সোমবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৩
Online Edition

দশম সংসদে আটটি বেসরকারি বিলের ছয়টি নাকচ

 

সংসদ রিপোর্টার: দশম জাতীয় সংসদে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত আটটি বেসরকারি বিল উত্থাপিত হয়। এর মধ্যে ছয়টি বিল নাকচ করে দিয়েছে ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি’। বাকি দুটি বিল সংশ্লি¬ষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার সংসদে উপস্থাপিত বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির প্রথম প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। কমিটির সভাপতি জিল¬ুল হাকিম সংসদে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

মন্ত্রী ব্যতীত কোনো সাধারণ সংসদ সদস্য কোনো বিল উত্থাপন করলে সেটিকে বেসরকারি বিল বলা হয়। কোনো বেসরকারি সদস্য বিল উত্থাপন করলে তা ‘বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটিতে’ পাঠানো হয়। কমিটি বিল আলোচনা-পর্যালোচনা করে সংসদে পেশ করা না-করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

সংসদে উত্থাপিত বেসরকারি সদস্যদের বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) বিল ২০১৪, সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল ২০১৪, বাংলা ভাষা প্রচলন (সংশোধন) বিল ২০১৫, বিধি ও প্রবিধান প্রণয়ন ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১৫, সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল ২০১৪, জেলা জজ আদালত মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ (এখতিয়ার) বিল ২০১৫ এবং ইসরাফিল আলম উত্থাপিত বিদেশী নিবন্ধন বিল ২০১৫ ও অসংগঠিত শ্রমিক কল্যাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা (অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত) বিল ২০১৫।

 বেসরকারি বিলগুলোর মধ্যে জেলা জজ আদালত মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ (এখতিয়ার) বিল ২০১৫ এবং অসংগঠিত শ্রমিক কল্যাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা (অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত) বিল ২০১৫ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাকি বিলগুলো নাকচ করা হয়েছে।

এর আগে নবম সংসদে বেসরকারি সদস্যদের উত্থাপিত ১৪টি বিলের মধ্যে তিনটি বিল পাস হয়েছিল। পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে ছিল সাবের হোসেন চৌধুরীর দ্য লেপার্স (রহিতকরণ) বিল-২০১০, জাতীয় পার্টির মুজিবুল হকের ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ বিল-২০১৩’ ও নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ