মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

পরিবেশের অনুকূলে বিশ্ব পদক্ষেপ নেয় আমরা নেই বিপরীতে

জিবলু রহমান : [ছয়]
২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর রাজধানী ঢাকা থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। ধাপে ধাপে এই প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের উদ্বোধনকাজও চলছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের কোম্পানি ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। ভারত প্রকল্পটি উত্তর প্রদেশে বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। প্রকল্প থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে জলাশয় থাকায় ভারতীয় আইনবিরোধী বলে সেখানে করতে পারেনি। ২০০৮ সালে ভারত সরকার এ প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করে। অথচ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। যেখানে আইন অনুযায়ী বনের ১৫ কি.মি এর মধ্যে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ স্থাপন নিষিদ্ধ। ভারতে এ ধরনের প্রকল্প করা হয় অনুর্বর ও পতিত জমিতে আর রামপালের এই স্থানটির ৯৫ শতাংশ সম্পূর্ণ উর্বর।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন কাজের শুরু থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদফতর এর বিরোধিতা করলেও অধিদফতরের ১০ জন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কয়েকটি শর্তে রহস্যজনকভাবে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট প্রকল্পের কাজ চালিয়ে নিতে একটি পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান করে। বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে আমদানিকৃত যন্ত্রের জন্য এলসি খোলা, ইনহাউজ এনভায়রনমেন্টাল মনিটরিং সিস্টেম তৈরি, প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ, প্রকল্পের তরল বর্জ রিসাইক্লিং ও জিরো ডিসচার্জ পরিকল্পনা দাখিল করা, সরকার অনুমোদিত রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল নীতি বাস্তবায়নসহ পরিবেশগত ছাড়পত্রের সকল শর্ত মেনে নেয়ার শর্তে ছাড়পত্রটি প্রদান করা হয়েছে।
২০১১ সালে ‘রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র’ বিষয়ে পৃথক দুইটি প্রতিবেদন জমা দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী। ড. আব্দুস সাত্তার তার প্রতিবেদনে বলেন, রামপালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হলে সুন্দরবনের ২৩ ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবনের সার্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ও এলাকার পরিবেশ সংকট সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, কয়লায় সালফার থাকায় পানিতে মিশলে তা ক্ষারে পরিণত হয়। বাতাসের মাধ্যমে এই সালফার ওজন স্তরে জমা হবে। এই সালফার যুক্ত পানি জলাশয়ে পড়লে মাছের মৃত্যু হবে। আর মাটিতে পরলে এর উর্বর ক্ষমতা কমে যাবে। এই সালফার বায়ু গ্রীষ্মের সময় ভারতে এবং শীতকালে বাংলাদেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন এক বছর গবেষণা করে সুন্দরবনের ক্ষতিসহ ২২টি বিষয়ের উপর জোর দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়-বিদ্যুৎ উৎপাদন, নগরায়ণ, শিল্পায়ণ, পরিবহণ, কর্মসংস্থান, ব্যবসাসহ ৭টি বিষয়ে তথাকথিত উন্নয়নমূলক পরিবর্তন হবে। তবে এই প্রকল্পের সম্ভাব্য উপকারিতা ১৯% এবং অবধারিত অপকারিতা ৮১%।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সাইকেল শোভাযাত্রায় বাধা দিয়েছে আওয়ামী ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী। পরে শোভাযাত্রা বের হলে জলকামান নিয়ে তাদের ধাওয়া করে পুলিশ। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে ছাত্র ইউনিয়নের এক নেতার হাত ভেঙে যায়। শাহবাগ ও তেজগাঁও থানায় অন্তত ১৩ জনকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
‘সুন্দরবন বাঁচাও সাইকেল মিছিল’ নামে ফেসবুকের একটি ইভেন্টে সাড়া দিয়ে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সাইকেল নিয়ে শহীদ মিনারে হাজির হন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আসার পথে নিউমার্কেট, প্রেসক্লাব ও ফার্মগেটে অনেককে আটকে দেয় পুলিশ। তাঁদের শহীদ মিনারের দিকে যেতে নিষেধ করে দেওয়া হয়। ১১ জন সাইকেল আরোহীকে তেজগাঁও থানায় আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
শহীদ মিনারে কর্মসূচি উদ্বোধন করার জন্য হাজির হন তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। এর কিছুক্ষণ পরই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানার নিয়ে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা শহীদ মিনারের চারপাশ ঘিরে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তাঁদের ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আমরা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চাই।’ (সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো ১ অক্টোবর ২০১৬)
১৮ অক্টোবর ২০১৬ ইউনেস্কো রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে তাদের যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে তারা এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে সুন্দরবনের চার ধরনের ক্ষতির আশংকা করেছে। এগুলো হচ্ছে-১. বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে কয়লা পুড়িয়ে। এই কয়লা পোড়ানোর পর সেখানে থেকে নির্গত কয়লার ছাইকে সুন্দরবনের পরিবেশের জন্য এক নম্বর হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ইউনেস্কোর এই প্রতিবেদনে।
২. বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত বর্জ্য এবং পানিকে দ্বিতীয় হুমকি গণ্য করেছে ইউনেস্কো।
৩. এই প্রকল্পকে ঘিরে সুন্দরবন এলাকায় যেভাবে জাহাজ চলাচল বাড়বে এবং ড্রেজিং করার দরকার হবে, সেটিও সুন্দরবনের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।
৪. আর সব শেষে বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে ঐ অঞ্চলের সার্বিক শিল্পায়ন এবং উন্নয়ন কর্মকা-ও সুন্দরবনের পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলবে।
২৬ অক্টেবর ২০১৬ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে জিয়া সাইবার ফোর্স  আয়োজিত ‘সুন্দরবন বাঁচাও, রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঠেকাও-’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচ্ছিন্নভাবে আন্দোলন করে সুন্দরবনের কাছে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বন্ধ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজকে তেল গ্যাস বিদ্যুৎ বন্দর রা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর আনু মুহাম্মদের নেতৃত্বে রামপাল বন্ধে যে আন্দোলন, বিএনপি সেই আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে। কাজেই তাদের (আনু মুহাম্মদ) উচিত হবে বিএনপির সমর্থন গ্রহণ করা এবং সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এগিয়ে যাওয়া। 
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রামপালের ব্যাপারে প্রথমে খুলনার জনগণকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং তার পরেই সমস্ত বাংলাদেশের মানুষ সম্পৃক্ত হবেন। একটা কথা অত্যন্ত পরিষ্কার, বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কিছু করা যাবে না। এই সরকার জনগণের মতামতের কোনো তোয়াক্কা করে না দেখেই আজকে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত তারা নিচ্ছে। সরকার মতার ‘দখলে থাকতে’ রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র করার জন্য ভারতের কাছে কমিটেড (প্রতিজ্ঞাবদ্ধ)-এই মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা (আওয়ামী লীগ সরকার) ভারতের কাছে কমিটেড। সেজন্য জনগণের বিরোধিতা সত্ত্বেও তাদের মতামতকে উপো করে রামপালের মতো গণবিরোধী এই প্রকল্প করা হচ্ছে। তাদের অবস্থান এমন, যে করেই হোক, যত বাধাই আসুক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হবেই।
 ভারত সরকার জনগণের বিরোধিতার মুখে তাদের দেশে কয়লাভিত্তিক এই প্রকল্প করতে পারেনি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভারত ইচ্ছা করে সুন্দরবন ধ্বংস করার জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। ভারত সরকার জনগণের সরকার। সেজন্য জনগণের দাবিকে সম্মান করে। কিন্তু দেশে বর্তমান মতাসীন যে সরকার আছে তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সেজন্য তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই। শুধু সুন্দরবন রক্ষা নয়, বাংলাদেশেকে রক্ষার জন্য রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা প্রয়োজন। কিছুদিন আগে বিশ্বব্যাংক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে। আজকে আমরা নিজেরাই জলবায়ুকে ক্ষতিগ্রস্ত করছি, আমাদের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছি। এদের কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই।
তিনি বলেন, পশ্চিমা বিশ্বসহ সব দেশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ক্ষতিকর দিক বিবেচনায় নিয়ে তা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। কারণ এই ধরনের বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে সংসদে আলোচনা না হওয়ার সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সংসদে এই বিষয়টি আসেনি। কারণ সেখানে যে বিরোধী দল আছে তারা গৃহপালিত। তারা সরকারের থাকায় এ নিয়ে আলোচনা করে না। তেলগ্যাস কমিটি সুন্দরবনের কাছে কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্ব^রে একই দাবিতে সুন্দরবন অভিমুখে লংমার্চ করেছিল তেলগ্যাস রক্ষা কমিটি। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে দাবি করছেন তারা। (সূত্র : দৈনিক দিনকাল ২৭ অক্টেবর ২০১৬)
১২ নভেম্বর ২০১৬ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক সুলতানা কামাল বলেছেন, রামপালে প্রস্তাবিক কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে প্রচারিত সরকারি বিজ্ঞাপন বিভ্রান্তিকর। মিথ্যা তথ্যের ওপর নির্মিত বিজ্ঞাপন দিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। এটা অবশ্যই বন্ধ করা উচিত।
সুলতানা কামাল বলেন, সব দিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মক ক্ষতিকর। জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন সচেতন মানুষের কাছে এ প্রকল্প গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, সুন্দরবন প্রশ্নে সরকারের অবস্থান আর জলবায়ু প্রশ্নে তাদের আকাক্সক্ষা পরস্পরবিরোধী।
নিজেদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে। কিন্তু একটি মহল ভুল তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে। এ বিষয়ে বিশেষ ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অপসারণ দাবি করেন তিনি।
মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে সুন্দরবন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের চেয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রকল্প অবশ্যই অন্য এলাকায় সরিয়ে নিতে হবে। ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, আলট্রা সূপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও তা সুন্দরবনের ধ্বংস রোধ করতে পারবে না। অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ বলেন, যারা সরকারকে বোঝাচ্ছে রামপালে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না, তারা সরকার ও জনগণের শত্রু।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রামপালের বিরুদ্ধে ইউনেস্কোর প্রতিবেদন জাতিসংঘের মহাসচিব অনুমোদন করেছেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন ও পরিবেশ কখনোই পরপস্পরবিরোধী নয়। (সূত্র : দৈনিক সমকাল ১৩ নভেম্বর ২০১৬)
২৬  জানুয়ারি ২০১৭ রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, সুন্দরবনবিনাশী সব চুক্তি বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে রাজধানীতে ডাকা আধা বেলা হরতাল চলাকালে শাহবাগে হরতাল-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে, জলকামান ব্যবহার করে। তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি সকাল ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এই হরতাল ডেকেছিল। জাতীয় কমিটি দাবি করেছে, পুলিশের হামলায় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। শাহবাগসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ