শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

যশোরে নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোয়া

যশোর সংবাদদাতা : সিয়াম সাধনের মাস রমযানে যশোরে নিত্য পণ্যের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে ডাল ছোলা তেল ও ফার্মের মুরগির দাম। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন-যাত্রা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।
যশোরে বড় বাজারে প্রথম রোজায় দেশী চিকন দানার মসুর ডাল প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছিল ১১০ টাকা, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে গতকাল বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। আমদানিকৃত অস্ট্রেলিয়ার মোটা দানার মসুর ডালের কেজি প্রথম রোজায় বিক্রি হয়েছিল ৭০ টাকা, এ দু সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে গতকাল বিক্রি হতে দেখা গেছে ৮০ টাকায়। মুগের ডাল প্রথম রোজায় বিক্রি হয়েছিল ১১০ টাকা, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে গতকাল বিক্রি হতে দেখা গেছে ১২০ টাকা। প্রথম রোজায় দেশী ছোলা বিক্রি হয়েছিল ৮২ টাকা, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ৮ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা। খোলা সয়াবিন তেল প্রথম রোজায় বিক্রি হয়েছিল ৮৮ টাকা কেজি, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ২ টাকা বেড়ে গতকাল ৯০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সুপার তেল প্রথম রোজায় বিক্রি হিেছল ৮২ টাকা কেজি, গতকাল কেজিতে আরও ৩ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। রোজার প্রথম দিন ফার্মের ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছিল ১৪৫ টাকা, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে গতকাল ১৫০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফার্মের লেয়ার মুরগি প্রথম রোজায় বিক্রি হয়েছিল ১৮০/১৯০ টাকা কেজি, গত দু সপ্তাহে কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে গতকাল বাজারে ২২০/২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এদিকে বিদেশ থেকে চাল আমদানি হওয়ায় সপ্তাহব্যাপী যশোর বাজারে  চালের দাম স্থির রয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে চালের দাম আর বাড়েনি। গতকাল বড় বাজার চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা চাল রতœার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৭/৩৮ টাকা, অবশ্য ভালোমানের রত্নার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা। কাজল লতার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা, সুবল লতার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা, মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৪৬/৪৮ টাকা, বাংলামতির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২/৫৪ টাকা।
গত দু সপ্তাহ ধরে দাম স্থির রয়েছে আলু পিঁয়াজ রসুন আদা ও শুকনো ঝালের। গতকাল যশোর বড় বাজারে কার্ডিনাল আলুর কেজি বিক্রি হয়েছে ১৮ টাকা, ডায়মন্ড আলুর কেজি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকা, দেশী পিঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা আমদানিকৃত ভারতীয় পিঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৮ টাকা, দেশী রসুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, আমদানিকৃত রসুনের কেজি বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা, দেশী আদার কেজি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা, আমদানিকৃত আদার কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা আর শুকনো ঝালের কেজি বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা। বাজারে মুরগির ডিমের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। ফার্মের মুরগির সাদা ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ২৬ টাকা, লাল ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ২৮ টাকা, দেশী মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা আর লাল ডিমের বক্স (এক ডজন) বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা।
এদিকে যশোর বড় বাজার মাছ বাজারে প্রতিদিনই কমবেশি ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। গতকাল তাজা ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৫০০/১৬০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছে ৯০০/১০০ টাকা, ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকা। আর হিমায়িত ইলিশ ৩টায় কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা। মাংসের দামও এ সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৭০/৪৮০ টাকা, খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকা আর ছাগীর মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ