বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

খুলনা জেলা বিএনপির টার্গেট এক লাখ

খুলনা অফিস : দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনা মোতাবেক সদস্য সংগ্রহ ও  নবায়ন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে খুলনা জেলা বিএনপি। এবার জেলার ৯ উপজেলা ও দুই পৌরসভা থেকে এক লাখ সদস্য সংগ্রহের টার্গেট রয়েছে তাদের। কারা বিএনপির সদস্য হবেন এবং কারা হতে পারবেন না-এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে সুর্নিদিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে চিঠি এসেছে। সেই চিঠির আলোকেই সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সদস্য সংগ্রহ অভিযান সফল করতে চারটি সাব কমিটি গঠন করেছে জেলা বিএনপি। জাতীয় নির্বাহী কমিটির শীর্ষ নেতাদের সময় পাওয়া সাপেক্ষে আগামী ৭ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির শুভ সুচনা হবে। কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য সম্ভাব্য ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে হোটেল টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল মিলনায়তন।
সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসুচি সফল করতে খুলনা জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা সোমবার সকাল ১০ টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা, উপজেলা, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন আমীর এজাজ খান, ডা. গাজী আব্দুল হক, খান জুলফিকার আলী জুলু, আব্দুর রশিদ, মনিরুল হাসান বাপ্পী, এস এ রহমান বাবুল, চৌধুরী কওসার আলী, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, এডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, সাইফুর রহমান মিন্টু, আবুল খয়ের খান, ডা. আব্দুল মজিদ, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মেজবাউল আলম, এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, খায়রুল হাসান জনি, ফারুক খন্দকার, নুরুল আমিন বাবুল, এডভোকেট জি এম আব্দুস সাত্তার, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, জিয়াউর রহমান জিকু, এস এম এমদাদুল হক, উজ্জল কুমার সাহা, শামীম কবির, সরদার আ. মতিন, আব্দুল মান্নান খান, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, সুলতান মাহমুদ, ইসমাইল খান, পুর্ণিমা চৌধুরী, আতাউর রহমান রনু, মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, জাবির আলী, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, শামসুল বারিক পান্না, কাজী মজানুর রহমান, আমিরুল ইসলাম তারেক, রফিকুল ইসলাম বাবু, সেতারা সুলতানা, শাহিনুর রহমান, মশিউর রহমান লিটন, মো. সেলিম সরদার, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, সাইফুল পাইক, শরিফুল ইসলাম বকুল, আইয়ুব মোল্লা, জাহাঙ্গীর গোলদার, শফিকুল ইসলাম, মুন্না সরদার, আজমল হুদা মিঠু, একরামুল ইসলাম, রেজাউল হক খোকন, বাদশা গাজী, এডভোকেট সকেন্দার প্রমুখ।
সভা থেকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। মিঠুর পিতা ও ভাইকে যারা হত্যা করেছিল এবং ইতিপুর্বে যারা একাধিকবার মিঠুকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে রক্ষার প্রয়াসের তীব্র নিন্দা জানানো হয় সভা থেকে। অবিলম্বে এই হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ও নেপথ্যের গডফাদারদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ