বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

সামরিক চুক্তি দোহার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনেরই ইঙ্গিত : কাতার

১৬ জুন, রয়টার্স : ওয়াশিংটনের সঙ্গে ১২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তিকে দোহার প্রতি মার্কিন সমর্থন বলে মনে করছে কাতার। বৃহস্পতিবার কাতারের এক কর্মকর্তার বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা এ কথা জানিয়েছে। ওই কর্মকর্ত জানান, ‘কাতারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে এবং এটা রাজনৈতিক কারণে সহজে প্রভাবিত হয় না।
গত সপ্তাহে সন্ত্রাসবাদে সমর্থনের অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরবসহ ৬ দেশ। মধ্যপ্রাচ্যের এই কূটনৈতিক সংকট সমাধানে এগিয়ে এসেছ কুয়েত, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ। কাতার বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনও পক্ষ নেয়নি। কারণ সৌদি আরব ও কাতার দুই দেশই তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। এর মাঝেই কাতারের সঙ্গে ১২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তিমতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩৬টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান পাবে কাতার। ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, এটাই প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে রয়েছে এবং এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিম ম্যাটিস ও কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খালিদ আল আতিয়াহ এক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আইএসের বিরুদ্ধে বর্তমান অভিযান নিয়ে কথা হয়েছে তাদের।
আইএসের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সেনাঘাটিই কাতারে অবস্থিত। এখান থেকেই ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তানসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এখানে ১১ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করেন। যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবে বুধবার কাতারের হামাদ বন্দরে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজও এসে পৌঁছেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ