পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে ভরপুর। বিদেশ থেকে আমদানিকারক ও ক্রেতারা যারা চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য খালাস করে তারা প্রতিদিন বিকাল ৫ টার পরে তাদের সিএনএফ এজেন্টরা পণ্যের নমুনা নিয়ে বিএসটিআই অফিসে হাজির হয়। সেখানে সাবেক উপ-পরিচালক (মান) প্রকৌশলী ইসহাক আলীর আত্মীয় সাখাওয়াত, মোস্তাক ও পারুল নামে ২জন কর্মকর্তাকে এ সমস্ত পণ্যের খালাসে অনুমতি প্রদানের জন্য দায়িত্ব প্রদান করেছেন যারা প্রতিদিন বিনিময় দিয়ে শত শত সিএনএফ এজেন্ট এর আমদানিকৃত পণ্য কোন প্রকার পরীক্ষা ছাড়াই ছাড়পত্র প্রদানের জন্য সিল মারছে। বারংবার তাগাদা দেবার পরও তারা সধৎশবঃ ংঁৎাবরষষধহপব ও লাইসেন্স প্রদানকৃত কোম্পানিগুলির পণ্যগুলির মান যাচাইয়ের জন্য কোন অভিযান পরিচালনা করছে না। ফলে তারা যাদেরকে লাইসেন্স প্রদান করছে সে সমস্ত কোম্পানিগুলিকে লাইসেন্স পাবার পর তাদের পণ্যের মান কি রকম হচ্ছে তা যাচাই করা হচ্ছে না। অন্যদিকে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলি কর্মকান্ড প্রতিনিয়তই বাড়ছে। অনেকে প্যাকেটের গায়ে বিএসটিআই এর ভুঁয়া লগো ছাপিয়ে অবাধে বিক্রি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে মাসিক চুক্তিতে কাজ চলছে বলে অনেকেই আমাদেরকে জানিয়েছেন। বাজারে সকল ডিজিটাল স্কেল কেলিব্রেশন না করা এবং বাজারে দুধ, তেল, সেমাই, চা পাতা, নুডুলস ইত্যাদি ওজনে কম দিলেও ২০০ গ্রামে ১৮০ গ্রাম, ১ কেজিতে ৯৫০ গ্রাম দেয় হলেও কোন তদারকি নেই, ডিজিটাল স্কেল দিয়ে স্বর্ণের দোকান, মসলার দোকান, তোলা, ভরি ইত্যাদি পরিমাপ করা হলেও তাদেরকে কেলিব্রেশন ্এর জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। এ নিয়ে এপর্যন্ত কোন অভিযান পরিচালনা করা হয়নি এবং কোন মামলা হয়নি, পণ্য পরিবহনের জন্য গাড়ী, কাপড় মাপার জন্য স্কেল, পেট্রোল পাম্পগুলির ওজন পরিমাপক যন্ত্রগুলো নিয়মিত পরিক্ষা করার কথা থাকলেও তাদের সে বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেই, ভেজাল ও নি¤œ মানের ঘি বাজারজাত করতে বাবুর্চিদের প্রতি কৌটাতে ২০০-৩০০ টাকা কমিশন প্রদান করছে। বাবুর্চিরা মাসিক মাসোহারা ও কমিশনের ভিত্তিতে এগুলো বিয়ে বৌ ভাত, আকিকা, মেহেদী অনুষ্ঠান, অন্নপ্রশন, বিভিন্ন পার্টিতে এ সমস্ত ঘি ব্যবহার করছে। এ সমস্ত ভেজাল ঘি এর কারণে প্রকৃত ও মানসম্মত ঘি এর দাম দিগুণ হলেও বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ এ সমস্ত ভেজাল ঘি এর বিরুদ্ধে কোন বক্তব্য বা অভিযান পরিচালনা করছে না। এ সমস্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিগত ২৮ নভেম্বর ২০১৬ইং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে শিল্প সচিব বরাবরে অভিযোগগুলি উপস্থাপন করা হলে বিগত ১৭-১৮ মে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তদন্ত টিম চট্টগ্রামে এসে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখেন। বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেন তারা হলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসসিন সুলতানা পারু, সহ সভাপতি ইকবাল আলী আকবর, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ম সম্পাদক এএম তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবদুল মান্নান প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ