রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

জনবল সঙ্কটে খুলনা রেলওয়ের ট্রাফিক বিভাগের কাজে বিঘ্ন

খুলনা অফিস : খুলনা রেলওয়ের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট জনবল সঙ্কটে রয়েছে। এ কারণে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্ন হচ্ছে। একই সাথে কর্মরতদের ওপর পড়ছে অতিরিক্ত চাপ। এমনকি তাদের অনেক পদের নেই কোনই জনবল। এ জন্য সেখানে বাইরের শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা রেলওয়ে ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টে পাঁচ বছরের অধিক সময় ধরে জনবল সঙ্কট রয়েছে। কিন্তু তা পূরণের জন্য কর্তৃপক্ষের নেই কোন উদ্যোগ। ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে জনবল সঙ্কট। যার ফলে এই বিভাগের স্বাভাবিক কার্যক্রম দৈনন্দিন বিঘ্নিত হচ্ছে। সাধারণরত জনবলের অভাবে কর্মরতদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। যার ফলে তারা হয়ে পড়ে ক্লান্ত। একই সাথে যারা কর্মরত রয়েছেন তাদের অধিকাংশের বয়স ৪০-৫০ এর কোটায়। যার কারণে তারাও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে পড়ে। এছাড়া কর্মরতদের মধ্যে রয়েছে রোগাক্রান্ত জনবল। জনবল সঙ্কট পূরণের জন্য একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তাতে কোন ধরণের কাজ হয়নি।
খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার কাজী আমিরুল ইসলাম জানান, তিনি যোগদানের আগে থেকেই রেলওয়ের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টে রয়েছে জনবল সঙ্কট। এজন্য তাদের কাজে বিঘœ ঘটে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বার বার জানানোর পরেও কোন কাজে আসে না। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব এই ডিপার্টমেন্টে জনবল সঙ্কট পূরণের ব্যবস্থা করা জরুরি বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, রেলওয়ের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট ট্রেনের বগি সংযোজন, বিয়োজন, লাইন ঠিক করা, কেবিন দেখভাল, ইঞ্জিন কেটে আরেকটাতে লাগানো কাজগুলো করে থাকে। এই ডিপার্টমেন্টে ৪০টি পদে ১২৩ জন জনবল থাকার কথা। কিন্তু রয়েছে মাত্র ৭২ জন। এই বিভাগের ৭টি পদে ১২ জন জনবল জরুরি প্রয়োজন বলে জানা গেছে। একই সাথে বিভাগের ৯টি পদে কোনই জনবল কর্মরত নেই। এজন্য উক্ত পদগুলো জরুরি পূরণের আশা করেছেন খুলনা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এমনকি রেলওয়ের গার্ডের বাক্স ওঠানো-নামানোর জন্য নেই কোন পোর্টার। এজন্য একজন বাইরের শ্রমিক দিয়ে এই কাজ করানো হয়। পোর্টারের দায়িত্বে একজন মহিলা কর্মরত রয়েছে। যার দ্বারা বাক্স ওঠানো-নামানো সম্ভব নয় বলেও জানান খুলনা রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার। এভাবে রেলওয়ের ট্রাফিক ডিপার্টমেন্টকে ৫১ জন জনবল সঙ্কট নিয়ে দিন অতিক্রম করতে হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ