বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

নতুন কিউবা নীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

১৬ জুন, এপি : সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অবস্থান ছিল কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা। তবে এতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শুক্রবার এ সম্পর্কিত ঘোষণা দেয়ার কথা ট্রাম্পের। হোয়াইট হাউসের পদস্থ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের তিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শুক্রবারের ঘোষণায় কিউবার সঙ্গে ভ্রমণ সীমিত করা হতে পারে। ট্রাম্প মনে করেন, ভ্রমণ ও বাণিজ্যের ফলে মার্কিন অর্থ কিউবার সেনাবাহিনীর হাতে যাচ্ছে। আর তিনি তা বন্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে ওই কর্মকর্তারা জানান।  
তবে ট্রাম্প দ্বীপ রাষ্ট্রটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং কিউবাকে রাষ্ট্র পরিচালিত সন্ত্রাসবাদের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার ওবামার সিদ্ধান্ত বহাল রাখবেন বলে ওই কর্মকর্তারা জানান। সেই সঙ্গে বৈধ কাগজপত্র না থাকা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া কিউবানদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তও বদলাবেন না ট্রাম্প।
ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় কৃষি, টেলিকমিউনিকেশন, বিমান পরিবহন, নৌযান এবং হোটেল ব্যবসায় কিউবার সঙ্গে ওবামার চুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে। তবে তা সত্ত্বেও বৈধ কিউবান মার্কিন নাগরিকরা দেশের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠাতে পারবেন। মার্কিন নাগরিকরা বৈধ উপায়ে দেশটিতে ভ্রমণও করতে পারবেন। তবে সেখানে বিনিয়োগের বিষয়ে বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আসতে পারে ট্রাম্পের ঘোষণায়।
১৯৫৯ সালে সামরিক শাসক জেনারেল বাতিস্তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন ফিদেল কাস্ত্রো। এর পরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে কিউবার। এরপর প্রায় পাঁচ দশক ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। এ কারণে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্কও নষ্ট হয়। পরে কিউবার সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে মনোযোগী হয় ওবামা প্রশাসন। বিশেষ করে ২০১৪ সাল থেকে সম্পর্কোন্নয়নের এই প্রচেষ্টা জোরদার করেন ওবামা। পরে গত বছর থেকে দেশ দুটির মধ্যে বিমান চলাচল শুরু হয়। ওবামা কিউবা সফরের সময় কয়েকটি বাণিজ্যিক চুক্তিও স্বাক্ষর করেছেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ